নরমাংশভোজী রাক্ষসদের বৈধতা দেয়া হোক তবুও অবসান চাই এই সব পরিমলীয় বর্বরতার


কুখ্যাত কানিবাল হলোকাস্ট মুভির কাভার পেজ
অনেক দিন পোস্ট লেখা হয়না । হয়তো লেখার রুচিতে আসেনি। কি নিয়ে আর লিখবো। পত্রিকা পড়াটাও দীর্ঘদিন বাদ দিয়েছি মনে হয়। কারন আমাদের বাসায় যে পাচটা পত্রিকার আসে তার মধ্যে সবার আগে আসে আলু হয়তো মনে হয় তার লেফাফা দুরস্তিতে ভরা এডিটোরিয়ালে মনের ভুলে চোখ যেয়ে থাকতে পারে। তাইতো পত্রিকাতে এমন অরুচি। যাহোক সেকথা বাদ দেই। প্রসংগে আসি।
আজ খবরে জানলাম সৌদিতে আমাদের দেশীয় দেশ কিছু আদম সন্তানকে বাবা আদমের দর্শন পাইয়ে দিতে দেহ থেকে মুণ্ডু বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে। তখন হটাত কেন যেন আনমনা হয়ে যাই। যার চিন্তার ফসল হিসেবে এই পোস্ট। অনেক ব্যস্ততায় বেশি কিছু লিখবো না। শুধু একটু আত্মার প্রশান্তি আনতে ঝাল ঝাড়ার চেষ্টাও বলতে পারেন।
আমি দুটি ঘটনার তুলনা করেছি মনে মনে প্রথমত ভিকারুননিসার ঘটনা আর বরাহশাবক পরিমল আর তার পৃষ্ঠপোষকতাকারী চুন্নী সাহা ও ইভাটিএন। সেই সাথে একটি লোমহর্ষক ছবি যেটি কিনা ১৮+ ও বটে। এই একমাত্র মুভি যেটা এতটাই বিকৃত রুচির যার কারনে পুরোটা শেষ করতে পারিনি। সেখানে নরমাংশ ভোজন। লাগাতার নানা ফেটিশ আচরণ করে একটা মেয়েকে হত্যা করে তার কলিজা বের করে সেটা ভক্ষণ করে এক পাষণ্ড। অন্যদিকে এর মধ্যে একজন বিদেশী গিয়ে একটা স্থানীয় মেয়েকে ধানক্ষেত্রে ধর্ষণ করে । পরবর্তিতে একটা ক্লানের কয়েকটা মেয়ে একত্রিত হয়ে তার পুরুষাঙ্গ ছিন্ন করে ফেলে। এর পাশাপাশি আরও কিছু ঘটনা ছিল যেটা দেখলে মানবাত্মা রিরি করে উঠবে তীব্র ঘৃণায়। সেটা আমাদের ভাষায় নৃবিজ্ঞানী ও প্রত্নতাত্ত্বিক অনুজ্ঞায় একটা পিছিয়ে পড়া সমাজের কাহিনী। যাকে নিয়ে লেখা যায়। বাস্ততে চিত্রায়িত করে তাদের দিকে আঙুল তোলা যায়। দেখ তোরা কারা আর আমরা কারা।

তবে ঐ কাহিনীতে কোন স্কুল ছিলনা। বাচ্চা মেয়েদের লেখাপড়া শিখার জন্য পরিমলের মতো শিক্ষকের দ্বারস্থ হতে হতো না। এইটাতেই জাত রক্ষা। তাহলে পরিস্থিতি হয়তো আরো ভয়াবহ হতো। কিন্তু কিছুদিন আগে মনে হয় আমাদের দেশেই কানিবার হলোকাস্টের আদলে হয়ে যায় দু দুটো সেক্সুয়াল হলোকাস্ট। একটা ছিল নাক কামড়ে খেয়ে ফেলা যাকে সহজেই কানিবাল হলোকাস্ট বলা যায়। অন্যটি একটা শিশুর উপরে পাশাবিক নির্যাতন।

যার কারণে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই মেয়েটি আজও সোজা হয়ে হাটতে পারেনা ঠিক মতো। তার ব্লিডিং হয়েছিল এক সপ্তাহ যার জন্য সিংগাপুর পর্যন্ত যেতে হয়। আসলে ঘটনাটা প্রতিকী। দেশের আরো কতো স্কুল কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নামের শুকরছানাগুলো তাদের দাপট দেখিয়ে কত কি খরছে । প্রতিদিন কতো খবর আসে খবরের কাগজ ভরে। কিন্তু এদের অপকর্ম গুলো রয়ে যায় অগোচরে।
আমার প্রশ্ন জাতির বিবেকের কাছে। এই ধরণের খবর পত্রিকায় যতো আসে । তার শতকার দশভাগ হলেও শাস্তির খবর পত্রিকার পাতায় দেখতে চাই। না তা সম্ভব হবে না বোধহয়। কারণ সেদিন ই তো আমাদের দেশের একটি টিভি চ্যানেলের নিউজ প্রডিউসার আমাকে বলেছিলেন । অর্ণব হুদাই এই সব ব্লগিং এর ভাষায় কথা বলা বাদ দে ভাই। এতে তোর কোন লাভ নাই। লেখা পড়া করে তোর ভাল রেজাল্টটা ধরে রাখ। একটা স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে যা। একজন ভাল আর্কিওলজিস্ট হতে পারবি । তোর স্বপ্ন ও পূরণ হবে। শুধু শুধু এদের নিয়ে ভেবে লাভ কি ??।

তুই এখানে এতো লম্বা চওড়া লেকচার দিলি। হয়তো তোর লেখা কালের কন্ঠ, আমার দেশ, যুগান্তর ছাপবে । কিন্তু প্রথম আলোর সব সর্বজন গ্রাহ্য পেপার ছাপবে না। লোকে ভাববে হয় তোর মস্তিক এর বিকার উঠছে নয়তো তুই কোন মহলের স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছিস। তুই যে কানিজ আলমাস কে নিয়ে লিখতে চাইছিস। তার হাত অনেক অনেক লম্বা।

অনেক বড়। তুই জানিস না। তোর হাত শুধু জানে বিদ্যুত গতিতে টাইপিং আর পরীক্ষার খাতায় পেজ গুলো ভরে লিখে সেরা রেজাল্ট আনতে। আর উনাদের হাতে আরো কিছু আছে যেটা তোর নাই।
ঘৃণা ভরে তাকে বলেছিলাম। উনার হাত অনেক লম্বা যা দিয়ে উনি লোকের উদোম পিঠে আর পশ্চাতদেশে হাত বুলিয়ে মাসাজ করান। কিন্তু এই অর্ণবের হাত তাদের মতো লেফাফা দুরস্তির নয়। এই হাতে জোর আছে । এই জোর কলম কিবোর্ড চালানোর জোর যা ঝড় তুলতে পারবে । যেটা ওই কিউট পর্ণগ্রাফারের নাই।

উনি রেগে গিয়ে আমাকে ঠাস করে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলেন ভাগ। বাসায় যা । আমার অফিসের সময় হয়ে এল।
সেদিনকার মতো ইতি টানি। বাসায় আসার সাথে সাথে আমার চিন্তায় মনে মগজে স্থান করে নেয় অপ্রকাশিতব্য দুইটা বইয়ের কথা। আর ভাবনার জগত চলে যায় দেশ ছেড়ে সেই গহীন অতীতের প্রত্নতত্ত্ব চর্চায়। যেটিকে নিয়ে আমি আজও স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। গভীর রাতে অনেক প্রেমিক যেমন তার প্রিয়ার কালো চোখকে দিব্য চোখে সামনে টেনে এনে তার কথা ভেবে চোখের পাতা বুজতে চেষ্টা করে। আমি তেমনি ভাবি অতীতের মানুষ কেমন ছিল। তার কেন এমন ছিল। আর তাদের এভাবে টিকে থাকার যৌক্তিকতা কোথায়। একসময় হার মানি। ঘড়ির কাঁটা যখন পাচটা ছুঁই ছুঁই হটাত করেই চোখ বন্ধ হয়ে আসে। আর অনেকটা চোরদের মতো চোখের পাতা মেলে ধরি বেলা এগারো থেকে বারোটায়।
আজ আমার দেশের খবর পড়ছিলাম সন্ধায় । বিদ্যুত ছিলনা তখন। আর ভাবছিলাম কিছু একটা লিখি। অনেকদিন না লিখে কিবোর্ডটা কেমন যেন জমে গেছে। আর ভাবছিলাম ইশ আমাদের দেশে যদি কানিবালিজম থাকতো দেশের যুগ সমাজ হয়তো পরিমলদের মতো কয়েকটা শুয়োরেকে ধরে রোস্ট করে খেত আর এই অপকর্ম বন্ধ হতো। আমি জানিনা কি লিখলাম হয়তো অগোছালো। হয়তো কোন ভাষা হয়নি। আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কারণ আমি সেইভাবে রাজনৈতিক পোস্ট লিখার মতো মানসিকতা নিয়ে প্রস্তুত নই। মাথা জুড়ে কেবলি প্রত্নতত্ত্ব আর ইতিহাস ঘুরছে। আগামী মাসে যখন আমার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হবে তখন আবার ব্লগে নিয়মিত হবো।

সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা।
যে সংবাদগুলো এই প্রবন্ধটি লিখতে বাধ্য করেছে।
বাগমারায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রীকে গণধর্ষণ : গাজীপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাকারী বরিশালে গ্রেফতার
আওয়ামী লীগ এমপির স্ত্রীর হাতে নির্যাতনের শিকার গৃহপরিচারিকা
যশোরে পূজামণ্ডপে মদ্যপ আওয়ামী নেতাদের তাণ্ডব : তরুণীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s