হুমায়ুন আহমেদের কর্মময় জীবন কিছু বিতর্ক, কিছু প্রাপ্তি (ফেসবুক আলোচনা কপি পেস্ট)


বরেণ্য কথা সাহিত্যিক হুমাযূন আহমেদের মৃত্যুর দিন রাতেই তৌসিফ সালাম ভাইকে একটি স্ট্যাটাস দিতে দেখি। উনি ওখানে বলেছিলেন “অভিনেত্রী শাওন”।

ছোট্ট মাত্র দুই ওয়ার্ডের স্ট্যাটাসের ডিসকাশনে পরিষ্কার হয়েছিল মূল কাহিনী। পরে আজ শুভ ভাই একটি স্ট্যাটাস দিলে সেখানে চমৎকার কিছু ডিসকাশন দেখা যায়। ফেসবুকের এই ডিসকাশন গুলো হারিয়ে যায় দ্রুতই তাই ভাবছি এটা সংরক্ষণ করা জরুরী। ফেসবুকে যেভাবে মন্তব্য করা হয়েছে সেভাবেই সরাসরি কপি পেস্ট করে সংরক্ষণ করছি। এছাড়া এটা সবাই দেখতে পারবেন।  ধন্যবাদ।

নতুন তথ্য এসে গেছে- হুমায়ুন আহমেদ কে হত্যা করা হয়েছে… আরো কাহিনী আসবে সন্দেহ নাই কারন আমরা ‘কাহিনী বানানোর জাতি’। তার ব্যক্তিজীবন বিতর্কিত ছিলো সেটা আমরা সবাই জানি। কেনো বেঁচে থাকতে দিনের পর দিন সেটা নিয়ে আলোচনা হয়নি আর কেনই বা মৃত্যুর পর তার ‘সৃষ্ঠিশীল’ জীবন বাদ দিয়ে ব্যাক্তি জীবন নিয়ে এসে তাকে বার বার হত্যা করা হচ্ছে সেটা আমার বোধগোম্য হচ্ছেনা। রমজানের এই মাসে এসব ‘গসিপ’ বাদ দিয়ে কি শুধু তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা যায়না?? যদি সত্যি তার সৃষ্টি/লেখনীগুলো কে ভালোবেসে থাকেন, দেখেন না একটু চেষ্ঠা করে…
Unlike ·
  • You, Mahbub Manik and 17 others like this.
    • Akm Wahiduzzaman http://www.mzamin.com/details.php?nid=MTUxNzI%3D&ty=MA%3D%3D&s=MTg%3D&c=MQ%3D%3D

      www.mzamin.com

      ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, নিউ ইয়র্ক: ড. হুমায়ূন আহমেদ ক্যান্সারে মারা যাননি। রক্তের …See More
    • Faysal Kabir Shuvoকি আর বলবো!! হুমায়ুন আহমেদ এর বিশাল দূর্ভাগ্য যে তার লাস্ট ১০-১২ বছরে যে মানুষগুলা তার নিত্যদিনের সংগী ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধেই এই অভিযোগগুলা আসছে। মৃত মানুষের আত্মা’র যদি শোনার ক্ষমতা থাকতো তাহলে যে হুমায়ুন আহমেদের আত্মার অবস্থা এসব শুনে কি হতো সেটাই ভাবছি। তবে এই ঘটনা সত্য হলে- উনার প্রথম পক্ষের উচিত হবে এখনি সরকারী তদন্ত দাবী করা এবং তারপর দোষিদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

    • Akm Wahiduzzamanশুভ, ঘটনা সত্য।

    • Faysal Kabir Shuvo

      ঘটনা যদি এই রিপোর্টারের মত করে লেখা ঘটনার মতো সত্য হয় তাহলে তো হুমায়ুন আহমেদ এর হত্যাকারীদের ব্যাপারে আর কোন সন্দেহ রাখা উচিত হবেনা। তবে ভাই, এই শাওন এবং মাজহার ইসলামের সাথে হুমায়ুন আহমেদ এর যে সম্পর্কের গভীরতা তা আমরা অনেকেই জানিনা। সুতরাং…See More
    • Faysal Kabir Shuvo

      Smrity, সাংবাদিকদের যুক্তি দেখে খুব একটা লাভ নাই- কারন তারা সত্য/মিথ্যা দুই দিকেই যুক্তি দেবার অভ্যাস বছরের পর বছর ধরে রপ্ত করেছে। কিন্তু, ব্যাপার যেটা হলো যে হুমায়ুন আহমেদের জীবনের কোন অংশ আমরা না হয়ে তার জীবনের সাথে যারা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়…See More
    • Akm Wahiduzzaman শুভ, আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের খুব ঘনিষ্ট এক বন্ধু নিউইয়র্কে থাকে, ওর বর NYPD তে উঁচু পদে আছে। নিউইয়র্কের বাঙ্গালী কমিউনিটিতে ওদের কাজ হচ্ছে সবাইকে হেল্প করা :)। এই দুইজনেই আমার ফেসবুক বন্ধু। দুলাভাই মারফত যেটা জানলাম, হুমায়ুন অপারেশনের সপ্তাখানেক পর মোটামুটি সূস্থ্য হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। যদিও বাড়িতে না গিয়ে মাস খানেক হাসপাতালে থেকে পুরো সূস্থ্য হয়ে বাসায় যাওয়াই উত্তম ছিলো। বাসায় ফেরার পরের দিন একটি পার্টি দেয়া হয়েছিলো (সেখানে ওরাও নিমন্ত্রিত ছিলো, কিন্তু যেতে পারে নি) এটাও সত্যি। হুমায়ুন রিচ ফুড খুব পছন্দ করতেন এটাও সত্যি। এখন মনে কর সাস্থ্যগত কারনে তোমার রিচফুড খাওয়া নিষেধ, তোমার স্ত্রী তোমাকে নিশ্চই সেটা খেতে দেবে না, তাই না? আমার স্ত্রীও আমাকে প্রতিদিন ডিম খেতে দেয় না, প্রতিদিন গরুর গোশ খেতে দেয় না। 😦
      এখানেই কিন্তু গুলতেকিনের সাথে শাওনের তফাৎ। শাওন হুমায়ুনের সব শখ আহলাদ মেনে নিত। এটাকে অতি ভালবাসার কারনে নিষিদ্ধ খাবার খাওয়ানো বলবে, নাকি অন্যকিছু বলবে? আমি ঢাকার বাসায় গিয়ে আম্মার কাছে গড়ুর গোশ খেতে চাইলে, আম্মা আগে স্বাতীকে ফোন করে কনফার্ম হয়, আমি আগের দিন কি খেয়েছি। তারপর গোশ খাওয়ানোর পর মগ বাজার হতে আসাদগেট পর্যন্ত হেঁটে যাবো এই প্রতিশ্রুতি আদায় করে। এটাকে তুমি কি বলবে? আমার কাছে এটাই আমার মায়ের সত্যিকার ভালবাসা।

      যারা বলছে শাওন খুন করছে তারা আবেগ প্রবন হয়ে বেশি বলছে, তবে পরোক্ষভাবে অভিযোগটা কিন্তু একেবারেই মিথ্যা নয়। পার্টির দিন হুমায়ুন যখন চেয়ার থেকে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তখনই তাঁকে হাসপাতালে নেয়া প্রয়োজন ছিলো। তা না করে একদিন পরে নেয়ায় তার অপারেশনের ড্রেনেজ থেকে নির্গগ বর্জ্য রিভার্স হয়ে রক্তে মিশে সংক্রামন ঘটায়। ওটাই তার মৃত্যুর কারন।

      এখন নিজেই বিবেচনা কর, কে কতটুকু দোষী।

    • Akm Wahiduzzaman

      এবার আস দাফন প্রসঙ্গে,
      “শাওন তার সিদ্ধান্তে অটল। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে আদালতে যাবেন। রায় না হওয়া পর্যন্ত মরদেহ হিমঘরেই থাকবে।… আর এদিকে এখন জানা যাচ্ছে, নিউইয়র্কে শাওন হুমায়ূনের দাফন প্রসঙ্গে ভিন্ন কথা বলে এসেছেন। শাওনের সেই বক্তব্য অনুযায়ী হুমায়ূন তার দাফন বিষয়ে কিছুই বলে যাননি। এ নিয়ে আমেরিকায় বাঙালি কমিউনিটিতে এখন তোলপাড় চলছে। শাওনের দুই ধরনের বক্তব্যে বিস্মিত সবাই।

      হুমায়ূন আহমেদের সত্যিকারের আপনজনেরা তাকে ঢাকায় দাফন করার ন্যায্য দাবি থেকে সরে দাঁড়ালেন। তারা প্রমাণ করলেন, হিমঘরে লাশ রেখে দাফনের স্থান ঠিক করার জন্য আইন-আদালতে যাওয়াকে ভালবাসা বলে না। গল্পের মা যেমন নিজের সন্তানকে বাঁচাতে তার মাতৃত্বের অধিকার ছেড়ে দিয়েছিলেন, হুমায়ূনের মা, তিন সন্তান ও ভাইবোনেরা ঢাকায় তার দাফনের দাবি ছেড়ে সত্যিকারের আপনজনের পরিচয় দিলেন।
      জেদ আর কূটকৌশল করে শাওন জিতে গেলেন। তবে প্রকৃত বিচারে কে জিতল- বিশ্বজুড়ে হুমায়ূনের কোটি কোটি ভক্তরা একদিন তা অনুধাবন করবেন নিশ্চয়ই।”

      http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=56d2c1f68a794f1b9f068dd2f17a6544

      www.banglanews24.com

      একটি শিশুর মাতৃত্বের দাবি নিয়ে দুই নারী বিচারালয়ে গেছেন। দু’জনই নিজেকে শিশুটির মা হিসেবে দাবি করছেন।
    • Akm Wahiduzzaman

      এখন প্রসঙ্গ আসতে পারে, হুমায়ুন নিজেই তো শাওনকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে গেছেন। আমরা এসব বলার কোন হরিদাস পাল? ঠিক। ১০০% ঠিক। গাজীপুরের নুহাশপল্লীকে কখনোই গুলতেকিন এবং তাঁর সন্তানরা ভালভাবে নেয় নি। ওটা প্রথম থেকেই ছিলো প্রমোদ কানন; উচ্চমার্গীয় নেশা ও দেহ লেন-দেনের উর্বর ক্ষেত্র। শাওনের সাথে হুমায়ুনের বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের শুরুও সেই নুহাশ পল্লীতেই।

      “হুমায়ুনের এইসব ব্যক্তিগত চারিত্রিক অসততাকে তার ‘ব্যক্তিগত জীবন’ এর অংশ এবং সেখানে আমাদের নাক গলানো উচিত নয়” বলে যদি এগুলোকে ইনডেমনিটি দেয়া হয়, তাহলে তার মৃত্যু নিয়ে খুশি হওয়া উচিত। কারন জীবনকে উপভোগ করতে গিয়ে জীবনের শেষ ভালবাসার মানুষগুলোর অবহেলায় তাঁর মৃত্য হয়েছে।

      Yesterday at 10:29am · Unlike · 1
    • Faysal Kabir Shuvo

      এপোলো ভাই, আপনার সব কথাই ঠিক আছে এবং আমি মেনেও নিচ্ছি শাওন বা মাজহার ইসলামের গাফিলতি ছিলো, হয়তো ডাক্তারদেরো গাফিলতি ছিলো, আর্থিক অসংগতি ছিলো হয়তো ব্লা ব্লা। কিন্তু দেখেন এইসব এনালাইসিস করতে গিয়ে হুমায়ুন আহমেদ এর সাথে শাওনের একটি বৈধ সম্পর্ককেও প্রশ্নের সম্মূখীন করা হচ্ছে। আমাদের জন্যে এইটুকূ বোঝাই যথেষ্ঠ কিনা যে শাওন ই গত ৭/৮ বছর ধরে হুমায়ুন আহমেদ এর জীবন সংগী হিসেবে সব কাজে পাশে থেকেছে? এই দম্পত্তির ঘরে ২ টা বাচ্চা পর্যন্ত আছে। স্বামীর মৃত্যুর জন্যে যদি তার ন্যুনতম গাফিলতি থাকে তার দায় তাকে নিতে হবে এই সন্তানদের কাছেই। কিন্তু এটাও সত্য যে একজন মানুষের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তাকে ঘিরে থাকা মানূষের সব আচরনের কার্য-কারন এর ব্যাখ্যা অন্য কেউ নিজের মত করে দিলে তা গ্রহনযোগ্য হবার কারন নাই। আমরাও এই অযৌক্তিক কাজ অনেক সময়ই করি- নিজেদের মধ্যে কারো স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও কোন বা কারো দোষ-ত্রুটি আগে ধরার চেষ্ঠা করি। তাই, আমি খুব সিম্পলী চিন্তা করি যে শাওন কে নিয়ে হুমায়ুন আহমেদ এর কোন অভিযোগ এর কথা আমরা কেউ শুনিনাই অথচ লোকটা মারা যাবার পর সবাইক কেন জানি তাকেই শুধু শত্রুপক্ষ বানানোর জন্যে উঠে পড়ে লেগে গেছে সবাই। হুমায়ুন আহমেদ এর দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়া এবং সে হুমায়ুনের প্রথম পক্ষের সন্তানদের মতো ইমোশোনাল ডিমান্ড করেছে লাশ নিয়ে- সেটাই মনে হয় মূল কারন। কিন্তু একটু ভেবে দেখুন- এইসব করার পুরা অধিকার তার আছে। আর হুমায়ুন আহমেদ গত ২০১১ সালে সম্ভবত প্রথম আলোতে তার তিন কন্যাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে শেষে একটা হতাশা কিন্তু ঠিকই উল্লেখ করেছেনঃ

      “আমার তিন কন্যাই দূরদ্বীপবাসিনী। ওরা এখন আমাকে চেনে না, হয়তো আমিও তাদের চিনি না। কী আর করা?
      হুমায়ূন আহমেদ | তারিখ: ২৭-১১-২০১১”

      এমতাবস্থায় শাওন কে শুধু শত্রুপক্ষ বানিয়ে এক ধরনের মনের ঝাল মিটানো ছাড়া অন্য কোন লাভ আমি দেখতেছি না। অথচ এই ঝাল টার ভাগিদার হুমায়ুন আহমেদ নিজেও। কিন্তু, মারা যাবার পর তার লিটারেরি কন্টিবিউশন ই যেখানে মূখ্য হবার কথা, সেখানে কি দরকার তার আভ্যন্তরীন ব্যাপারগুলো টেনে আনা? গুলতেকিন না শাওন- সিদ্ধান্তটা যখন উনার ছিলো তখন আমাদের কি দায় বলেন শাওন বা গুলতেকিনের পক্ষ নেয়া।

      Yesterday at 2:46pm · Unlike · 1
    • Akm Wahiduzzaman

      শুভ, আমি কিন্তু সে কারণেই বলেছিলাম, “এখন প্রসঙ্গ আসতে পারে, হুমায়ুন নিজেই তো শাওনকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে গেছেন। আমরা এসব বলার কোন হরিদাস পাল? ঠিক। ১০০% ঠিক। গাজীপুরের নুহাশপল্লীকে কখনোই গুলতেকিন এবং তাঁর সন্তানরা ভালভাবে নেয় নি। ওটা প্রথম থেকেই ছিলো প্রমোদ কানন; উচ্চমার্গীয় নেশা ও দেহ লেন-দেনের উর্বর ক্ষেত্র। শাওনের সাথে হুমায়ুনের বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের শুরুও সেই নুহাশ পল্লীতেই।

      “হুমায়ুনের এইসব ব্যক্তিগত চারিত্রিক অসততাকে তার ‘ব্যক্তিগত জীবন’ এর অংশ এবং সেখানে আমাদের নাক গলানো উচিত নয়” বলে যদি এগুলোকে ইনডেমনিটি দেয়া হয়, তাহলে তার মৃত্যু নিয়ে খুশি হওয়া উচিত। কারন জীবনকে উপভোগ করতে গিয়ে জীবনের শেষ ভালবাসার মানুষগুলোর অবহেলায় তাঁর মৃত্য হয়েছে।”

      আর তুলনা তো আসতেই পারে। সেলিব্রেটিদের জীবন সব সময়ই আলোচনার বিষয়। সেই তুলনা করতে গেলেও মনে রেখ, হুমায়ুন তার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় শাওনকে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রেখেছেন। এর দায় অবশ্যই হুমায়ুনের। বরং হুমায়ুনের অন্ধভক্তরা যেন এ বিষয়টা টের না পায় তার জন্য গুলতেকিন সংসার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নীরবে সহ্য করে গেছেন। লাশ দাফন বিষয়ে শাওনের নাটক এবং গোয়ার্তুমি বিবেচনায় নিলেই পার্থক্য টের পাবে।

      যে নিষিদ্ধ সম্পর্কের মাধ্যমে হুমায়ুন শাওনকে বিয়ে করেছেন, তার দায় তিনি জীবন দিয়ে শোধ করেছেন। এ্টাই আমার উপলব্ধি। এখন শাওনের থলি থেকে হুমায়ুনের বেশ কিছু অপ্রকাশিত কাজ বেড় হবে। নুহাশ পল্লীতে হুমায়ুনের দাফনের কারণ তো আগেই বলেছি।

      আমি হুমায়ুনের তিন মেয়েকেই দেখেছি। বড়জন আমার ভাগ্নের সহপাঠি ছিলো, যে কোন অনুষ্ঠানে তিনবোন একসাথে আসতো। ওরা আসলেই অত্যন্ত ভদ্র। আমার বাবা যদি আমার মা’র সাথে বিবাহিত থাকা অবস্থায় অন্য নারীর সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রাখতো, তার প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গী কেমন হতো? প্রশ্নটা নিজেকে করো উত্তর পাবে।

      হ্যাঁ, হুমায়ুন আবেগময় ভাষায় নিজের কন্যাদের মিস করার যে মিথ্যা গল্প ফেঁদেছেন, তার জন্য তিনি নিজেই দায়ী। আমি কিছু সত্যি ঘটনা লিখতে পারি। ইনফ্যাক্ট আরো আগেই, প্রথম আলোতে ওই লেখা ছাপা হবার পরই হয়তো লিখতাম। নোভাদের মুখের দিকে তাঁকিয়েই লিখিনি। বাস্তবতা হচ্ছে ওরা ওদের বাবাকে যতটা ভালবাসতো, ওদের বাবা ওদেরকে ঠিক ততটাই অবহেলা করতো। বৎসরে দুই একদিন মেয়েদের সাথে এ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়ে কথা বললেই বাবার দায়িত্ব পালন হয় না। হতভাগা হুমায়ুন জানতেও পারেনি ওর মেয়েরা ওকে কত ভালবাসতো। আসলেই ওই ব্যাটার জন্য করুনা অনুভব করছি।

      · Unlike · 2
    • Aurnab Arc

      শুভ ভাই যাই বলেন একটা বিষয় ঠিক বলেছেন তা হচ্ছে বৈধ সম্পর্ক। হুমায়ুন স্যার চাইলে অবৈধ সম্পর্ক তার কাছে কোনো ব্যাপার ছিল না। সেই দিক দিয়ে মানুষটা আর যাই হোক হিপোক্রেট না। অন্তত তাদের মতো তো না ই যারা স্ট্যাটাসে কথা বললে আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠে। আর আমাদের উচিত উনার জীবন থেকে কর্মের প্রতি দৃষ্টি দেয়া। ব্যক্তি আমাদর টপিক না। টপিক হওয়া উচিত উনার সৃষ্টিশীলতা। তবেও প্রকৃত হুমায়ুন আহমেদকে খুজে পাওয়া যাবে। বিশেষ করে উনার সাহিত্যকর্ম উনার ব্যক্তিজীবনকে গ্রাস করে নিয়েছে। সেই হিসেবে সাধুবাদ উনার প্রাপ্য।
      · Like
    • Akm Wahiduzzaman

      Aurnab Arc, দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টাতে হুমায়ুনের কোন কৃতিত্ব নেই। তিনি ওইরকম অবৈধ সর্ম্পতেই অভ্যস্ত ছিলেন। শাওনের আগেও দীপা খন্দকারকে নিয়ে পারিবারিক পর্যায়ে বিচার সালিশ করতে হয়েছে। তার আগে হাত বাড়িয়েছিলেন এইসব দিনরাত্রির ‘অপু’ দিকে। সেই সময় চিত্রালীতে অপু সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন ‘হুমায়ুন আহমেদের ঔচিত্যবোধ নেই’। শাওনের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক সহজ হয়েছিলো নুহাশ পল্লীর কারনে। বিষয়টি ব্যাপকভাবে মিডিয়ায় আলোচিত হলে পারিবারিকভাবেই হুমায়ুনকে হয় ওকে ত্যাগ করা, নয় বিয়ে করার চাপ দেয়া হয়েছিলো। অন্যদিকে শাওনের দিক থেকেও চাপ ছিলো বিয়ে করার। কারন এর আগেই শাওনকে এই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারনে চিকিৎসা নিতে হয়েছিলো। বিয়ে না করলে শাওন নাবালিকা ধর্ষনের অভিযোগে মামলা করতে পারতো (এটা যে সে অবশ্যই করতো তা তো লাশ হিমঘরে রেখে তার মামলা করার হুমকীতেই স্পষ্ট)। হুমায়ুন শেষ পর্যন্ত গুলতেকিনকে ত্যাগ করে শাওনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তই নিতে বাধ্য হন।

      খেয়াল করলে দেখবে, হুমায়ুনের ভাই, ভাবী, মা, সবার সাথেই আগের ঘরের সন্তানদের এবং গুলতেকিনের সম্পর্ক; শাওন সেখানে অপাংতেয়। একজন বিবাহিত মানুষের সাথে দীর্ঘ চার বছর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রাখা নারীকে শ্রদ্ধা করার কোন কারন দেখি না। সেই একই কারণে হুমায়ুনের চরিত্র ও অশ্রদ্ধেয়।

      · Unlike · 1
    • Faysal Kabir Shuvo

      এপোলো ভাই, আমি ধরে নিচ্ছি- হুমায়ুন আহমেদ এর লিটারেরি কন্ট্রিবিউশন এর তেমন কোন মূল্য আপনার কাছে নাই। এটা হতেই পারে- একেক জেনারেশনের কাছে একেক লেখক ‘আইডল’ হয়ে উঠে। তবে আমি আমার এবং আমার পরবর্তী কয়েকটি জেনারেশন দেখে বলতে পারি- মধ্যবিত্ত শ্রেনীর টিন এজারদের বইমূখী করার ব্যাপারে তার লেখনী অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। একই কথা তার নাটক/সিনেমা এর ক্ষেত্রেও সত্যি। একথাও সত্য শেষের দিকের বেশিরভাগ বইগুলার কোয়ালিটি ছিলো না। তাকে নিয়ে সমালোচনা করলে এইসব নিয়ে করাটাই মনে হয় ভালো। তার মৃত্যুতে যে প্রতিক্রিয়া তা অস্বীকার করার উপায় নাই। আমি নিজেও আড়াই ঘন্টা ঐ লাইনে দাঁড়ায়ে ছিলাম, অথচ আমি ৫ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একুশে ফেব্রুয়ারীতে ফুল দিতে গেছি ১ বার। আমি যেটা দেখতেছি- যারা হুমায়ুন আহমেদ এর এইরকম শ্রদ্ধাপ্রাপ্তিটা ভালোভাবে নিতে পারছেন না তাদের কাছেই শাওনের আচরন (আদতে যা হুমায়ুন আহমেদ এর চরিত্রের উপর আসে) বা হুমায়ুন আহমেদ তার আগের স্ত্রীর সাথে কি করেছে এইগুলা ইস্যু খুব মূখ্য হয়ে উঠছে। অথচ এইগুলা নিয়ে সমালোচনা কিন্তু তিনি জীবিত অবস্থায় থাকতে করাটাই উত্তম ছিলো।

      আপনি নুহাশ পল্লী নিয়ে যেসব কর্মকান্ড এর কথা বললেন, উনার পক্ষে এইগুলা ‘দখিনা হাওয়াতে’ও করা সম্ভব। আর আপনি যদি মনে করেন নুহাশ পল্লী বানানোর উদ্দেশ্যই ছিলো এইগুলা করা- তাহলে সেটা বিশ্বাসযোগ্য না কোনমতেই ভাই যাই বলেন।

      · Unlike · 1
    • Akm Wahiduzzaman

      হা: হা: হা: শুভ! ‘শ্রদ্ধাপ্রাপ্তি’ নিয়ে আমার কোন বিকার নেই। আমি সরব হই হুমায়ুন ভক্তরা যখন তাঁকে দেশের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক দাবী করে অন্যদের অস্বীকার করে তখন। উনার লেখার বিষয়ে আমার মতামত আমি উনি জীবিত থাকতেও লিখেছি। আমার টাইমলাইনে গিয়ে ‘দেয়াল’ বিষয়ে আমার মূল্যায়ন দেখ। আমি পিয়াল না যে, হুমায়ুনের মৃত্যুর পর নিজের লেখা হুমায়ুন বিষয়ক সমালোচনা মুছে ফেলবো।

      শাওন বিষয়ে আমার মূল্যায়ন আগাগোড়া এক। এক সময় নাটক করতাম, মিডিয়ার লোকজনের সাথে কিছু পরিচয় আছে, সেই সূত্রেই শাওন এবং নুহাশপল্লী বিষয়ে কিছু জানি। না, আমি কখনোই বলিনি হাময়ুন ঐসব করার জন্যই নুহাশপল্লী তৈরী করেছেন। তবে নুহাশপল্লীর নির্জনতা এবং নগর হতে বিচ্ছিন্নতাই উনার সাথে শাওনের বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কটা পাকাপোক্ত করতে সহায়তা করেছে। আমি নুহাশ পল্লীতে যাই নি। তবে পেশাগত কারণে যাঁরা যায় এবং রাত্রী যাপন করে তাঁদের কাছ থেকেই এসব জেনেছি।

      শাওন বিরোধিতা মানেই হুমায়ুন বিরোধিতা এটা ঠিক না। কারন অনেক হুমায়ুন ভক্তরাই দেখবে শাওন বিরোধী। শাওন কখনোই হুমায়ুনকে প্রতিনিধিত্ব করে না (যেমন হাসিনার বিরুদ্ধে কিছু বলা আর রাস্ট্রের বিরুদ্ধে বলা এক না)। তুমি নিজেও এক মন্তব্যে বলেছ শাওন একা দোষী নয়। তার মানে কি দাঁড়ালো? হুমায়ুনও দোষী। যাই হোক আমি এখানে আর মন্তব্য করে তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না।

      · Unlike · 1
    • Faysal Kabir Shuvo

      হ্যা ভাই, অবশ্যই শাওনের যে দোষগুলা অযাচিতভাবে উঠে আসতেছে হুমায়ুন আহমেদকে শ্রদ্ধার বিপরীতে- সেই দোষে অবশ্যই হুমায়ুন আহমেদও দুষ্ট- এটা তো অস্বীকার করার উপায় নাই। কিন্তু, তাকে তো শ্রদ্ধা করার যায়গা অন্য জায়গায়- সেই জায়গায় এই দোষগুলার স্থান নাই। আমার মনে হয় যারা হুমায়ুন আহমেদ এর জন্যে ক্রেজি- সেটা সাহিত্যিক/নাট্যকার/পরিচালক হুমায়ুন এর জন্যেই। আমিও তাই, আমার জন্যে আরেকটা ব্যাপার কাজ করে সেটা হলো উনি আমার স্কুল থেকেই এস এস সি তে দ্বিতীয় স্থান করেছিলেন। এবং ১৯৯২ সালে আমি তাকে স্কুলে পেয়েছিলাম এবং তখন উনি পুরা পরিবার নিয়ে বগুড়া বেড়াতে গিয়েছিলেন। ঐ সময় কিন্তু যমুনা ব্রীজ ছিলো না 🙂 যাইহোক, হুমায়ুন ব্যক্তি জীবনে ‘সুশৃংখল’ ছিলেন না সেটাও আমি জানি। সিগারেট/এলকোহল- এইগুলা তিনি নিয়মিত নিতেন। আমার খুবই ক্লোজ এক বন্ধুর আপন মামা হলেন মাজহার ইসলাম। দখিনা হাওয়ায় হুমায়ুন আহমেদ এবং মাজহার ইসলাম একই ফ্লোরে পাশাপাশি ফ্ল্যাট। সেলিব্রেটি অনেক মানুষের জন্যেই ‘অশৃংখলতা’ হয়তো জীবনের অংশ কিন্তু সে হিসেবে হুমায়ুন আহমেদ আমাদের বাংলাদেশকে অনেক কিছুই দিয়েছেন- সেটার জন্যে উনার শ্রদ্ধা প্রাপ্য। কে কত খানি শ্রদ্ধা দিলো- সেটা আপেক্ষিক। 🙂
      · Unlike · 2
    • Akm Wahiduzzaman

      নাহ, মন্তব্য করতেই হচ্ছে, আমার দৃষ্টিতে হুমায়ুন আহমেদের ‘গৌরিপুর জংশন’ হচ্ছে একমাত্র উপন্যাস যেটা নিয়ে অন্য ঔপন্যাসিকদের সাথে ফাইট দেয়া যায়। নাট্যকার হিসেবে তিনি খুবই সফল। আবার পরিচালক হিসেবে চরমভাবে ব্যর্থ। উনার উপন্যাস বা নাটকগুলো অন্য পরিচালকরা যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন উনি নিজে তার ধারে কাছে যেতে পারেন নি। ১৯৯২ এ শহীদুল্লাহ হল ছাড়ার পরই ওনার চারদিকে একদল অযোগ্য মোসাহেবের বলয় গড়ে উঠেছিলো। এটা ছিলো ভয়াবহ। এরাই উনাকে দিয়ে পাম-পট্টি মেরে ‘নয় নম্বর বিপদ সংকেত’ এর মত ফালতু ভাড়ামোপূর্ণ ছবি তৈরী করিয়েছে। উনি নিজেও এই শ্রেনীকে প্রশ্রয় দিয়ে ভুল করেছেন।

      আমার দৃষ্টিতে হুমায়ুন আহমেদের ছোটগল্পগুলি অনেক সাহিত্যময়। ‘খাদক’, ‘নিমফুল’, ‘আয়না’… এমন কিছু গল্প আছে যা ও.হেনরীকে মনে করিয়ে দেয়। আর ‘এলেবেলে’ তো অতুলনীয় উইট!

      আমার সব সময় মনে হয়েছে উনি ছোটগল্পগুলোকেই টেনে উপন্যাসে নিয়ে গেছেন। ফলে সেগুলো না হয়েছে ছোটগল্প, না উপন্যাস। এতে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হলেও… 😦 [বাকী কথাগুলো শক্ত, তাই লিখলাম না]

      · Unlike · 2
    • Engr Mahfuz Baki Rahman

      It is crucial in every treatment, that u select right doctor, right hospital and facility, require research, experience, and contacts and codinations. Traveling to one best country not necessarily can ensure best treatment even if spend lots of money unless someone very well-known familiar medical personal assist the treatment guidance. Surprised that such a person had no link with any medical professional or even no person who has a very good familiarity with New York medical care facilities was availble to guide him during his stay. Unfortunate that even spending money and being best loving person cannot always do the best job unless thing are well coordinated, planned and managed. Treatment in overseas is always has to be programmed like a project. Insured patients often guided by the insurance company (even than there you need lot hassle to fight with the insurance company too) but in this case this was missing too. A patient like such critical treatment need at least 2/3 persons- 24/7 full time own caring and loving educated organizing treatment as whole. Case History shows that they had lack in these for the full length of time, not just the last weeks or months. In my judgment , Shawon with 2 kids ( kids should have stay in Dhaka ) was incapable, and Mazahar wasn’t perhaps right person to deal with and making decisions , as money subscribers are always be last person to give costly solution leads to wrong treatment. Government should have taken care of him before. Government did not care much before were unjustified whereas things done after death just meaning less business of political show off and worthless.
      · Like
    • Mohammed Tawsif Salam

      আমার মনে হয়না প্রশ্নগুলো সম্পূর্ণ আবেগতাড়িত এবং যুক্তিহীন। মদের আসর, পার্টি, চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার কথা লুকোন এবং শাওনের লড়চড় কথা, নিশ্চয়ই এগুলোর সবই ‘রটে’ নয়, কিছু ‘বটে’ও আছে। অনেকগুলো অপবাদ প্রমাণের অপেক্ষায় থাকলেও, শাওন যে মুহুর্মুহ মিথ্যাচার করেছেন, সেটা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি থেকে শুরু করে একেবারে মাঠ পর্যায়ের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকরা বারবার বলছেন। আমার মনে হয় না স্রেফ বাঙালিকে হুজুগে জাতি বলার খাতিরে এতগুলো দাবীকে উড়িয়ে দেয়ার পেছনে কোন যুক্তি আছে।

      ওনার ব্যাক্তিগত জীবন বারবার ফোকাসে চলে আসার ব্যপারটা অপ্রীতিকর এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে অপরাধ আর মিথ্যচারের চেয়ে অপ্রীতিকর আর কিছু নাই। অন্যকিছুকে অপ্রীতিকর ঠাউরে এই দু’টো ব্যাপারে নীরব থাকার মানে হচ্ছে কেউ কেউ অপরাধ আর মিথ্যাচারকে ঢাকতে চাচ্ছে। অপরাধটা প্রমাণ হয়নি যদিও, হবে কিনা কোনদিন তাও জানিনা, আদৌ ঘটেছে কিনা তাও জানি না। তবে মিথ্যাচারের বিষয়টি তো মোটামুটি দিনের আলোর মত পরিষ্কার। মিথ্যাচার মানেই কিছু লুকনোর চেষ্টা? কী এমন হল যে মিথ্যা বলতে হচ্ছে?

      · Unlike · 2
    • Aurnab Arc শাতিল ভাই আপনার মাত্র দুই শব্দের স্ট্যাটাস ‌”অভিনেত্রী শাওন” সেদিন কিন্তু সব সত্য বের করে এনেছিল। আজ নতুন করে বলার আছে কি ??
      🙂
      আমি এই পোস্টের মন্তব্যগুলো সংরক্ষণে রাখতে চাই। পরে যখন মূল সত্য প্রকাশ পাবে তথন মিলিয়ে দেখে বলতো কার অনুমান সত্যি । তাই মন্তব্যকারীদের অনুমতি চাই। 🙂

      · Edited · Like
    • Faysal Kabir Shuvo

      ‎(চাইছিলাম না এমন কোন আলোচনায় যেতে যা হুমায়ুন আহমেদ এর কর্মময় জীবন থেকে অন্যদিকে যায় কিন্তু দূর্ভাগ্য- করতেই হচ্ছে!!)

      তাহলে কোন কার্যক্রম আগে আসা উচিত- হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা প্রকাশ নাকি শাওনের শেষ বেলাতে বিভিন্ন আচরন এনালাইসিস করে হুমায়ুন আহমেদ কেন শাওনের মতো মেয়েকে নিজের জীবনে জড়ালো সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা?

      শাওনের অপরাধ/মিথ্যাচার হাতের নাগালে রয়ে যাচ্ছে কিন্তু হুমায়ুন আহমেদ তো আর হাতের নাগালে থাকছেনা। এখানে যেটা হচ্ছে- শাওনকে আগে থেকেই একদল ‘শত্রুপক্ষ’ বানিয়ে রেখেছি সেটা প্রায় ৭/৮ বছর আগে থেকেই। এখন আগুনে ঘী ঢালার মতো কাজ করছে তার মাইক্রো আচরনগুলো এনালাইলসিস। এখন যদি প্রশ্ন করা হয়- শাওন এইসব অপরাধ/মিথ্যাচার কেন করেছে? উত্তরগুলো হতে পারে- ১। শাওনের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা সে হুমায়ুন আহমেদ কে মেরে তার সম্পত্তি হাতিয়ে নিবে- এই টাইপের কিছু, ২। বিদেশে ২ বাচ্চা ছেলে সহ থাকার কারনে সব দিকে সামাল দেয়া সম্ভব হয়নি, ৩। স্বামীর উপর তার পূর্ন অধিকার বজায় রাখার জন্যে তার সতীনের ঘরের সন্তানদের সাথে আশু লড়াইয়ে জিতবার জন্যে, ৪। একজন সত্যিকার জীবনসংগিনী হিসেবে স্বামীর শেষ ইচ্ছা পূর্ন করার তাগিদ থেকে।

      আর কোন সম্ভাব্য উত্তর আমার জানা নেই। এই তিনটা উত্তর যদি পর্যালোচনা করি- প্রথম উত্তর যদি সত্য হয় তার জন্যে হুমায়ুন আহমেদ পুরোপুরি দায়ী যিনি বুঝে-শুনে এই মহিলাটার সাথে তার জীবনের শেষ দশক কাটিয়েছেন। কিন্তু এর সাথে তার কর্মময় জীবনের সফলতার কোন নেগেটিভ রিলেশন নাই। ২ নং প্রশ্নের উত্তর সত্য হলে তার দায় শাওন এড়াতে পারবেনা এবং কোন না কোন সময় তাকে এসবের উত্তর দিতে হবেই- তা সমাজ/আইন বা সন্তানের কাছে। যদিও যে কোন মানুষের হঠাত মৃত্যুর কারনে কেউ না কেউ দোষী হয়। ৩ নং প্রশ্নের উত্তর যদি সঠিক হয়, অবশ্যই শাওনকে দোষ দেয়া যায়না কারন সে জানতো হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যুর পর তার প্রথম পক্ষের পরিবার থেকে পুরা ইমোশনাল দাবী করবে সেক্ষেত্রে তাকে একটা অস্ত্র অবশ্যই এস্তেমাল করতে হবে। প্রাসংগিক ভাবে ই কথা তো আসতেই পারে কেন গুলতেকিন আহমেদ হুমায়ুন আহমেদ কে আমেরিকায় চিকিতসাধীন অবস্থায় দেখতে যান নাই। এমনকি ছোট মেয়ে বিপাশাও তো আমেরিকায় থাকেন- সেও তো যায়নি। ৪ নং প্রশ্নের উত্তর এখানে অবিবেচ্য। এখন শাওনের আচরনের যে কার্য-কারনই থাক, একজন সফল হুমায়ুন আহমেদ এর জন্যে শ্রদ্ধা জানাতে কারো কোন বাঁধা থাকা উচিত না। আর সেই শ্রদ্ধা যখন জানানোর ব্যাপার, তখন শাওনের প্রসংগ এনে তাকে বিভিন্ন ভাবে দোষারোপ যখন করা হয় তখন কিন্তু হুমায়ুন আহমেদ কে অসম্মান করা হয়। কারন শাওন আমাদের ‘চয়েজ’ ছিলো না। একইসাথে এইসব ব্যাপার টেনে এনে শ্রদ্ধার ব্যাপারটাও হালকা করা হয়ে যায়। (contd)

      · Like · 1
    • Mohammed Tawsif Salam

      Shuvo ভাই, ব্রডলি যেটা বলতে চাচ্ছিলেন সেটা শর্ট করে বলি, যেঃ এত কথাবার্তা হচ্ছে এবং এখানে আবেগের যে যোগ আছে, সেই আবেগের মূল উৎস হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদের প্রতি ভক্তি, ভালোবাসা বা দূর্বলতা। কিন্তু শাওনকে দোষী করতে হলে আগে হুমায়ুন আহমেদই আসেন কারণ শাওনকে সে বিয়ে করেছে, কেউ জোর করে করায়নি। এই সমস্ত জটিলতার মূল হচ্ছেন হুমায়ুন আহমেদ স্বয়ং। হ্যাঁ, আপনার এই দাবীর সাথে সম্পূর্ণ একমত। আজ হুমায়ুন আহমেদ মারা যাওয়ার পরও যেসব নোংরা ছড়াচ্ছে, সেগুলোর জন্য মৌলিক ভাবে দায়ী হুমায়ুন আহমেদ স্বয়ং। দ্বিমত করার সুযোগ নেই। দ্বিমত করিও না। কিন্ত তাই বলে শাওনকে ছেড়ে দেওয়ার কোন কারণ নাই। হুমায়ুন আহমেদ তাকে মিথ্যা বলতে বলে নাই নিশ্চয়ই। নিশ্চয়ই হুমায়ুন আহমেদ তাকে বলে নাই জেএফকে একটা কইবা, আর শাহজালালে নাইমা উল্টাডা কইবা! সেগুলো শাওনের কর্ম, শাওনের মিথ্যাচার, সেজন্য তাকে দোষারোপ করলে অবশ্যই সেখানে দোষ ধরা চলে না।

      ৪নং-এর ব্যাপারে আগেও বলেছি, এখনও একই কথা আবার বলছি। হুমায়ুন আহমেদের মা যে দাবী করেছিলেন, যেন নুহাশপল্লীতে কবর না হয়, সে দাবীর কারণ ছিল এই যে হুমায়ুন আহমেদ প্রকাশ্যে সে কথা বলে গেছেন (লিংকঃ )। কিন্তু মায়ের সে কথা রাখা হয়নি কারণ শাওন বলেছে, হুমায়ুন আহমেদ তাকে মৃত্যুর আগে বলে গেছে যাতে দাফন নুহাশপল্লীতে হয় (এখানে একটা Double-XXL কিন্তু আছে কারণ ১. অ্যামেরিকায় থাকতে শাওন এর ঠিক উল্টোটা বলেছে, আমি শাওনের বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কের একগাদা সাংবাদিক, ইউএন রেসিডেন্ট হাই কমিশনার আর তার স্ত্রীর একযোগে একই তথ্যকে ‘মিথ্যা’ ভাবার কোন কারণ দেখি না; ২. শাওন আর মাজহার দু’জনের মতেই হুমায়ুন আহমেদ কথা বলতে পারছিলেন না!)। যদিও শাওন এই ‘শেষ বলা’র কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি (যেটা নুহাশপল্লীতে দাফনের বিরোধীরা পেরেছে), তাও ধরে নিলাম যে স্বামী-স্ত্রীর সব কথার প্রমান থাকে না। হুমায়ুন যদি এ কথা বলেও থাকেন, তাহলে শাওনকে সেটা বাংলাদেশে নেমে নিলডাউন করে বিশ পঁচিশটা ক্যামেরা মাইক্রোফোনের সামনে বলতে হল কেন? হুমায়ুন আহমেদ কি লাওয়ারিশ? তার মা নেই? ভাই বোন ছিল না? প্রাপ্তবয়ষ্ক তিনটা মেয়ে আছে না? ছেলে আছে না? এরা থাকতে শাওনকে সে কথা ক্যামেরার সামনে কেন বলতে হয়? তার তো যাবতীয় কর্ম ক্যামেরার সামনেই! সে নোভা মিস, শীলার কাছে মাফ চায় ক্যামেরার সামনে, কিন্তু ক্যামেরার আড়ালে তাকে তাদের সাথে এক ঘরে বসানো পর্যন্ত যায় না! তারপর মাইক্রোফোনের সামনে সে ছ’বছরের বড় নোভাকে বলে, “নোভা মা আমার, আমাকে ক্ষমা করে দাও! তোমার বাবার শেষ ইচ্ছা…”, আর ক্যামেরার আড়ালে বলে দরকার হলে কোর্টে যাব, লাশ ফ্রিজে থাকুক! শুভ ভাই! সম্পূর্ণ পারবারিক ঐ বিষয়টিতে সে যেভাবে মিডিয়ার মিশ খাইয়েছে, রাজনীতি ঢুকিয়েছে, তাকে ছেড়ে দেই কীভাবে? কেন? শেরাটনের সামনে বাসযাত্রীদের গ্রীল-রোস্ট বানিয়েছে যে নানক, সেই নানক হয়েছে হুমায়ুন আহমেদের কবরের মুসাবিদাকারী! কার বদৌলতে? শাওনের মা তহুরার বদৌলতে! অতএব শাওনের প্রতি ঘৃণা বা বিরূপ ভাবের উৎসটা নেহায়েতই যুক্তিহীনতা আর আবেগ, আপনার একথা কেন মনে হল জানি না। যদি মনে হয়ে থাকে, সে মনে হওয়াটা ঠিক না।

      · Edited · Like · 2
    • Akm Wahiduzzaman

      ‎”কেন গুলতেকিন আহমেদ হুমায়ুন আহমেদ কে আমেরিকায় চিকিতসাধীন অবস্থায় দেখতে যান নাই। এমনকি ছোট মেয়ে বিপাশাও তো আমেরিকায় থাকেন- সেও তো যায়নি।” অত্যন্ত নিম্ন মানের শাওন স্টাইলের প্রশ্ন ও মিথ্যাচার।

      হুমায়ুনের সাথে বিবাহবিচ্ছেদের পর পত্রিকায় যখন খুব লেখালেখি হচ্ছিলো তখনই গুলতেকিন আহমেদ প্রথম আলোতে একটি কলাম লিখে সব জানিয়েছিলেন। হুমায়ুন বা শাওনের পক্ষ থেকে যেহেতু কোন প্রতিবাদ করা হয় নি, তাই ধরে নেয়া যায় তাঁর বক্তব্য সঠিক ছিলো। সেই কলামে গুলতেকিন বলেছিলেন, কিভাবে তিনি বৎসরের পর বৎসর দিনের পর দিন একজন দুশ্চরিত্র সেলিব্রেটির সংসার করেছেন, নিজের একক প্রচেষ্টা আর জাফর ইকবালের সহায়তায় সন্তানদের মানুষ করার জন্য কষ্ট করেছেন, কিভাবে হুমায়ুনের পাশে দাড়িয়ে মিডিয়ার জন্য ছবি তোলার সময় নকল হাসি দিয়েছেন। তারপরও তাঁর আশা ছিলো সংসারটি টিকবে। কিন্তু হুমায়ুন শাওনকে বিয়ে করার জন্য সংসারটি ভেঙ্গেছেন। সেই কলামের শেষ দিকে তিনি বলেছিলেন যে “হুমায়ুনের চেহারা তিনি কোনদিন দেখবেন না। মৃত্যুর পরও না।” (আমি গুলতেকিনের কোন দোষ দেখি না। ইনফ্যাক্ট ঐ সময় আমার মনে হয়েছিলো ঐ লম্পটটাকে খুন করে আসি।) সবার শেষে তিনি সকল পাঠক ও সাংবাদিকদের অনুরোধ করেছিলেন তাদের একা থাকতে দিতে তাদের নিয়ে নিউজ না করতে। হুমায়ুনকে বলেছিলেন, তার লেখায় ওনাকে এবং ওনার সন্তানদের না আনতে। হয়তো বুয়েটের প্রকৌশলী হিসেবে শাওনের প্রতি তোমার অন্ধ সমর্থন। এবং এই অন্ধত্ব এতই প্রকট যে, শাওনের সমালোচনাকে তুমি হুমায়ুনের সমালোচনা বলছ। এটাতো আওয়ামী ডকট্রিন হয়ে গেল! শেখ হাসিনার সমালোচনা করলে নাকি রাষ্ট্রদ্রোহ।

      তুমি শাওনকে হুমায়ুনের সবচেয়ে আপনজন বলতে চাইছো? ভেরিগুড। বিজ্ঞান কিন্তু তা বলে না। বিজ্ঞান বলে মানুষের সবচেয়ে আপনজন হচ্ছে তাঁর ভাই-বোন; তারপর মাতা-পিতা; তারপর সন্তান। স্ত্রীর সেখানে কোন অবস্থান নেই। ইসলাম ধর্মও বিজ্ঞানের প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে। তোমার একটা মেয়ে হয়েছে, আমার প্রথম সন্তানও মেয়ে। মেয়েরা যে বাবাকে কতটা ভালোবাসে সেটা তুমি কিছুদিন পরই টের পাবে। কতটা আঘাতে আঘাতে কতটা পাথর হয়ে গেলে হুমায়ুনের মেয়েরা তাঁদের বাবাকে ছেড়ে মার কাছে চলে গেছে কল্পনা করতে পার? এজন্যই বলেছিলাম, হুমায়ুনের জন্য আমার করুনা হতো। (চলমান…)

      · Like · 1
    • Akm Wahiduzzaman

      বিপাশা নিয়মিত হুমায়ুনকে দেখতে যেত। নিউইয়র্কেই এর প্রত্যক্ষ সাক্ষী রয়েছে। Lutfar Rahman Nirjhar তাঁর স্ট্যাটাসে লিখেছে, “অনেক কষ্ট পেলাম. অনেক কিছু দেখলাম গত ৭২ ঘন্টায়. কিছু কিছু বিষয় জানানোর প্রয়োজন মনে করছি. যে বিসয় গুলন আমি বলবো তা কখনো বলার জন্য নোভা আপু বা শীলা, বিপাশা, নুহাশ কিছু বলবে না. কারণ ওরা এইরকম. আমি অকপটে এটা বলতে পারি. আমি এই পরিবারের অনেক কাছাকাছি আছি. দেখছি অনেক কাছ থেকে. যে অভিযোগ করা হয়েছে এদের উপর: তা মিথ্যা. হাসপাতালের বাইরের থেকে যোগাযোগ করার গেটওয়ে ছিলেন অন্যপ্রকাশের মাজহার. প্রত্যেকদিন ঢাকা থেকে অসঙ্খবার ফোনে করা হত. বেশিরভাগ সময় মাজহার ফোন ধরতেন না. বিপাশা প্রত্যেকদিন অসঙ্খবার ফোনে করে খবর নিত. দেখতে যেত নিয়মিত. এই বিসয় গুলন কেউ জানে না. নিরব থাকা এখন দেখি অনেক বড় দুর্বলতার পরিচায়ক.
      আমার অনেক খারাপ লাগছে শীলা, বিপু, নুহাশ. বিসসাস করো এর পর থেকে আমি সারাদিন তোমাদের সামনে বব মারলে চিত্কার করে গাইবো. Get up stand up, stand up for your rights. Get up stand up, don’t give up the fight.”

      হুমায়ুন আহমেদের ক্লাসমেট এবং ঘনিষ্ট বন্ধু মির্জা আমিনুল স্যার লিখেছেন, “Shaon missed the last chance to win the hearts of at least three – Nuhash, Shila and Nova…….if she only agreed to bury Humayun in Mirpur shahid Buddijibi graveyard or D.U. campus near Nazrul’s grave. Jaffor Iqbal’s eloquent wordings about the whole situation is much appreciable. Shaon destroyed a beautiful family a second time. Can she be forgiven ever……”

      শুভ, হুমায়ুনের ‘শাওন পার্ট’ নিয়ে চুপ আছি মানে সব সময় চুপ থকবো এটা কিন্তু ঠিক নয়। বেশি ক্ষেপে গেলে আমি কি করি সেটা তুমি জানো। তখন কিন্তু গুলতেকিন খানের অনুরোধ বা নোভার নিষেধ কোনটাই শুনবো না। কিভাবে একক স্বামী হিসেবে হুমায়ুনকে পাবার জন্য শাওন কি কি করেছিলো সব এক এক করে লিখতে শুরু করবো।

      · Like · 1
    • Mohammed Tawsif Salam সরি, লিংক লিখেও লিংকটা দেওয়া হয়নি। আশা করি সবাই ইতমধ্যে দেখেছেন, তাও প্রসঙ্গ যখন এসেছে,
      https://www.facebook.com/photo.php?v=3935947650676

      ‎”আমি একটা ব্যবস্থা করে দিতে চাই যেন নুহাশ পল্লী যেন আমার ছেলেমেয়েদের টানাটানি …See More
      Length: ‎1:24
      · Unlike · 2
    • Mohammed Tawsif Salamখোদ দখিনা হাওয়ার জায়গাটার মালিক হচ্ছেন গুলতেকিন খানের পিতামহ প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খান।

      · Unlike · 2
    • Akm Wahiduzzamanওখানেই পার্থক্য শাতিল। একজন তার নিজের সম্পদ ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন, আরেকজন সম্পত্তি দখলের জন্য লাশ নিয়ে গেছে গাজীপুর। এটা ভালবাসা হলে ছলনা কি জিনিস?

      · Unlike · 1
    • Faysal Kabir Shuvo

      Apollo vai and Shatil, এইজন্যেই আমি এই অর্থহীন বিতর্কে জড়াতে চাইনি কারন আপনারা অলরেডি মনে করতেছেন যে আমি শাওন কে ডিফেন্ড করতেছি। অথচ আমি বরাবরই বলে আসছি- শাওনের যে কোন অসংগত আচরন এর দায় তাকে নিতে হবে তা পরিবারের কাছেই হোক বা সমাজের কাছেই হোক। আমার লাস্ট কমেন্ট আবার ভালোভাবে দেখেন। আমি যদি শাওনকে ডিফেন্ড করার চেষ্ঠা করতাম তাহলে ৪ টা সম্ভাব্য উত্তর খুজতাম না। শাওনেরও যে কিছু তারকা গুনাবলী আছে সেগুলা নিয়ে কথা বলতাম (বাই দি ওয়ে, আমার কমেন্টের শেষ অংশ আসেনি উপরে)। আবার, এপোলো ভাই শাওনের প্রতি যে অন্ধভক্তের কারন জানালেন সেটাও আমি এই প্রথম জানলাম যে শাওন বুয়েটের প্রকৌশলী ছিলো। হুমায়ুন আহমেদ এর আত্মজীবনীমূলক যেসব বই ( এইরকম একটা উপন্যাস সমগ্রএর নাম ‘আপনারে আমি খুজিয়া বেড়াই’ যেখানে ৬ টা উপন্যাসঃ আমার ছেলেবেলা, মে ফ্লাওয়ার আরো কি কি যেন এখন মনে নেই) আমি ৯০ এর দশকে পড়েছি এবং তাকে জেনেছি সেগুলোর প্রত্যেকটাতেই গুলতেকিন আহমেদের প্রশংসা করা হয়েছে। সুতরাং তার প্রথম সংসার ভেঙ্গে যাওয়া সুস্থ মানুষ কারোই ভালো লাগার কথা না। তাই গুলতেকিন আহমেদ কে অফেন্ড করার কোন ইচ্ছেই আমার নাই। আর আমি আমি সম্ভাব্য ৪ টা প্রশ্নের কি উত্তর আসতে পারে সেটা বলেছি, কিন্তু সেগুলো যে আমার অবস্থান তা কিন্তু নয়। একজন পরিকল্পনাবিদ হিসেবে যে কোন সমস্যার বিভিন্ন অলটারনেটিভ এবং সেগুলোকে সম্ভাব্য যেভাবে এপ্রোচ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করাই শিখেছি। সেই হিসেবে আপনাদের ঐ অপশনগুলার কথাও কনসিডার করতে বলেছি কোন প্রকার preoccupation ছাড়া।

      আগের কমেন্টের শেষ প্যাড়ায় আমার পুরা অবস্থান খুব ভালোভাবে জানিয়েছি।

      কিন্তু যে কারনে, আমি শাওন ব্যাপার নিয়ে এই মূহুর্তে ইন্টারেস্টেড ছিলাম তাতো আর রক্ষা হলো না- হুমায়ুন আহমেদ কে এই মূহুর্তে অসম্মান করার ইচ্ছে আমার ছিলো না। এটা সত্য আপনারা শাওন সম্পর্কে যততা জানেন তার সিকিভাগও মনে হয় আমি জানিনা তাই ঘটনা পরিক্রমায় আমি আমার ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছি যাতে একজন হুমায়ুন আহমেদের চরিত্র নিয়ে এই মূহুর্তে নেতিবাচক কথা না আসে। আশা করি আমার নিচের এই প্যাড়ার পরে আমার অবস্থান নিয়ে দ্বিমত থাকবে না-

      হুমায়ুন আহমেদ এর পরিবারের কেউই আমার বিশেষ স্বজন না। অনুরাগ/বিরাগ সব শুধু তাকে ঘিরেই, এবং বিশ্বাস করি তার মৃত্যুতে বাংলাদেশিদের জন্যে একটা অপূরনীয় ক্ষতি। সুতরাং একটা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা তার প্রাপ্য। প্রথম স্ত্রীর সাথে ডিভোর্স এবং কন্যাসম একটা মেয়েকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ- ইত্যাদি তার ব্যক্তি জীবনের কলঙ্ক কিন্তু তার জন্যে তার সৃষ্টিশীলতা ম্লান হয়ে যায়নি। এবং আমি যখন তাকে সম্মান দিচ্ছি তখন এই ২টা ব্যাপারকে ডিসটিংক্ট রেখেই দিচ্ছি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই যখন তার ব্যক্তি জীবনের বিভিন্ন কার্য-কারন এনালাইসিস দেখি তখন আমার সেই সম্মান করার জায়গা টা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। সেটা ভালো লাগার কোন কারন নেই। The end

      · Unlike · 1
    • Akm Wahiduzzaman শুভ, আমি স্যরি কমেণ্টে দ্রুত লিখতে গিয়ে ভুল লিখেছি। শাওনের বাবা বুয়েট পাশ প্রকৌশলী।
Advertisements

One thought on “হুমায়ুন আহমেদের কর্মময় জীবন কিছু বিতর্ক, কিছু প্রাপ্তি (ফেসবুক আলোচনা কপি পেস্ট)”

  1. যদি বাড়িয়ে বলা মনে না করেন একটা কথা বলতেই হয়। এই ওয়াহিদুজ্জামান ভাইদের মতো কিছু মানুষ আছেন বলেই বাংলাদেশের মানুষ এখনো সত্য জানার ইচ্ছা প্রকাশ করে। সত্য জানতে চায়। হুমায়ুন আহম্মেদ এমন কোনো লাট সাহেব না যে তাকে মাথায় নিয়ে নাচতে হবে। কিন্তু জামাতীর যেভাবে ছাগলের মতো হুমায়ুনকে নিয়ে বিরোধিতা করে দাম বাড়ায় সেটাও ধিক্কারের। বাজার মূল্য বিবেচনায় হুমায়ুনের মতো প্রডাক্ট আমাদের প্রয়োজন আছে। তাই বলে এতো নাচানাচি করার কিছু নেই। অন্যদিকে মালাউনগুলো যেভাবে হুমায়ুন মানেই দেবতা হিসেবে হরিবোল করা শুরু করে সেটাও জঘন্য। একজন লেখককে লেখকের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। তাকে নিয়ে দেবতার আসনে বসিয়ে পুজা করতে গেলেই বিপত্তি নির্ঘাত।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s