রাতজাগা ক্ষতিকর নয় আসুন রাত জাগি

1125759003_3580Germany, Emmering, Teenage girl sleeping in computer labসৃষ্টিশীল মানুষের সাথে রাতের ঘূম আর সমাজের বৈরিতা চিরকাল। এই কথা কারোক্ষেত্রে জন্মলগ্ন থেকে ধ্রুব সত্য হয়ে যায় কেউবা ভাব ধরেন। তবুও এক ধরণেরঅবস্থা তৈরি হয়েছে যেখানে মেনে নিতেই হচ্ছেসৃষ্টিশীলতা আর নিয়মানুবর্তিতা দুটি ভিন্ন গ্রহের উপমা। আমরা যারা রাত জেগে কাজ করি পরিবারের সবার তাদের নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই। কিন্তু এবার তাদের চিন্তাথেকে মুক্তির পথ বাতলে দিয়েছে মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশ্ব বিদ্যালয়। ডেইলি মেইলে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এমনি দেখতে পেলাম। সেখানে মানুষের রাত জাগা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন উদ্দিষ্ট গবেষকগণ। Continue reading রাতজাগা ক্ষতিকর নয় আসুন রাত জাগি

প্লাজমা ফিজিক্স এবং বাংলাদেশী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ এ মামুন

news1369134468956791st_159_tস্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই মামুন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের আরেক প্লাজমা পদার্থবিদ ড. মফিজউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে ১৯৯৩’র মার্চ পর্যন্ত প্লাজমা গবেষণা চালিয়ে যান। অধ্যাপক মামুন তাঁর প্লাজমা গবেষণার শুরুতেই যেমন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন উন্নততর দেশে গিয়ে উচ্চতর গবেষণা করার, ঠিক তেমনি তিনি তখন থেকেই অনড় ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন নিজের দেশে ফিরে নিজের দেশে কাজ করার। আর বাংলাদেশে experimental physics এ কাজের সুযোগ কম বিধায় তিনি তখন থেকেই theoretical physics-এ গবেষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। তারপর ১৯৯৩ সনের এপ্রিল মাসে অধ্যাপক এম. সলিমুল্লাহর উপদেশক্রমে মামুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের প্রভাষক পদে যোগদান করেন, এবং একই বৎসর সেপ্টেম্বর মাসে commonwealth scholarship (open competition)  নিয়ে Ph. D. করার জন্য যুক্তরাজ্যের St. Andrews University  চলে যান। তাঁর গবেষণার কর্মস্থল ছিল St. Andrews University  ও Rutherford Laboratory, এবং তাঁর তত্বাবধায়ক ছিলেন দুই বিশ্ব-বিখ্যাত প্লাজমা পদার্থবিদঃ Prof. R. A. Cairns (St. Andrews University) ও Dr. R. Bingham (Rutherford Applied Laboratory, Oxford)।  অধ্যাপক মামুনের Ph. D. Thesis এর মূল উদ্দেশ্য ছিল Viking space craft ও Freja satellite কর্তৃক observed  বিশেষ nonlinear structures এর theoretical ব্যাখ্যা প্রদান। অধ্যাপক মামুন অত্যন্ত সুন্দরভাবে এবং সাফল্যের সাথে (successfully) এর  theoretical ব্যাখ্যা প্রদান করেন। প্রায় দুই বৎসরের মধ্যে তাঁর Ph. D. Thesis এর কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁর Ph. D গবেষণাকর্ম কয়েকটি প্রবন্ধাকারে আমেরিকার অতি উচ্চমানের জার্নালে প্রকাশিত হয় ও সেই সঙ্গে এ গবেষণাকর্ম বিশ্বের সমগ্র plasma community কর্তৃক বহুল প্রশংসিত হয়। অধ্যাপক মামুনের এ গবেষণাকর্মের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন প্লাজমাবিদগণ বিভিন্ন জার্নালে দুই শতাধিক প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এখনও তাঁর এ গবেষণাকর্মকে ভিত্তি করে প্রচুর প্রবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে। আরো পড়ুন…. Continue reading প্লাজমা ফিজিক্স এবং বাংলাদেশী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ এ মামুন

শিল্পাচার্য জয়নুলের নবান্ন ক্রল পেইন্টিং

image_34664পেইন্টিং বিভিন্ন ধরণের হয়। এগুলোর নামকরণের ক্ষেত্রেও তাই ভিন্নতা লক্ষ  করা যায়। ক্রল পেইন্টিং নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা একজন প্রত্নতত্ত্বের শিক্ষার্থীর জন্য  বেশ কঠিন। তবুও জয়নুলের নাম শোনর পর থেকে অনেক আগ্রহ জন্মেছিলো এই বিষয়টি কি একটু জানবো। আর জানলে তা আগ্রহীদের জন্য শেয়ার করবো। আভিধানিকভাবে ক্রল পেইন্টিংকে সঙ্গায়িত করার ক্ষেত্রে অনেকগুলো অভিধা লক্ষ করা যায়। এখানে প্রকারতাত্ত্বিক ও গাঠনিক দিককে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে। বিশেষ করে কি ধরণের উপাদানের উপর স্ক্রল অংকন করা হবে। আর তা আঁকতে কি ধরণের রঞ্জক উপাদান ব্যবহৃত হবে তা অবস্থা বিশেষে অনেক বেশি গুরুত্ববহ হয়ে ওঠে।  আমরা অভিধানের পাতায় দৃষ্টি দিয়ে পাই……… Continue reading শিল্পাচার্য জয়নুলের নবান্ন ক্রল পেইন্টিং

A Visual Glossary of Greek Pottery

Corinthian Alabastron Vase
Corinthian Alabastron Vase

Alabastron (pl. alabastra) – a small jar for storing perfumes, named after the material (alabaster) the first examples were made from. They were often carried by a string looped around the neck of the vessel.

Greek Foot Race
Greek Foot Race

 

Amphora (pl. amphorae) – one of the most common forms in Greek pottery, various shapes, always with two vertical neck-handles and used for storing and transporting oil, wine and foodstuffs such as olives. Often with a lid but these have rarely survived. Continue reading A Visual Glossary of Greek Pottery

একজন প্রত্নতাত্ত্বিক আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়ার গল্প

270512_10151105087801510_24826410_nপ্রথম আলো পত্রিকাটা বাসার ড্রয়িংরুমের ডেস্কে পড়ে থাকলেও খুলে দেখা হয় কম। কিন্তু আজকে দেখেছি। দেখেছি বলা যাবেনা অনেকটা দেখতে হয়েছে। ঘুম থেকে ওঠার পর চাচার হুংকার, পত্রিকাটা দেখ গাধারাম তোর প্রিয় ব্যক্তিকে নিয়ে লিখেছে। পাতা উল্টে দেখি দেশবরেণ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক আবুল কালাম মো. জাকারিয়ার একটি সাক্ষাতকার ছেপেছে ওরা। ব্যাস দাত ব্রাশ করার আগেই অনেকটা দাড়িয়ে দাড়িয়ে পড়লাম পুরো সাক্ষাতকারটি। সত্যি অন্য এক জগতে চলে গেছিলাম। ভাবছিলাম এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিয়ে অপেক্ষমান থাকার ঐ সময়টার কথা। তারপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হওয়া। ইতিহাস আর প্রত্নতত্ত্বের সাগরে কিভাবে ডুব দিয়েছিলাম সে কথাও আস্তে আস্তে মনে পড়ছে। কিছুক্ষণের জন্য হয়ে গেছি অন্যমানুষ। আর হবেই না কেনো !! যাঁর কাছে আর্কিওলজির হাতেখড়ি। সেই মহান মানুষটাকে দেখে অনেক ভালো লাগছে। ভাবছিলাম মুনীর চৌধুরী কি ভূল বকেছিলেন। মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেচে থাকলে বদলায়, কারণে অকারণে বদলায়। কিন্তু কৈ প্রিয় জাকারিয়া স্যার তো এতটুকুও বদলে যাননি। Continue reading একজন প্রত্নতাত্ত্বিক আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়ার গল্প

আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া


আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার জন্ম ১৯১৮ সালের ১ অক্টোবর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ, গবেষণা এবং প্রত্নসম্পদ অনুসন্ধান, আবিষ্কার ও সংগঠনে তিনি তুলনারহিত। এক শ ছুঁই ছুঁই বয়সেও সদা কর্মব্যস্ত।
মাসউদ আহমাদ: আপনি তো ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন এবং রেজাল্টও ভালো ছিল, প্রত্নতত্ত্বের মতো নীরস বিষয়ে উৎসাহী হলেন কীভাবে?
আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া: আমাদের পরিবারে পুঁথিচর্চার একটা পরিবেশ ছিল। শৈশবে দেখেছি, বাড়িতে পুঁথির বড় সংগ্রহ। আমার বাবা ছিলেন ফারসি ভাষার পণ্ডিত, তিনি পুঁথির পাঠক ও সংগ্রাহক ছিলেন। বই পড়ার প্রতি আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয়, পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণেই বলতে পারেন। ঢাকা কলেজে পড়ার সময় প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাস বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হয় আমার। এরপর কর্মজীবনের প্রথম থেকেই আমি প্রত্নসম্পদ বিষয়ে জরিপ ও নোট নেওয়া শুরু করি। ১৯৪৬ সালে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিই বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে। সেই সময় নৃতত্ত্বের ওপর কাজ করছিলাম আমি। তখন Continue reading আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া

পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-৩)

necrophilia 01aনেক্রোফিলিয়ার মতো জঘন্য একটি বিষয় কিভাবে বিস্তার লাভ করলো এর প্রকৃতি ও ধরণ নিযে প্রথম দুটি পর্বে আলোচনা করা হয়েছে। ইতিহাস বিশ্লেষণ করতে গেলে আমরা দেখি নেক্রোফিলিয়া শব্দটির তুলনায় এই ঘটনাটি অনেক বেশি পুরাতন। আমরা ইতিহাসের জনক খ্যাত হেরোডোটাসের বিবরনীতে গ্রেকোরোমান রাজাদরে মৃতদেহের সাথে যৌন সঙ্গমের ইঙ্গিত পাই পাই। এছাড়া আমরা এরিস্টেফেনাস এবং জেনোফেনের রচনাতেও এই কুটিল অনুশীলনের উল্লেখ পাই। প্রকৃত অর্থে অত্যাচারী শাষকরা তাদের বিভীষীকাময় কর্মকাণ্ডের সাথে নতুন কিছু যোগ করতেও এই ভয়ানক অনুশীলন করে থাকতে পারে। বাইজেন্টাইন সম্রাটদের মধ্যে অনেক পিশাচ ছিলো যারা একটি এলাকা দখল করার পর সেই অঞ্চলের রাজার হেরেমের দখল নিতো। কিন্তু সেখানকার নারীদের হত্যা করে তাদের রক্ত একটি চৌবাচ্চায়ায় ভর্তি করে হোলি খেলতো পিশাচ রাজাদের অনেকে। অতিকথনে প্রচলিত হয়ে আসা এই কথ্য ইতিহাস নিশ্চয়ই কোনো বাস্তবতার উপর নির্ভর করেই গড়ে উঠেছিল যা নিঃসন্দেহে অনেক বেশি ভয়াবহ এবং নির্মম ছিলো একথা বলা যেতেই পারে। Continue reading পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-৩)

পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-২)

Necrophilia 01নেক্রোফিলিয়ার প্রাথমিক অবস্থা তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি আমার প্রথম পোস্টে আর শেষ পর্বে আছে ইতিহাস। বিশেষত নেক্রোফিলিক বিকারগ্রস্ততায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের আচার আচরণ ও ক্রিয়াগত দিক বিচার করেই রসম্যান ও ফিলিপ এই শ্রেণিবিভাগগুলো করেছেন। তাদের মতে এই তিনটি ধরণ হচ্ছে নেক্রোফিলিয়া হোমিসাইড, নেক্রোফিলিয়া ফ্যান্টাসি ও রেগুলাল নেক্রোফিলিয়া। তবে প্রতিটি ধরণই কার্যক্ষেত্রে এক ধরণের কুটিল ও পৈশাচিক মনোবৃত্তির পরিচায়ক। এগুলো ধারাবাহিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলো। Continue reading পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-২)

পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-১)

প্SPN_Necrophiliaরত্নতত্ত্বে অধ্যয়ন করতে গিয়ে আমরা অতীত রাজা রাজড়াদের নানা ধরণের অবাক করার মতো খেয়াল খুশির পরিচয় পাই। এর মধ্যে অদ্ভুদ কিছু বিষয় যেমন মানুষের চিত্তকে বিচলিত করে তেমনি কিছু বিষয় আছে যেগুলো শুনলে ঘৃণায় মুখ বিকৃত করতে হয়। আমার একটা অভ্যাস আছে অবসর সময়টুকু বেশিরভাগই কাটাই হয় বই পড়ে কিংবা নেটে ব্রাউজিং করে যেখানে প্রত্নতত্ত্ব আর ইতিহাসই কেন্দ্রে থাকে। আর প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই এটা আমাকে এতটাই টানে যে আমার লেখাপড়ার গণ্ডিটা অনেকটা প্রত্নতত্বের মধ্যেই কিভাবে যেন আটকে গেছে। জা. বি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে তখন তৃতীয় বর্ষের মাঝামাঝি পড়ি এমনটা হবে। একটি সংবাদপত্রে ফিচার লেখার প্রস্তাব পেয়ে মিশরীয় মমির কিছু ছবি দেখছিলাম। ফিচার লেখার তুলনায় আমার অনুসন্ধিৎসু চোখ নিবদ্ধ হয় একটি বিশেষ বিষয়ের প্রতি। তখন ঐ প্রবন্ধ শেষ করার কাজ অনেক পিছিয়ে যায়। আমি ভাবতে থাকি অন্য বিষয় নিয়ে। Continue reading পৈশাচিক নেক্রোফিলিয়া বা শবাসক্তি (পর্ব-১)

Discoverer of the Tomb of Tutankhamun: Howard Carter

It may simply have been the luck of the draw, but no one has probably furthered the interests of Egyptology, and indeed the world’s archaeological focus on Egypt more than Howard Carter. His discovery of the tomb of Tutankhamun has inspired almost a century of Hollywood movies, books and media attention for this greatest of all living museums we call Egypt. While Howard Carter’s find of the mostly intact tomb of a pharaoh may have been lucky, it was the result of a dedicated career in Egyptology and the culmination of consistent exploration. Continue reading Discoverer of the Tomb of Tutankhamun: Howard Carter