আরব বসন্তে ফুল ফুটেছে কি?


আরব বসন্ত পুরো মধ্যপ্রাচ্য আর উত্তর-আফ্রিকার মানুষকে উতলা করেছিল। কিন্তু প্রায় দু’বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর একটি প্রশ্ন থেকেই যায়, এই বসন্তে কেমন ফুল ফুটেছে, কোন পাখি গাইছে কি? নাকি এ বসন্তের সঙ্গে ঋতু বসন্ত অপেক্ষা যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি বসন্তের মিল অনেক বেশি? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কিছু বিষয় গভীর দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার দাবি রাখে। পশ্চিমা মিডিয়া প্রাগের বসন্তের সঙ্গে মিল রেখে যে ‘আরব বসন্ত’ নামের প্রত্যয়টি প্রচার করে চলেছে, তার পেছনে ধাওয়া করে আরবের মানুষ আজ ক্লান্ত-ক্ষুধার্ত-তৃষ্ণার্ত।
আমরা জানি, এ বিক্ষোভের ঢেউ এসে আছড়ে পড়েছিল মিসর, লিবিয়া, ইয়েমেন, সিরিয়াসহ আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার ফল। তিউনিসিয়ার বিপ্লবের সফলতার কৃতিত্ব পুরোটাই সে দেশের সাধারণ নাগরিকের হলেও অন্য দেশগুলোতে এ বিপ্লবের পেছনে অন্য সুর খুঁজে পাওয়া যায়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, তেল দখলের রাজনীতিতে বিভ্রান্ত হয়ে সর্বস্ব খোয়াতে বসেছে আরব ভূখণ্ডের মেরুদণ্ডহীন শাসকদের অধীনে থাকা দেশগুলো। বিশ্লেষকদের দেয়া পরিসংখ্যান অন্তত এ কথাই বলে। কারণ আরব বসন্তের ফলে মাত্র দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিসর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি ডলার।
তিউনিসিয়ার বাইরে প্রথম বিক্ষোভ শুরু হয় নীল নদ, মমি আর পিরামিডের দেশ মিসরে। দীর্ঘদিনের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনে ত্যক্ত-বিরক্ত জনগণ ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিক্ষোভ শুরু করে। এরপর প্রায় ১৭ দিন তুমুল সংঘর্ষ ও সহিংসতা দেশটির রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পথ দেখায়। জনতার দাবির সামনে নতি স্বীকার করে ১১ ফেব্র“য়ারি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন হোসনি মোবারক। অনেকটা এ পথ ধরেই ২০১১ সালেরই ১৭ ফেব্র“য়ারি বেলা শেষের গান শুনতে পান লিবিয়ার মুয়াম্মার গাদ্দাফি। তবে লিবিয়ায় ছড়িয়ে পড়া গাদ্দাফিবিরোধী বিক্ষোভ ও লড়াই আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে লড়াই চলার পর প্রতিবাদ সংগ্রাম আস্তে আস্তে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন লড়াইয়ের পর ২০ অক্টোবর নিহত হন গাদ্দাফি। এরপর থেকে আজ অবধি চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে লিবিয়া। অন্যদিকে সিরিয়ায় এখনও অব্যাহত রয়েছে বাশার আল আসাদবিরোধী আন্দোলন। ২০১১ সালের ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ওই সহিংসতায় এযাবৎ নিহত হয়েছেন ৪০ হাজারের বেশি মানুষ। সব থেকে চিন্তার বিষয় এ সংঘর্ষে নিহতদের সিংহভাগই বেসামরিক নাগরিক।
ক্রমবর্ধমান গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহ। অনেকটা এরই সূত্র ধরে বিক্ষোভের আশংকায় ফুঁসতে থাকা বাহরাইন ও জর্দানের শাসকদেরও ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। বাহরাইনে সাংবিধানিক রাজতন্ত্রের দাবিতে শিয়া সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে ফুঁসে উঠেছিল বিরোধীরা। কিন্তু সুন্নি রাজতন্ত্রের অনুসারী নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপে গত বছরের মার্চেই ওই বিক্ষোভ দমন হয়ে যায়। এর পরও শিয়ারা নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে। আরবের অন্য দেশের তুলনায় জর্দানে বিক্ষোভের ঝড়ো হাওয়ার ঝাপটা অনেকটাই কম লক্ষ্য করা যায়। তারপরও বেকারত্ব, অর্থনৈতিক মন্দা প্রভৃতির বিরুদ্ধে সেখানেও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
তিউনিসিয়ার বিক্ষোভ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। তবে সময়ের আবর্তে লিবিয়ার নয় মাস বিস্তৃত বিক্ষোভ কতটা স্বতঃস্ফূর্ত আর কতটুকু বহিঃশক্তি প্ররোচিত, এ বিষয়ে চিন্তার অবকাশ রয়েছে। একটি প্রশ্ন বার বার ঘুরপাক খেয়েছেÑ যারা লিবিয়ায় গাদ্দাফির বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, তাদের সবাই কি লিবীয় ছিল? তবে একটি কথা বলা যায়, গাদ্দাফি ক্রমে একজন স্বৈরশাসক হয়ে জনগণের সামনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন বিরক্তির প্রতিবিম্ব হিসেবে।
তবে একটা গোষ্ঠীকে নিয়ে একটি সফল রাষ্ট্র গঠনের কৃতিত্ব কিন্তু গাদ্দাফিরই। গাদ্দাফি যখন তেল বিক্রির টাকায় একটি আধুনিক লিবিয়া গঠন করে জনগণকে প্রায় সব ধরনের নাগরিক সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন তখনও প্রথম বাধ সেধেছিল মার্কিনিরা। এভাবে বিশ্লেষণ করে তারিক রামাদান দেখাতে চেয়েছেন স্বৈরশাসককে সরাতে চাইলে লিবীয়রা আন্দোলন করতে পারে ঠিক। কিন্তু এই আন্দোলনে বাইরের শক্তির কাছে দেশ বন্ধক রাখা হল কেন? মোদ্দাকথা, তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাইছেন এখন লিবিয়ার তেলের ওপর সরাসরি পশ্চিমা আধিপত্য কে মোকাবেলা করবে। পদলেহী গণতান্ত্রিক সরকারের তুলনায় স্বৈরতান্ত্রিক গাদ্দাফিই এক্ষেত্রে ছিলেন পশ্চিমের বুনো ওলের বিপরীতে একজন স্বয়ংসম্পূর্ণ বাঘা তেঁতুল। তাই তিউনিসিয়ার ফুলেল বসন্তের বিপরীতে লিবিয়ার বসন্তকে অনেক বিশ্লেষক সরাসরি ফুল-ফলবিহীন নিরস কাঠখোট্টা বসন্ত বলতেই আগ্রহী। অনেক বিশ্লেষক বিরক্তির চরমে উঠে সরাসরি লিবিয়ার এই বসন্তকে গুঁটিবসন্তের মতো যন্ত্রণাদায়ক রোগ বলতে চাইছেন, যার মাধ্যমে লিবিয়াবাসী তাদের দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তির পথ পরিষ্কার করেছে।
মিসরের ঘটনাটি আরেকটু ভিন্ন চোখে দেখতে হয়। কারণ সেখানে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারক এক সময় পশ্চিমাদের প্রিয়পাত্র হিসেবেই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে নিজের অবস্থান সমুন্নত করেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের চক্ষুশূল হওয়া ক্যাম্পডেভিড চুক্তিকারী আনোয়ার সাদাতের মতোই পশ্চিমপ্রেমিক ছিলেন এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে। তিনি প্রতিটি পদক্ষেপেই পশ্চিমকে একান্ত মুরুব্বি মানতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ভোল পাল্টে যায় তার। বস্তুত সময় সুযোগ বুঝে মোবারক মুরুব্বিদের অগ্রাহ্য করতে থাকেন, যাতে বিরক্ত হয়েছিলেন তার পশ্চিমা বন্ধুরা। তাই পশ্চিমারা তাকে সরাতে চেয়েছে। মোবারককে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে নতুন করে পশ্চিমের লেফাফাদুরস্তির পৃষ্ঠপোষক একজন আজ্ঞাবহকে ক্ষমতায় বসাতে চাইছিলেন তারা। কিন্তু মাঝপথে তরী উল্টে গিয়ে ঘটেছে ঘোরতর বিপত্তি। মোবারকের পতনে অনেকটাই খাল কেটে আনা কুমিরের মতো হাজির হয়েছেন মুরসি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর নিজেকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে ঘোষণা করে মুরসি যে ডিক্রি জারি করেন, তাতে তার মোবারকের চেয়েও বড় স্বৈরশাসক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
প্রাথমিক বিশ্লেষণে বলা যায়, আরব বসন্তের উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি, বেকার সমস্যার সমাধান, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। অর্থাৎ এ দেশগুলোতে মানুষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে এনে তাদের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চেয়েছিল। সে অধিকার তারা কতটুকু ফিরে পেয়েছে বা আদৌ পেয়েছে কি-না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ইতিমধ্যেই আরব বসন্তের বিপরীত দৃশ্যগুলোর মঞ্চায়ন শুরু হয়ে গেছে আফ্রিকার নানা দেশে। তবে আরব বসন্তের এ দিকটিকেই ভয়ংকর হিসেবে উপস্থাপন করেছে প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস। এতে এক নিবন্ধে বলা হয়, ‘আরব বসন্তের বিপ্লবে জীবনের শেষ দিনগুলোতে অনেকটাই একঘরে হয়ে পড়েন লিবিয়ার সাবেক একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফি। তিনি সবার জন্য সতর্কবাণী রেখে যান। তিনি বলেছিলেন, তার পতন হলে উত্তর আফ্রিকায় সংঘাত ও ধর্মযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে। তার আশংকা ছিল লিবিয়ার সমুদ্র ও স্থলপথে মানুষকে জিম্মি করতে হাজির হতে পারে বিন লাদেন ও তার অনুসারীরা। ফলে জলদস্যুতা, হাঙ্গামা, দাঙ্গা আর লুটতরাজের সেই বেদুইন সংস্কৃতি আবার ফিরে আসতে পারে।’
তবে উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে গাদ্দাফির সেই সতর্কবাণীই সত্য হয়ে ফলতে শুরু করেছে। মালিতে ইসলামপন্থী টুয়ারেগ বিদ্রোহীদের হামলা ও অভিযানের পাশাপাশি অনেক অঞ্চল বিদ্রোহীদের দখলে নেয়ার ঘটনা গাদ্দাফির হুশিয়ারির কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে বিদ্রোহীদের দমনে ফ্রান্স সেনাবাহিনী পাঠিয়েছে। বিদ্রোহীদের দখলে থাকা অঞ্চল কমপক্ষে জার্মানির দ্বিগুণ। অন্যদিকে আলজেরিয়ায় ইসলামপন্থীদের হাতে বিদেশী নাগরিকদের জিম্মি হওয়ার ঘটনা একটি রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনাপর্বকে চিহ্নিত করে। অনেক প্রাণের বিনিময়ে সে জিম্মি নাটকের অবসান হলেও উত্তর আফ্রিকায় সংঘাত-হাঙ্গামা ক্রমশ প্রলম্বিত হচ্ছে। অব্যাহত গৃহযুদ্ধে রক্তাক্ত হয়েছে সিরিয়া। দেশটির চলমান গৃহযুদ্ধে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ আর গৃহহীন হয়েছে কয়েক লাখ।
কয়েকজন বিশ্লেষক সরাসরি দাবি করেছেন, সিরিয়ায় বাশার আল আসাদবিরোধীদের নানাভাবে এমনকি অস্ত্র দিয়েও সহযোগিতা করছে পশ্চিমারা। বিশেষ করে পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম নানাদিক থেকে বিদ্রোহীদের কর্মকাণ্ডকে স্বীকৃতি দিয়ে ওই সহিংসতাকে আরও চাঙ্গা করেছে। চলমান আন্দোলনকে ভয়াবহভাবে উস্কে দেয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স ভূমিকা রেখে চলেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। তাই হয়তো একদিন বেন আলী, মোবারক কিংবা গাদ্দাফির মতো বাশার আল আসাদেরও পতন হবে। কিন্তু সেখানেও ওই একই প্রশ্নই ঘুরে ফিরে আসবে। অর্থাৎ ক্ষমতাটা বাস্তবে সিরীয়দের হাতেই থাকবে নাকি সময়ের সঙ্গে ভোল পাল্টে পশ্চিমের পদানুগ্রহে ধন্য হবে তখনকার শাসকরা?
মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত বসন্তের পথ ধরে এক অনগত বসন্তের সুবাস বইতে শুরু করেছে মার্কিন মুল্লুকে। অবশ্য অনেক বিশ্লেষক বলছেন, মার্কিনিদেরও দুঃসময়ও ঘনিয়ে আসছে। সে দেশেও অধিকার-সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ‘আমরাই ৯৯%’ স্লোগানে প্রকম্পিত করেছে ওয়ালস্ট্রিট। কোন এক প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক বলে গেছেন, কারও দিকে একটি আঙুল তোলার সময় খেয়াল করো, কয়েকটি বিপরীত আঙুল তাক হয়ে যাবে তোমার নিজের দিকেই। তাই অধিকারবঞ্চিত এসব মানুষের ওয়ালস্ট্রিট দখলের আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে একটি অশনিসংকেত বয়ে আনবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
গণতন্ত্রের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই একনায়ক শাসকদের ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছিল আরব তথা মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ। ‘আরব বসন্ত’ নামে মিডিয়ায় ঝড় তোলা এই রণভেরিতে প্রথম যুদ্ধের সুর তুলেছিল তিউনিসিয়ার বিপ্লবী জনগণ। ক্রমে এই রণতূর্য নিনাদ করে ফিরেছে আরবের দেশে দেশে, যেখানে স্বৈরতান্ত্রিকতার ছোবলে মানবাÍা মৃতপ্রায় ছিল। এ বজ্রনিনাদে একের পর এক শতচ্ছিন্ন হয়েছে তিউনিসিয়া, লিবিয়া, মিসরের স্বৈরতান্ত্রিকতার পাৎলুন। স্বৈরশাসকদের পরাভূত করার পরও ওই দেশগুলোতে আমজনতার কর্ণকুহরে আজও ধ্বনিত হয় না বসন্তের কোকিলের মিষ্টিসুর। পুরো বিশ্বমানবতাকে অসহায় দাঁড় করিয়ে রেখে তারা আজও ঘুমাতে যায় বুলেট বোমার গগনবিদারী শব্দে। এভাবেই কেটে যাচ্ছে তাদের এক-একটি নিদ্রাহীন কিংবা দুঃস্বপ্নে জর্জরিত ভোর। ফুলে সুবাসিত পাখির কলতানে মুখরিত যে বসন্তের স্বপ্নে তারা বিভোর হয়েছিল, তা আরও প্রলম্বিত হয়ে ক্রমশ অধরা হয়ে যাচ্ছে আজ। তাই সহজেই বলা যায়, আরব বসন্তে ফুল ফোটার জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে আরও অনেক দিন।

যুগান্তরে প্রকাশিত
মোঃ আদনান আরিফ সালিম :ইতিহাস-প্রত্নতাত্ত্বিক, গবেষক

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s