তিন বন্ধুর বাদরামি ও চাইনিজ মোবাইলের খপ্পরে দুই লুল বড় ভাই


যেখান থেকে শুরু
তখন সবে ভার্সিটিতে প্রথম বর্ষের ছাত্র । আমি আমার বন্ধু ফয়সল আর পলাশ চুপচাপ বসে আসি আমাদের ভাংগাচোরা ছোট খাট টি এস সির সামনে। সবে ব্লগিং শুরু করেছি । আমার বন্ধু ফয়সল এর মাথায় আবার একটু গিরিংগি ভাল খেলে। আমি আর পলাশ দুইজনই একটু নিরীহ টাইপের ।

নিরীহ হলে হবে কি। শয়তানিতে আমরা কেউ কারো থেকে কম যাই না । আজকে রাতে কি পোস্ট দেয়া যায় হটাত পলাশ প্র্রশ্ন কর।
আমি হা করে তাকিয়ে থাকি। ফয়সল রেগে গিয়ে কিরে তোদের কি খাইয়া দাইয়া কোন কাম নাই এই পোস্ট দেয়া ছাড়া

যাহোক তখন হটাত চাইনিজ মোবাইল গুলো বাজারে আসতে শুরু করেছে । এম পি থ্রি , ফোর ক্যামেরা সবই আছে। ফয়সলের জাপান প্রবাসী মামা ওকে একটা গিফট করেছে আমি ওর সেটটা হাতে নিয়ে গান শুনছি। হটাত দেখি কি ওর মোবাইলে কন্ঠস্বর পরিবর্তন করে কথা বলা যায়।

আমি ফয়সলকে দেখালাম দোস্ত পাইছি
আজ রাতে আর ব্লগামু না। মজাক লমু আমাদের বড় ভাইগোরে পচামু
যেই কথা সেই কাজ।
প্রথম দিন শুরু হলো বাড়ীর মধ্য থেকেই
টার্গেট শিয়াল পণ্ডিত । কিন্তু হাজার হলেও পণ্ডিত দ্বিতীয় রাইতেই ধরা খাইলাম

পরদিন টার্গেট সিংগাপুর প্রবাসী স্বপ্নকুটির ভাই। হাজার হলেও উনার মাথায় ইন্জিনের মতো বুদ্ধি উনারে চার পাচদিন জ্বালাইতে পারছিলাম । এরপর যথারীতি ধরা খাইলাম

এরপর মাসউদ ভাই । বেচারা আসলেই নিরীহ মাইয়্যা লোকের স্বর শোনার পর আর কথাই কননাই

এরপর মাহবু্ব ভাই। বলে আমি মুরুব্বি লোক। আমার এক পা কবরে এক পা ডাংগাতে। মা আমারে ফোন দিছ কেন

জারীর ভাই। কয় তোমার আব্বারে কইয়া তাড়াতাড়ি বিয়ার ব্যাবস্থা করতে হবে। মাইয়্যাপাইন ইচড়ে পাকছো সব । আমার খোজে অনেক পোলাপাইন আছে

আমরা ও তিন জনই ছিলাম সাক্ষাত ইবলিশ এর এক মায়ের পেটের আপন তিন ভাই। আমরাও দমবার পাত্র না।
আমাদের এবারের টার্গেট ব্লগের বিখ্যাত কবি গুল্লা ভাই আর লাফাংগা প্রোফাইল পিকচারের জনক লিংকন ভাই। এইবার যা চাইছি তাই পাইছি ।
আমরা তিন শয়তান তখণ তো মনে হয় বাঙলাদেশের বিশ্বকাপ ক্রিকেট জেতার আনন্দ উপভোগ করছি। যাহোক লিংকন ভাই এর সাথে যা ঘটে তা না বলে আর পারছি না।
প্রথম উদ্যোগ
পলাশ ফোন দেয়!!!!
আসসালামু আলাইকুম, ভাইয়া
হ্যালো কে বলছেন প্লিজ?
-আমি লিংকন।
আপনি
আমি সুবর্ণা
এক্সট্রিমলি সরি ভাইয়া। ভুল হয়ে গেছে।আমি আমার বন্ধু শাওনকে মিসকল দিতে গিয়ে ভুলে আপনাকে দিয়ে ফেলেছি।
আপনি ভুল বুঝবেন না। আপনি মাইণ্ড করেন নি তো ???
-না না কোন ব্যাপার না :।
আচ্ছা রাখি ভাইয়া
-রেখে দিবেন?
ভাইয়া আম্মু আর বড় ভাইয়া আজ তো বাসায় । আজ শুক্রবার তো। বেশীক্ষন কথা বললে বকা দেবে
– আপনি কিচ্ছু মনে করবেন না। আমি কিন্তু একদম মাইন্ড করি নি।

ঠিক পনের মিনিটের মাথায়
পিপ পিপ পিপ….
এসএমএস।
‘সুবর্ণ আপনি কি কখনো আনপার কন্ঠস্বর নিজে শুনেছেন ? আমার কাছে আপনার কথাগুলো ন্যান্সি আনিলার গানের চেয়েও ভালো লেগেছে ।এই একবরের ফোনকলেই আমি আপনার ফ্যান হয়ে গেছি
বলুন আমি কখন আপনাকে ফোন দিতে পারি।
আপনার তখন ক্যন্টিনে চা খাচ্ছিলাম । ক্যান্টিনের বিল চুকিয়ে বাইরে বের হলাম।
তিন জন মিলে শলাপরমর্শ করে মেসেজ রিপ্লে করলাম।
ঠিক সকাল সাড়ে আটটাতে কল দিবেণ !!!!
কারণ তখন আমাদের ক্লাস শুরু হওয়ার এক্কেবারে পূর্ব মুহূর্ত।
আমরা তিনজন একসাথে মজা নিতে পারি সহজেই।

এভাবে আমাদের বদমায়েশি তিন চার দিন হয়ে গেছে। আমরা তো মনে হয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাংলাদেশের ঘরে আসলে যেমন আনন্দ পেতাম তেমন মজায় আছি।

আমরা ক্লাস শেষে আড্ডা মারার পর আমি আমার বাসায় চলে আসলাম । পরদিন টিউটোরিয়াল ভাবলাম কিছু একটা পড়া দরকার ।
আর ফয়সল গেল ওর বাসাতে ।
বিপত্তিটা বাধলো তখন
কোপাসামসু রিংটোন বেশ কিছুক্ষন বাজার পর ..
এই প্রথম বার রিসিভ করলো ফয়সল।

হ্যালো লিংকন!!কেমন আছ তুমি ??
-ভালোনা। জানো আজকে আমার কিচ্চুটি ভাল লাগছে না্।
কেন কি হয়েছে লক্ষীটি বলই না।
-তুমি আজ সারাদিনে একবারও কল দাওনি তাই আমার মন খারাপ।
সরি তুমি মাইণ্ড কইরো না । আমার মোবাইলে ব্যালেন্স ছিলনা।
– ছি ছি এটা একটা কথা হলো!! তুমি আমাকে জানাও নি কেন ?
আমার কেমন যেন ইচ্ছা করেনি, তাছাড়া তুমি আবার কি ভাব তাই।
আজকে ব্যালেন্স না ঠিক করতে পারলে আমার ফোন বন্ধ হয়ে যাবে।
আমি ভাইয়াকে বললাম। ভাইয়া বললো আম্মুকে । আম্মু রেগেমেগে বললেন ।

ঠিক হয়েছে । সারাদিন লেখাপড়া নাই খালি বকর বকর করা।আম্মু তখন আব্বুকে বলে দিল আব্বুও যেন আমার কার্ড না রিচার্জ করে দেয়। এখন আমি কি করবো । আমার মনটাও জান খুব খারাপ। আজ রাত বারোটাতে আমার মেয়াদ শেষ হবে । এইটাই মনে তোমার সাথে শেষ কথা বলা। কোন ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা করো।
না না না লক্ষীটি অমুন অলুক্ষুনে কথা বলতে নাই। তুমি আমার সাথে কথা না বললে আমি কি নিয়ে বাচবো

আমি এক্ষুনি আমার বন্ধু গুল্লাকে বলে দিচ্ছি । ও তোমার ফোনে কার্ড ভরে দেবে। আর আমি ভাবছি এত দুর দেশের ফোনে তোমার ফোনকল আমার ভাগ্যই নিয়ে এসেছে। আমি সত্যিই খুব লাকি।
যথারীতি লিংকন ভাইয়া গুল্লা ভাইকে কোন কাহিনী না বলে শুধু নম্বরটা দিয়ে বলেন ।
দোস্ত তুই এই নম্বরে ৫০০ টাকা লোড করে দে। আমি তোকে পাঠাচ্ছি।
গুল্লা ভাবেকাহিনীটা কি
একটু খানি গুতিয়ে দেখি
গুল্লাও টাকা দিল কিন্তু নম্বরটা সেভ করে রাখলো। সে লিংকন ভাই এর বান্ধবীর সাথে কথা বলে একটু হলেও তার প্রেমে বন্ধাত্ব ঘোচাতে চাইলো।সেও যথারীতি নিজের গাট থেকে লোড করে কথা বলতে থাকে।
একদিন রাতে আমরা তিনজনই হলে থাকলাম। পালাক্রমে তিনজন প্রায় সারারাত কথা বল্লাম লিংকন ভাই এর সাথে।
ওই দিকে এক মিনিট কথা বলার আসায় গুল্লা ভাই সারারাত ফোন হাতে নিয়ে পায়চারি করেছে। কিন্তু পারে নি।
সারারাত জাগা আর কথা না বলতে পারার জ্বালা জুড়িয়ে তার তীব্র জ্বর আসে।

 প্রথম পর্বের পর।
৫ .. ৬… ৭…..৮…..এভাবে ২০-২৮ দিন হবে হয়তো

দুই বন্ধু পালাক্রমে একে অন্যকে পল্টি দিয়ে কমপক্ষে প্রায় ২০০০ টাকার মতো কথা বলেছে সাথে না চাইতেই ফ্লেক্সি করে দিয়েছে।
ইতিমধ্যে গুল্লা ভাই বাংলাদেশে থাকাতে আর এক কাঠি সরেস । সে তো দেখা করার জন্য উন্মুখ
একদিন জানতে চাইলো আমরা কি দেখা করতে পারি। পলাশ তখন কথা বলছিল। সে বললো. অবশ্যই কেন নয়।
কিন্তু বিধি বাম। গুল্লা ভাই জানতে চাইলেন আমি কিভাবে চিনবো।
পলাশ আমাকে ফোন দিল ,
আমি বললাম নীল জিন্স আর লাল টপ ওর্না থাকবে না। সাথে হাইহিল। কে এফ সির সামনে দেখা হবে
আমি জানতাম একটা মেয়ে আমাদের ঠিক পাশের বাসার এই একই পোশাকে প্রায়ই কে এফ সি তে খেতে যেত্ এক এক দিন নতুন নতুন বন্ধু থাকতো তার সাথে । অনেকটা আমার বাসার সাথে বাসা হলেও শুধু দুর থেকে দেখেছি । কিন্তু কথা বলার রুচি হয়নি । যাহোক এই সুযোগে যদি একটা কিছু হয়। যথারীতি আমরা তিনি সহোদর কে এফ সিতে হাজির।
আমরা তিনজন অনেকটা ছদ্মবেশ নিতেই কোট টাই পরে সেই সাথে রাতের বেলাতেও গ্লাস চোখে দিয়ে হাজির। আমরা দেখতে লাগলাম কি ঘটে।

যা ঘটার ঘটলো। ওই মেয়েটা যথারীতি বসে আছে তার বয়ফ্রেণ্ডের অপেক্ষাতে ।
এদিকে গুল্লা ভাইকে দেখলাম আসতে। সরাসরি কোন কথা না বলে চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসে পড়লেন পাশে । বল কি খাবে ???
মেয়েটা অবাক হয়ে তার দিকে চাইল!!!!!!!!
এক্সকিউজ মি !!!!!!!!!
আমি ঠিক বুঝলাম না। আপনি কে?? কি বলছেন এসব
-নানা তুমি আসলেই খুব মজা করতে পারো । কাল তো কথা হলো ড্রেস তো মিলে যাচ্ছে। একটু নিচু হয়ে গুল্লা ভাই তার জিন্স আর কালো হাই হিল চেক করতে গেছেন।
কিন্তু বেচারা আর সোজা হয়ে উঠতে পারেননি। সোজা একটা থাপ্পর
যা ভাগ বেটা । ফাজলামি করার যায়গা পাস না। গুল্লা ভাই চরম রেগে মেগে অনেকটা যুদ্ধং দেহি মনোভাব দাড়াতে গিয়েও এক লাফে পিছিয়ে এলেন
এ তা আর কেউ না স্বয়ং তার কুংফূ মাস্টারের ই গার্লফ্রেণ্ড।
কোন কথা না বলে পিছনে তাকানোর চেষ্টা না করে ভো দোড় যাকে বলে তাই দিয়ে আউট।
কিন্তু বেচারার ভাগ্যটাই খারাপ। কে এফসির সামনের সিড়েঁ থেকে হোচট খেয়ে পড়ে তার গাল কেটে গেল। দরদর করে রক্ত বেরুতে লাগলো
কি আর করা। আমাদের নিজেকেই ধিক্কার দিতে ইচ্ছা করছিল। দ্রুত গুল্লা ভাইকে আমরাই ধরে ল্যাব এইডে ডাক্তার নীলু ভাই এর কাছে নিয়ে গেলাম। উনি প্রাথমিক চিকিতসা ঠিকই করলেন বললেন ‌অবস্থা গুরুতর তোমরা বরং আমার পাশের রুমে পাংশুল ভাই এর কাছে যাও। উনি কয়দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছেলে কি নাম যেন আতেল না কি ??

টি এসসির সামনে তার প্রেমিকার কাছে হকিস্টিক রডের মার প্রচন্ড মার খায় পরকীয়া করার অপরাধে। তারপর তার চিকিতসা করেছিলেন পাংশুল ভাই। দুইদিন আইসিইউ তে পাংশুল ভাই কড়া তত্তাবধানে থাকার পর আজ সকালে তার জ্ঞান ফিরছে।
তারপর অর্ণব তুমি গতবছর ওই একটা ভাংগা দেয়ালের ইট মাথায় পড়ার পর তোমার মাথাতে যে সাত আটটা সেলাই দেয়ার লেগেছিল ওইটাও তো পাংশুল ভাই করেছিলেন । তোমরা উনার সাথে কথা বলাটাই ভাল।
আর এই বেচারার কেচ কি। আতেলের মতো কিছু নাতো
ফয়সল কিছু বলার জন্য মুখ খুলছিল ।আমি চোখ টিপলাম ও মাঝপথে ও থেমেগেল।
ওদিকে চাপাবাজ সর্দার পলাশ সুন্দর কাহিনী বানিয়ে বললো গুল্লা ভাই ভার্সিটির ক্লাস শেষে বাইকে করে ফিরছিল
হটাত একটা মাইক্রোতে ধাক্কা খেয়েছে। কিন্তু নীলূ ভাই চোখটা একটু বাকা করে বললেন
আজ না শুক্রবার আজ ক্লাস কিসের।
এটা তোমাদের তিন ইডিয়টের কত নম্বর চাঁপা
আমার দিকে মুচকি হেসে জানতে চেলেন নীলু ভাই ।
অর্ণব তুমিই এবার বল।
আমি কিছু না বলে কাশতে কাশতে বললাম ভাই পানি।
আমার আসলে কথা বলার মতো অবস্থা ছিল না। শয়তানির জের সইতে না পেরে আমার প্রচন্ত শ্বাস কষ্ট হচ্ছিল
গুল্লা ভাইয়ের দুলাভাই কে খবর দেয়া হলো

যাহোক বড় ভাই বলে কথা। এদিকে নীলু ভাই এর উদ্যোগে আমরা তিন ইডিয়ট মজা করে খাওয়া দাওয়া করলাম
এদিকে ফয়সল তার বান্ধবী সুপ্তিকে ফোন করে আসতে বললো
আসল ঘটনা এই সু্প্তিকে গুল্লা ভাই বেশ কয়েকবার ডিস্টার্ব করেছেন। ছোট ভাই এর বান্ধবী জানার পরেও তার বাদরামি বন্ধ হয়নি। তাই তাকে এমুন থেরাপি দেয়াতে সেও যার পর নাই খুশি
আমি আর পলাশ দুই ভবঘুরে একা হয়ে গেলাম
ও ভার্সিটির বাস ধরলো।
আমিও একটা বাসে উঠলাম আমার বাসার উদ্দেশ্যে।
এখন লিংকন ভাই এর কাছে আমি ফোন দিলাম আমার ফোন থেকে
ভাইয়া অর্ণব বলছি। ভাই মনটা খুব খারাপ
-কেন কি হইছে। ভাই আমাদের গুল্লা ভাই আজ মার খাইছে।

কিভাবে. লিংকন ভাই তো পুরো কাহিনী শুনে হেসেই খুন । তিনি আমাকে বললেন তো্রা তিনজন আসলে আমার আপন ভাই। তোরা যে খবর আমাকে দিলি তোদের ঋণ আমি কোনদিন শোধ করতে পারবো না

আমরা যথারীতি ওই মেয়ের ষণ্ডামার্ক বয়ফ্রেন্ডের কথা এড়িয়ে গেছি । এইবার লিংকন ভাই। ভাবছে কাহিনী আমার সুবর্না মনে হয় সত্যিই আমাকে ভালবাসে । তাই সে গুল্লাকে ওই রকম একটা শিক্ষাদিয়েছে

পরদিন রাতে কি মনে করে আমরা তিনজনই হলে।
ছাদে বসে আড্ডা দিচ্ছি। রাত সাড়ে বারোটা হবে।
ফয়সলের ফোন বাজছে ।…
আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম পরীক্ষা সামনে এই নাটকের ইতি টানতে হয়
তাছাড়া সুপ্তি ফয়সলের সাথ অনেক রাগারাগি করেছে আজ
বলেছে তোমার ফোন সারারাত বিজি থাকে কেন???
যাহোক ফাজলামির জন্য তো আর বন্ধুর ঘর ভাংগা যায় না
সবাই বলে পলাশ যত কিছু ধ্বংসের গুরু। তাই এই নাটক সেই ইতি টানলো সেই
লিংকন ভাই এর ফোন রিসিভ করার সাথে সাথে ।
হ্যালো কে তুই
বল কি চাস সুবর্ণার কাছে
শয়তান ইতর বদমাশ
মেয়েদের নম্বর পেলেই লূলামি
ও আমার বিবাহিত স্ত্রী। ওর ফোনে যদি আর একবার ফোন দিস। আমি র‌্যাবে খবর দেব

এরপর আমরা এতটাই অনুতপ্ত ছিলাম যে আমরা কোনদিন অপরাধ স্বীকার করে লিংকন ভাই বা গুল্লা ভাই এর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সাহস করি নাই

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s