পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-১)

Featured

Tags

, , , , , , , ,

প্SPN_Necrophiliaরত্নতত্ত্বে অধ্যয়ন করতে গিয়ে আমরা অতীত রাজা রাজড়াদের নানা ধরণের অবাক করার মতো খেয়াল খুশির পরিচয় পাই। এর মধ্যে অদ্ভুদ কিছু বিষয় যেমন মানুষের চিত্তকে বিচলিত করে তেমনি কিছু বিষয় আছে যেগুলো শুনলে ঘৃণায় মুখ বিকৃত করতে হয়। আমার একটা অভ্যাস আছে অবসর সময়টুকু বেশিরভাগই কাটাই হয় বই পড়ে কিংবা নেটে ব্রাউজিং করে যেখানে প্রত্নতত্ত্ব আর ইতিহাসই কেন্দ্রে থাকে। আর প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই এটা আমাকে এতটাই টানে যে আমার লেখাপড়ার গণ্ডিটা অনেকটা প্রত্নতত্বের মধ্যেই কিভাবে যেন আটকে গেছে। জা. বি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে তখন তৃতীয় বর্ষের মাঝামাঝি পড়ি এমনটা হবে। একটি সংবাদপত্রে ফিচার লেখার প্রস্তাব পেয়ে মিশরীয় মমির কিছু ছবি দেখছিলাম। ফিচার লেখার তুলনায় আমার অনুসন্ধিৎসু চোখ নিবদ্ধ হয় একটি বিশেষ বিষয়ের প্রতি। তখন ঐ প্রবন্ধ শেষ করার কাজ অনেক পিছিয়ে যায়। আমি ভাবতে থাকি অন্য বিষয় নিয়ে। Continue reading »

মিশেল ফুঁকো ও উত্তর আধুনিক চিন্তাকাঠামো

Featured

Tags

, , , , , ,

urlবিশিষ্ট দার্শনিক ও উত্তর আধুনিক চিন্তাধারার অন্যতম পুরোধা মিশেল ফুঁকো ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের Poitiers নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। ফ্রান্সের বিশিষ্ট সার্জন পল ফুকো ছিলেন তাঁর বাবা। বাবা তাঁর নাম রেখেছিলেন পল-মিশেল ফুকো, সেই সাথে ইচ্ছা ছিল জ্ঞানচর্চা শেশে ফুঁকো বাবার মতো চিকিৎসক হবেন। শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক সময় বেশ ভালোভাবে কাটতে থাকে তার। তবে তাঁর প্রতিভার বিকাশ লক্ষ করা যায় বিখ্যাত জেসুইট কলেজ সেন্ট-স্টানিসলাসে ভর্তির পর। পড়াশোনায় বিশেষ সাফল্য তাঁকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ফ্রান্সের মানবিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান École Normale Supérieure
- এ প্রবেশের সুযোগ করে দেয়। তবে এখানকার জীবন ফুকোর জন্য ছিল বেশ কষ্টকর। নানা কারণে তিনি প্রচণ্ড অবসাদগ্রস্ততা ও হতাশায় ভুগতে থাকেন। একসময় মানসিক বৈকল্য তাকে মনোচিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে বাধ্য করে। তিনি এরপর হটাৎ মনোবিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহী হন। Continue reading »

প্লাজমা ফিজিক্স এবং বাংলাদেশী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ এ মামুন

Tags

, , , , , ,

news1369134468956791st_159_tস্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই মামুন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের আরেক প্লাজমা পদার্থবিদ ড. মফিজউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে ১৯৯৩’র মার্চ পর্যন্ত প্লাজমা গবেষণা চালিয়ে যান। অধ্যাপক মামুন তাঁর প্লাজমা গবেষণার শুরুতেই যেমন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন উন্নততর দেশে গিয়ে উচ্চতর গবেষণা করার, ঠিক তেমনি তিনি তখন থেকেই অনড় ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন নিজের দেশে ফিরে নিজের দেশে কাজ করার। আর বাংলাদেশে experimental physics এ কাজের সুযোগ কম বিধায় তিনি তখন থেকেই theoretical physics-এ গবেষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। তারপর ১৯৯৩ সনের এপ্রিল মাসে অধ্যাপক এম. সলিমুল্লাহর উপদেশক্রমে মামুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের প্রভাষক পদে যোগদান করেন, এবং একই বৎসর সেপ্টেম্বর মাসে commonwealth scholarship (open competition)  নিয়ে Ph. D. করার জন্য যুক্তরাজ্যের St. Andrews University  চলে যান। তাঁর গবেষণার কর্মস্থল ছিল St. Andrews University  ও Rutherford Laboratory, এবং তাঁর তত্বাবধায়ক ছিলেন দুই বিশ্ব-বিখ্যাত প্লাজমা পদার্থবিদঃ Prof. R. A. Cairns (St. Andrews University) ও Dr. R. Bingham (Rutherford Applied Laboratory, Oxford)।  অধ্যাপক মামুনের Ph. D. Thesis এর মূল উদ্দেশ্য ছিল Viking space craft ও Freja satellite কর্তৃক observed  বিশেষ nonlinear structures এর theoretical ব্যাখ্যা প্রদান। অধ্যাপক মামুন অত্যন্ত সুন্দরভাবে এবং সাফল্যের সাথে (successfully) এর  theoretical ব্যাখ্যা প্রদান করেন। প্রায় দুই বৎসরের মধ্যে তাঁর Ph. D. Thesis এর কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁর Ph. D গবেষণাকর্ম কয়েকটি প্রবন্ধাকারে আমেরিকার অতি উচ্চমানের জার্নালে প্রকাশিত হয় ও সেই সঙ্গে এ গবেষণাকর্ম বিশ্বের সমগ্র plasma community কর্তৃক বহুল প্রশংসিত হয়। অধ্যাপক মামুনের এ গবেষণাকর্মের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন প্লাজমাবিদগণ বিভিন্ন জার্নালে দুই শতাধিক প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এখনও তাঁর এ গবেষণাকর্মকে ভিত্তি করে প্রচুর প্রবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে। আরো পড়ুন…. Continue reading »

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 30 other followers