নস্টালজিয়া: নির্ঘুম রাত্রি


যন্ত্রণার সময় আরো দীর্ঘায়িত হয় যখন ভাবি দ্রুত ঘুমুতে হবে। জি তখন ঘুমগুলো কোন রাজ্যে হারিয়ে যায় কে জানে। মাস্টার্সে ক্লাস শুরুর পর থেকেই স্কুল জীবনের খেয়ালি ভাবটা আবার গেঁথে গেছে মন মগজে। শরৎ চন্দ্রের ভাষায় বলতে গেলে অমন বিশ্রি স্কুল ছাড়িয়া দেয়াই ঢের ভালো। তেমনি আগামী কাল ক্যাম্পাস যেতে হচ্ছে। আমার কাছে কাক ডাকা ভোর সেই সাড়ে আটটায় প্রথম ক্লাস। হয়তো প্রতিদিনের মতো ঘুম থেকে ওঠার পর নাশতা করার মুড থাকে না, সকালে ক্যাম্পাসে গিয়ে চা খেতে খেতে ক্লাসের প্রথম ২০ মিনিট গায়েব। ক্লাসে ঢুকে মনটা উশখুশ করে এমন সুন্দর ক্লাসটায় কেনো যে যথাসময়ে পৌছতে পারিনি। কে জানে এটাই হয়ত একদিন চলে আসবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শেষ সকাল, তারপর বিদেয় জাবির সবুজ ক্যাম্পাসকে।
জীবনের বাকি সকাল গুলি কেমন হবে তা কে জানে!
জানিনা ঐ সকাল কোনো কবিতা না অপ্রকাশিথ গানের জন্ম দেবে কিনা?
ওই সময় কি জীবনের ধুসর ক্যানভাসে এখনকার মতো কোনো খসখসে ছবি আকবে ?
এই সময় যেভাবে হারিয়ে যাচ্ছে হয়তো তার সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে নিজেই কবে হারিয়ে যাবো কে জানে?? হয়তো বেয়াক্কেল এই আমি তখনো এভাবেই ভাববো,
হয়তো আকাশ হবে ভাবনার সঙ্গি…..
দূর দিগন্তে থেকে সে অবলীলায় আমায় ভেংচি কাটবে, আমি বলবো সালাম।
তবুও এটা সেই বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে শেষ করেছি করেছি কাপের পর কাপ চা।
অনেক সময়ও নষ্ট করেছি যা বলতে নেই দ্বিধা।
তবুও এর প্রাপ্তিকে ছোট করে দেখার সুযোগ কই।
জীবন এক মাঝিবিহীন নৌকো সময় যাকে খেদিয়ে নিয়ে চলে নিরন্তর।
এখানে উদ্ভট ভাবনার ফুরসত কোথায়।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s