উপলদ্ধি পর্ব তিন


একটা নিবন্ধ নিয়ে কাজ করার সুবাদে দীর্ঘদিন চারপাশে নজর দিতে পারিনি। এমনকি পরিবারের সবার সাথে আমার একটা বিরাট দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। সবাই এক কথায় আমাকে আতেল আখ্যা দিয়ে বর্জন করতে শুরু করেছে। এর প্রধান কারন তিন তিনটি বিয়ের অনুষ্ঠান কাজের দোহাই দিয়ে বর্জন করেছিলাম। সবার একই কথা তুই দুই টাকার থার্ড ইয়ারের ছাত্র । তোর এতো কাজ কিসের। এত কম বয়সে আতেল হোস না। আখেরে খারাপ আছে। :
এরই মাঝে আবিদ ভাইয়া বিয়ে করলেন আমার পরিচিত এক বড় আপুকে কিন্তু উনি জানতেন না যে আপু আমার পরিচিত। আপুর সাথে আমার খালাত ভাইয়ের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল যা আমি আবিদ ভাইয়ার কাছে বলার মতো অবসর পাইনি আবার অনেকটা ইচ্ছে করেই বলিনি। কারণ আবিদ কোন সুফি সণ্যাসীর নাম নয়।
উনিও যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রায় চারটি বছর অন্য এক আপুর সাথে চুটিয়ে প্রেম করেছেন। তারপর আমাদের ভাষায় ‘ প্রেমে খাইয়া ছ্যাকা হইয়া গেছেন বড় রকমের ব্যাকা’ :P। দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সম্পর্কের ইতি টেনেছে তাঁর বান্ধবী লুবনা ।
কানাডা প্রবাসী এক যুবকের অর্থবিত্তের মোহে জীবনের সব আনন্দ খুঁজে নিতে আগ্রহী হয়ে হিসেবের খাতা থেকে আবিদ ভাইকে ছেঁটে ফেলেছেন উনি। তাই এই দুজনই আমাকে বেশ সমীহ করে চলেন । কখন যে কার রোমান্সক্লিক্স ফাঁস হয়ে যায় তা কে জানে। আর এরকম একটা ঘাড়ত্যাড়া আঁতেলকে গায়ে পড়ে রাগানোর সাহস কে রাখে। যাহোক আমি বেশ খেয়াল করতাম দুইজনই যখন আমার সামনে একসাথে থাকতেন কেমন যেন অপরাধীর চেহারা নিয়ে এদিক ওদিক তাকাতেন। আর কেমন যেন ভয় ভয় ভাব। :l
রনি ভাইয়ার সাথে বেশ কিছুদিন আমার কোন যোগাযোগ নাই। ভাইয়ার এক সময়ের খুব কাছের ছোট ভাই এই আমি তাঁর বিয়ের সময় বাড়ীর সবার কথা অমান্য করে নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বরে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন করতে গিয়েছিলাম। সবার অমতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রত্নতত্ত্ব বিষয়টিকে নিজের পছন্দ থেকে নির্বাচন করায় বেশ যন্ত্রণা পোহাতে হচ্ছিল তখন আমাকে। কিন্তু বরাবরের মতো আমি নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলাম।
পারিবারিক তোপের মুখ থেকে অনেকটা রেহাই পেতেই একেবারে ছাত্রজীবনের শুরুতে গবেষকের খাতায় নাম লিখাই। অনেক কষ্টের মাটিকাটা আর ইতিহাসের নিদর্শনের খোজে হন্যে হয়ে মাটির স্তরে স্তরে চোখ বুলাতে বুলাতে যেন এক অন্যজগতে চলে গেছিলাম তখন। তাই রনি ভাইয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান বাসার জাঁকজমকপূর্ণ নানা আয়োজনকে হেলায় ফেলে রেখে প্রতিদিন জন্তুর মতো পরিশ্রম করে নরসিংদীর মাটিতে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে ।:
খননের অমানুষিক পরিশ্রমে কাহিল হয়ে বিভাগের একজন সম্মানিত অধ্যাপককে সাক্ষাত মাটিতে শুয়ে বিশ্রাম করতে দেখে ওই সময় আমার প্রত্নতত্ত্ব বিষয়টির প্রতি সম্মান আরো বেড়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম এই প্রত্নতত্ত্বই একমাত্র বিষয় যা সকল অহংকার জাত-পাত ভেদাভেদ ছিন্ন করে মানুষকে মাটির কত কাছে নিয়ে যেতে পারে।

যাহোক খবর পেলাম রনি ভাইয়া দেশে আসছেন। গত রাত্রে আমার মেইল চেক করে উনার সন্ধান পাই। তাতে লেখা উনি গুগল বাংলাদেশ থেকে সার্চ করে আমার নামে বেশ কিছু লিংক পান যাতে আমার বেশ কিছু ছবি ছিল। দৈনিক সংবাদপত্র আর ব্লগে আমার লেখার নিচ থেকে মেইল আইডি খুজে পান উনি। আর অনেকদিন পর ছোট ভাইয়ের ছবি দেখে নাকি তার খুব খারাপ লাগছে। উনার মেইল পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে তাই সরি বলতে আর দেরি করিনি। সেই সাথে আমার মোবাইল নম্বর দিয়ে ব্যাক মেইল করার আধাঘন্টার মধ্যে উনার কল।
সরাসরি হাউমাউ কান্না। সে কান্না আর থামে না। শুধু বলতে থাকেন তুই শয়তান মানুষ হবি কবে। এই ভাইটার কথা কি একদমই মনে পড়ে না। আমি নির্বাক । প্রথম প্রথম কোন জবাবই দিতে পারিনি। শেষমেষ জানতে পারি রনি ভাইয়া দেশে আসছেন। অনেকদিন পর হলেও এরথেকে আনন্দের খবর আমার কাছে কিছু ছিল না। এরপর প্রতিদিনই আমার সাথে ভাইয়ার কথা হতো। একদিন দুই দিন করে কমতে কমতে একদিন রাত সাড়ে দশটায় ঢাকা বিমান বন্দরে পৌছলেন ভাইয়া।
ভাইয়াকে অনেক দিন পর দেখে কতটা আনন্দ পেয়েছিলাম তা মনে নাই। তবু একটি বিষয় আমি অবাক হয়ে দেখলাম তার পাশে তার হাত ধরে আছে লুবনা আপু। যাকে ঢাকার কত জায়গায় এই একই ভাবে আবিদ ভাইয়ার হাত ধরে ঘুরতে দেখেছি। আমি এই ঘটনাকে রঙ্গভরা বঙ্গদেশের অন্যতম উপহার মনে করে তেমন অবাক হতে পারিনি।

কেন পারিনি তা হয়তো জানিনা। হয়তো বয়সে ছোট হওয়ার পাশাপাশি উনাদের থেকে আমার মন মানসিকতাও বেশ ছোট ছিল। আমি ভাবলাম এদের শায়েস্তা করতে হবে। আমি একদিন দুই দম্পতিকে একত্রিত করার ফন্দি আঁটলাম। রনি ভাইকে বললাম নেক্সট শুক্রবার আমি ফ্রি । ভাইয়া চলো আমরা একসাথে ডিনার করবো। ভাইয়া এক কথায় রাজি।
এবার আবিদ ভাই সোমা আপুর পালা । সোমা আপু এক কথায় রাজি হলেও আবিদ ভাই গাঁই গুঁই করতে থাকলেন। কিন্তু তাকে রাজি করাতে মৃদু একটা হুমকিই যথেষ্ট হলো। রনি ভাইদের নিয়ে আমি আগেই সেখানে হাজির। আবিদ ভাই এর সেখানে গিয়ে আমাকে ফোন করার কথা। যথাসময়ে আবিদ ভাই আর সোমা আপুও গিয়ে হাজির হলে আমি একই টেবিলে এই চার মূর্তিকে সামনা সামনি বসালাম। আমি এখন অনেকটা শয়তানির সাথে পাঁচ জনের টেবিলের এক কোনায় বসে পরিস্থিতি অনুভব করছি। একসময় চার জনই আমার দিকে তাকাচ্ছেন চরম রাগ আর বিরক্তিভরে ।
রনি ভাই আমাকে বলছেন কিরে এর মানে কি ? রাগে তার পুরো শরীর জ্বলছে। আমি মৃদু দাঁত বের করে জবাব দিলাম। মানে তো আমি জানিনা মানে জানেন আপনারা:-*। রনি ভাই আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টি হেনে বললেন আমরা মানে কারা। আমি বলি আপনারা চারজন জানেন ?
এরপর অনেকটা যুদ্ধজয়ের আনন্দে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসি। কিন্তু তখনও আমার ক্রুর হাসি আর উৎসব বিন্দু মাত্র পড়েনি। রাস্তার একটা ইটে অহেতুক বার কতক লাথি মারলাম। তারপর হটাৎ তাকিয়ে দেখি বন্ধু পলাশ ওর মোটর বাইক নিয়ে ফিরছে অনেক কষ্টে চেচামিচি করে ওকে থামালাম। তারপর ওর পশ্চাতে এক লাথি কষে নামানাল। নিজের বাই চালিয়ে সোজা বাসায়। কম্পিউটার মনিটরের সামনে বসে চ্যাট করছি বিভিন্নজনের সাথে। আবার আর ভাবছি কেন এমন হয় ???
=((=((=((=((=((=((=((=((=((

ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। রণি ভাইয়ার হাতে ধোলাই খাওয়ার ভয়ে বাসা থেকেও বেশ সাবধানে বের হই। সাথে মোটকা সাইজের পলাশকে বেশিরভাগ সময় সাথে রাখি। যেন রনি ভাইয়ের কাছে ধরা খাইলেও পলাশ উনাকে সাইজ করতে পারে।
আজ বেশ কিছুদিন পর ভার্সিটিতে গেলাম। না গিয়ে উপায় ছিল না। পোলাপাইনের কল আর রকমারি কথাবার্তা কান ঝালাপালা হওয়ার যোগাড়। আজ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। অনেকটা কাকতালীয় ভাবে আল্লাহর অশেষ কৃপায় কিভাবে যেন আমি এবারও প্রথম স্থান অধিকার করলাম। ব্লগার আর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের বন্ধুরা সেই সকাল থেকেই একের পর এক মোবাইলে কল করে কিংবা মেসেজে অভিনন্দন পাঠিয়েই চলেছেন। ভাবতেই ভাল লাগছিল আজও এমন মানুষ আছে যারা মানুষের খুশির দিনে খুশি হয় তাদের পাশে থাকে। বিপদের দিনেও পাশে থাকে দৌড়ে পালায় না।
শুধু বারবার আব্বার কথাটা মনে হয়ে চরম বেদনা দিচ্ছে।:(( আজ উনি জীবিত থাকলে কতটা খুশি হতেন জানিনা । আমার মনে হয় তার থেকে ঢের দু:খ হচ্ছে এটা ভেবে এমন আনন্দের দিনে সবথেকে কাছের বন্ধুকে পাশে পাইনি। এর মাঝেও তাই বেশ কয়েকবার চোখ পানিতে ভিজে এসেছে। কিন্তু রাত জাগার কারণে বেশিরভাগ সময় আমার চোখ অনেকটা গাঁজাখোরদের মতো লাল থাকাতে কেউ বুঝতে পারেনি :a। উপরন্তু বারবার টিস্যু দিয়ে চোখ চেপে ধরেছি এই ভয়ে যেন পানি গড়িয়ে গাল বেয়ে না পড়ে তাহলে অনেকটা মান সম্মারে ব্যাপার। সবার মাঝে একজন অমানুষিক শক্ত নার্ভের অধিকারী হিসেবে এতদিন পরিচিত আমার এই ভেঙে পড়া আর কারো কাছে প্রকাশ করতে চাইছিলাম না।
হটাৎ পাশ থেকে তুহিন বলে ওঠে ভাইয়া আপনার ডান চোখটা বেশ ফুলেছে। এই দুনিয়ায় আর কিছুদিন বাঁচতে চাইলে রাতের ঘুমটা একটু বাড়ান :P। নিজেই না থাকেন আপনার এই লেখালেখি আর পড়াশুনা কোন কাজেই আসবে না। আমি ওর কথার কোন জবাব না দিয়ে অনেকটা করুণ দৃষ্টিতে ওর দিকে চেয়ে একটু হাসার চেস্টা করলাম। তখন ওর দিকে তাকিয়ে হাসার মতো করে কি যেন এক ভেংচি দিলাম তা বলতে পারবো না। তবে কেন যেন ও হটাৎ চুপ করে গেল। কথা না বাড়িয়ে সামনে এগুতে থাকি।
পড়ন্ত বিকেলে জাবি ডেইরী গেটের দিকে এগিয়ে যাওয়া রাস্তার সৌন্দর্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে অনেকটাই লোভনীয় মনে হয়েছে। কিন্তু এখন এই রাস্তার আগের সেই জৌলুস নাই। আমাদের বর্তমান প্রশাসন দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে তাদের যতো বীরত্ব দেখিয়েছে ডেইরী গেইটের রাস্তার পাশের অসহায় গাছগুলোর উপরে।X( তাদের দাবি এই হতচ্ছাড়া গাছগুলো নাকি আমজনতাকে আমাদের গর্বের প্রতীক শহীদ মিনার দেখা থেকে বঞ্চিত করছে। তাই তাদের এই বসুন্ধরার বুকে টিকে থাকার টিকিটের মেয়াদ শেষ:P
এদের বধযজ্ঞের গুঞ্জন চলছিল অনেক দিন আগে থেকেই। কোরবানির ঈদে বাড়ি গেলাম বাড়ি থেকে ফিরে দেখি ঢাকায় অগণিত গরু-ছাগল কোরবানি হয়েছে তা নয় পাশাপাশি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বেশ ধূর্ততার সাথে চিতার ক্ষিপ্রতায় ছুটির সময় সবার অগোচরে এই বৃক্ষবধে নিজেদের কৃতার্থ করেছেন।X(

‘গরু মেরে জুতা দান’ প্রবাদটিকে অনেকটা বাস্তবে রূপ দিতে রাস্তার ডিভাইডারে বেশ কিছু গাছ লাগানো হয়েছে। কিন্তু সেগুলো দেখে রাগে আমার পুরো শরীর জ্বলছিল। প্রায় প্রতিদিন বিকেলে ক্লাস শেষ হওয়ার পর যতোই জরুরী কাজ থাকুকনা কেন কয়েকজন বন্ধু কিংবা বিভাগের বড় ভাইদের সাথে ডেইরী গেটে গিয়াসের দোকানে গরুর খাঁটি দুধে তৈরী চা পান করতে যাওয়াটা অনেকটাই রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল।:a আজ গিয়াসের দোকানের চায়ের সুনাম বাড়ার সাথে সাথে তার দোকানের ভাঙা বেঞ্চি সরে গিয়ে স্থান নিয়েছে শক্ত আসবাব। তার ভাঙাচোরা টিনশেড সরে গিয়ে আজ পাকা ইমারত। উপরে বৈদ্যুতিক পাখা ঝুললেও বেশিরভাগ সময় তা বিদ্যুতের অভাবে অকেজো থাকে।:P
যাই হোক এই চায়ের দোকান এখন বেশ জমকালো মিষ্টান্ন ভাণ্ডার।

সাকিব ভাই আমাদের তিন জনের চায়ের অর্ডার দিয়ে দোকানের বাইরে এসে বসলেন আমি আর ওয়ালী ভাইও তার পাশে দেয়ালের উপর বসলাম। দোকানে বেশ ভাল রকমের ভিড়। তাই চা আসতে দেরি হবে এটা সহজেই অনুমেয়। আমরা অপেক্ষা করতে থাকি।:-C

হটাৎ বেশ জোরে চিৎকার। তোর এতোবড় সাহস !! তুই আমার গায়ে হাত দিস।  %-(কে তুই!! তুই আমার সাথে বেইমানি করেছিস:। ক্যাম্পাসে আমার সাথে ঘুরিস আর ঢাকায় আরো তিনটা প্রেম করিস:X। আমি ছোট হওয়াতে ওয়ালী ভাই আমাকে বললেন দেখতো ভিতরে কি হচ্ছে। আমি ভেতরের দিকে এগিয়ে যাই। পরক্ষণেই ওয়ালী ভাই সাকিব ভাইকে সেখানে ডেকে নিই। হায় হায় আমাদের সিদ্দিক ভাই যাকে সবাই লম্বু বলে জানে । নখ দিয়ে খামচে-আঁচড়ে বেচারার বান্ধবী তাকে একেবারে কাহিল করে দিয়েছে। ফ্যাশন সচেতন রমনীর অতিযত্নে বড় করা, চোখা, পালিশকৃত অনেকটা ছুরির ফলার মতো নখের আঁচড়ে বিশ্রিভাবে গাল কেটে গিয়ে দরদর করে রক্ত ঝরছে। সেই সাথে চলছে কুৎসিত গালাগাল আর হাতাহাতি।
ওয়ালী ভাই বললেন। ধুর!!!
এটা তো অনেক আগেই হইতো। এই বেটা লম্বু চামে অনেক ভাব নেয়। কিন্তু এক নম্বরের লুল। ওর সাথে বাংলা নাটকের সিদ্দিকের কোন পার্থক্য নাই। ইশরা আপুর সাথে ওর দীর্ঘদিন প্রেম চলছিল। আপু থিসিসের কাজে ব্যস্ত থাকাতে হালার লম্বু প্রায়াই ঢাকায় গিয়ে আরেকজনের সাথে পার্টটাইম ডিউটি দেয়। লম্বু আজ ব্যাপুক একটা ধরার খাইছে। এক ফাঁকে এই রাম খামচি হজম করতে হয়েছে। আমি একটু এগিয়ে গিয়ে বলি ভাই আমরা কি হেল্প করতে পারি। বেশ ঝাঝেঁর সাথে রিপ্লাই আসে আমি কোন বেয়াদপের কাছে হেল্প নেই না। আমি আস্তে করে জবার দেই আমি লুলদের হেল্প করার জন্য বাসার কুত্তার পাছায় প্রতিদিন দুটা করে লাথি মারিX(। সেখানে নিজে করা তো মঙ্গল গ্রহের সমান দুরত্বের কাজ ।
ওয়ালী ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললাম। আজ রাইতে একটা পোস্টামু ব্লগে। ভালবাসা মানুষকে শুধু কাছে টানে না গাল চিরে রক্তও ঝরায়=))
একুশ শতকের এই দেবদাসকে দেখে আমাদের উপলদ্ধি খারাপ হলো না।

উপলদ্ধি পর্ব এক

উপলদ্ধি পর্ব দুই

মোঃ আদনান আরিফ সালিম অর্ণব
শিক্ষার্থী
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
aurnabmaas@gmail.com
Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s