দজলা-ফোরাতের দেশ পর্ব এক (সুমেরীয় সভ্যতা)

নীলনদের তীরে গড়ে ওঠা পিরামিড আর মমির দেশ মিশরের পশ্চিমে লোহিত সাগর। লোহিত সাগরের উত্তর দিকে ভূমধ্যসাগরের পশ্চিম ঘেঁষে একটি চমৎকার ভূখণ্ড এগিয়ে গিয়েছে আরও উত্তরে। এশিয়া মাইনরকে উত্তরে রেখে দ্বিতীয়া পাওয়া চাঁদের মতো বাঁক নিয়েছে। দক্ষিণে নেমে এসেছে পারস্য উপসাগরের সীমানায়। চাঁদ-আকৃতি আর উর্বর মাটির জন্য অনেকের কাছে ভূখণ্ডটির নাম ফার্টাইল ক্রিসেন্ট বা অর্ধচন্দ্রাকৃতির উর্বর ভূমি। এই অঞ্চলেই গড়ে উঠেছে প্রাচীন পৃথিবীর বিখ্যাত মেসোপটেমীয় সভ্যতা। গ্রিক শব্দ ‘মেসোপটেমিয়ার’ অর্থ হচ্ছে ‘দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।’ মেসোপটেমিয়ার পূর্ব দিকে বয়ে গিয়েছে টাইগ্রিস নদী, যাকে দজলা নদীও বল হয়। আর পশ্চিমে বয়ে গিয়েছে ইউফ্রেটিস নদী। একে অনেকে বলে ফোরাত নদী।  Continue reading দজলা-ফোরাতের দেশ পর্ব এক (সুমেরীয় সভ্যতা)

Advertisements

প্রতিবাদী রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৬ই অক্টোবর। বাবা ছিলেন পেশায় ডাক্তার। রুদ্রের জন্মের সময় তাঁর কর্মস্থল ছিল বরিশাল। অবশ্য কবির জন্ম বরিশাল হলেও তাদের মূল বাড়ি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার মিঠেখালি গ্রামে। দ্রোহ ও প্রেমের কবি রুদ্রের শৈশব কাটে মংলাতেই। এরপর চলে আসেন ঢাকায়। ১৯৭৩ সালে ঢাকা ওয়েস্ট এন্ড হাইস্কুল থেকে তিনি এস.এস.সি এবং ১৯৭৫ সালে এইচ.এস.সি পাস করেন। এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি সক্রিয়ভাবে ছাত্র ইউনিয়নের সাথে যুক্ত ছিলেন। একবার Continue reading প্রতিবাদী রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

স্বপ্নলোকের ছায়া

সেদিন দেখেছি স্বপ্ন যাবো দুর বহুদুর
কোথায় হারিয়ে গেছে আজ সেই চিরচেনা সুর
হায় !! যেখানে চৈত্রের খররোদ্দুর
সেখানেই খুঁজেছিলাম সাত সমুদ্দুর।।
আঁখি মুদে দেখি যখন তপ্ত খররোদ
ভাবি নিতেই হবে প্রতিশোধ
নেই যাদের মনুষ্যত্বের বোধ
তাদের ক্ষমা করে শুধুই নির্বোধ

কাব্য আর সহিত্যের কিছু নিরস কথা,  Continue reading স্বপ্নলোকের ছায়া

ওয়াহিদ সুজন ভাইয়ের ব্লগে ঘুরতে গিয়ে অসাধারণ লাগায় ডিরেক্ট রিব্লগ কর্লাম লেখাটা।

ইচ্ছেশূন্য মানুষ

‘ক্লাসের বন্ধুরা বাংলাদেশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আমি সবসময় বিব্রত বোধ করেছি। বাংলাদেশ আমার কাছে পোস্টকার্ডের বেশি কিছু ছিল না। অনেকটা বাবার মতো, যিনি আমার কাছে একটা ফ্রেমে বাধা ছবি মাত্র। এখন সেই পোস্টকার্ডটি জীবন্ত হয়ে উঠেছে। সবুজ দিগন্ত নিয়ত বদলে যাচ্ছে…’।

ontarjatraএই কথাগুলো বলছে তারেক মাসুদ নির্মিত অন্তর্যাত্রা (২০০৬) চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্র সোহেল । এই কথায় অনুরণিত হয় দুনিয়ার নানা প্রান্তের নতুন প্রজন্মের অভিবাসীরা নিজের দেশকে কিভাবে আবিষ্কার করে, সেই সুর। অন্তর্যাত্রা প্রবাসী মানুষের শেকড় খোঁজার কাহিনী। এই কাহিনী নিজের দিকে ফিরে আসার। আপন ইতিহাস, ঐতিহ্য, সম্পর্ক ও সংস্কৃতির অন্বেষণ। যথারীতি এই যাত্রায় তারেকের সাথে ছিলেন তার সকল কাজের সঙ্গী ক্যাথরিন মাসুদ।

বাবার সাথে ছাড়াছাড়ি’র পর সোহেল তার মা শিরিনের সাথে লন্ডনে বসবাস করে। তারা সেখানকার নাগরিক। একদিন খবর আসে সোহেলের বাবা মারা গেছেন। কৈশোর পার করা সোহেল মায়ের সাথে বাংলাদেশে আসে। দেশ সম্পর্কে, নিজের আত্মীয় স্বজন সম্পর্কে সে কিছুই জানে না। মা তাকে সবকিছু থেকে আড়াল করে রেখেছিলো। সোহেলের…

View original post 1,354 more words

ভালবাসার ধূসর রঙ

গভীর রাত। রথি শুয়ে আছে। তার চোখে ঘুম নেই। ইদানিং প্রায়ই তার এমন হয়। ঘুম আসেনা। বিছনায় মরার মত শুয়ে থাকতে ভারী কষ্ট হয় তার। পাশের রুমে বাসার সবাই ভোস ভোস করে ঘুমায়। হটাৎ রথির খুব মন খারাপ হয়। শুধু ওই কেন আরো অনেকেই ঘুমায়। ওদের বাসার দারোয়ানটাও লাঠিতে ভর দিয়ে ঘুমায় । তবুও রথি কেনো রিমির কথাই ভাবে ??  হটাৎ মুচকি মুচকি হাসি আসে রথির। ভাবে এই রিমিটা যেনো কেমন? এতোদিন একসাথে থাকে।

এতো কাছের বন্ধু অথচ রথির মনের কথা পড়তে পারেনি একরত্তি। হারামিটা শুধু শুধু কষ্ট দেয় রথিকে। হটাৎ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে রথির

হটাৎ  করে উঠে বসে..

ধ্যাত সব অসহ্য।  রিমিইইইইই……. তুই যদি….. Continue reading ভালবাসার ধূসর রঙ