কৌতুক সংগ্রহ পর্ব -০২


*/- এক লোক ঢাকা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিল। বাসটি পথে একটি হোটেলে কিছুক্ষণের জন্য থামলে লোকটি হোটেলের টয়লেটে ঢুকল।
: কেমন আছো? পাশের টয়লেট থেকে কেউ একজন জিজ্ঞেস করল।
:জি, ভালো। আমতা আমতা করে উত্তর দিল লোকটি।
: কী করছো?
এবার ভারি লজ্জায় পড়ে গেল লোকটি।
: ইয়ে। ঢাকা থেকে রাজশাহী যাচ্ছি।
তারপর লোকটি শুনল পাশের টয়লেটের লোকটি বলছে, ‘হ্যালো, আমি তোমাকে পরে ফোন দিচ্ছি। তোমাকে যা-ই জিজ্ঞেস করি, পাশের টয়লেটের উজবুকটা তার উত্তর দেয়।’


——————–
*/- বেশ কয়েকজন লোক একটা জিমে ব্যায়াম করছিল। হঠাৎ একজনের মোবাইল ফোন বেজে উঠল।
:হ্যালো।
:হ্যালো ডার্লিং, তুমি কি জিমে?
: হ্যাঁ।
: ওহ গ্রেট। আমি তোমার জিমের কাছাকাছিই এসেছি শপিংয়ে। অ্যাই শুনছ? আমার না ড্রেসিডেলে একটা শাড়ি পছন্দ হয়েছে। নেব?
: কত দাম?
: ২০ হাজার।
: কিনে ফেল।
: আমি না গাড়ির দোকানে গিয়েছিলাম। সেই যে আমরা গত বছর একটা বিএমডব্লিউ কিনলাম, তারপর তো আর কোনো নতুন গাড়ি কেনাই হয়নি। আজকে ওখানে খুব সুন্দর একটা গাড়ি দেখেছি। দামটাও নাগালের মধ্যেই।
: কত?
: ১০ লাখ।
: নিয়ে নাও।
:ওহ! থ্যাংক ইউ, জান। দাঁড়াও, কেটো না। আজকে আমি গিয়েছিলাম তোমার ব্যাংক ব্যালেন্স চেক করতে। জানো, আমি একটু আগে এক রিয়েল এস্টেট এজেন্টের সঙ্গে দেখা করেছি। মনে আছে, গত বছর যে আমরা একটা বাড়ি দেখেছিলাম? সামনে বাগান, পেছনে সুইমিং পুল? ওটা বিক্রি হবে।
: কত চাইছে?
: ৬৫ লাখ টাকা। আমি দেখেছি। তোমার অ্যাকাউন্টে এই পরিমাণ টাকা আছে।
: ৬০ লাখ বলে দেখ, দেয় কি না।
: থ্যাংক ইউ। দেখা হবে তাহলে। বাই।
: বাই।
লোকটা ফোন কাটল। তারপর চিৎকার করে বলল, ‘কেউ কি জানেন, এই ফোনটা কার?’
——————–
*/- প্রথম বন্ধু: কিরে, তুই কি সিম পাল্টেছিস নাকি?
দ্বিতীয় বন্ধু: না তো। কেন?
প্রথম বন্ধু: সেদিন কতবার তোর নম্বরে ট্রাই করলাম। বারবার বলল, ‘এই নম্বরটি বর্তমানে খালি আছে।’
দ্বিতীয় বন্ধু: আরে বোকা! ওটা তো আমার ওয়েলকাম টিউন।
——————–
*/- ভিজিটিং আওয়ার শেষ হয়েছে অনেক আগেই। তখন হন্তদন্ত হয়ে এক তুখোড় তরুণী তার অল্প পরিচিত প্রেমিক ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে এল। ঢুকেই সে সুপারিনটেনডেন্টকে বলল, ‘ম্যাডাম, আমি কি ডাক্তার উইলিয়ামসের সঙ্গে দেখা করতে পারি?’
সুপারিনটেনডেন্ট বললেন, ‘আপনি কে সেটা কি জানতে পারি?’
মৃদু হেসে তরুণী বলল, ‘নিশ্চয়ই, আমি তার বোন।’
সুপারিনটেনডেন্ট একটু তাকিয়ে থেকে বলল, ‘আচ্ছা আচ্ছা, খুব খুশি হলাম তোমায় দেখে। আমি ডা. উইলিয়ামসের মা।’

*/
ছেলে : মা তোমার চুল সাদা কেন?
মা : ছেলেমেয়েরা দুষ্টু হলে বাবা-মায়ের চুল সাদা হয়ে যায়।
ছেলে : ও বুঝেছি, তাই তো দাদীর মাথার চুল এত সাদা।

রস আলো থেকে সংগৃহীত

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s