ইতিহাসের ব্যবসা, ও ব্যবসায়ীর ইতিহাসতত্ত্ব


ইউরোপে আলোকপ্রাপ্তির পর থেকে ইতিহাস-সমাজবিজ্ঞান-নৃবিজ্ঞান-প্রত্নতত্ত্বের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এক সময় দেখা যায় এগুলোকে সামনে রাখলে অর্থযোগের সুযোগও রয়েছে। বিপত্তি বাধলো তখন থেকে। আজকে যখন দেখতে হয় একজন ইতিহাস ব্যবসায়ী ইতিহাসচর্চা করে উদরপূর্তি, তরল গলধ:করণ কিংবা তার মার্সিডিজ বদলে লিমোজিন কেনর জন্য। সত্যি বার বার আঁতকে উঠি। কিন্তু অনেকে ইতিহাস অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনুভব করে, চর্চাটা তার জন্য গভীর ভাবাবেগের বহি:প্রকাশ মাত্র। এখানে চিন্তার গুরুত্ব ভাবালুতাকে ছাপিয়ে গেলেও মন-মগজ সরলরৈখিক থাকে না। তাইতো অনেক সময় ইতিহাসবিদ হয়ে ওঠেন ইমোশোনাল সাইকোপ্যাথ। গবেষণার ক্ষেত্রে এদুয়ের সমন্বয় আর কিংকর্তব্যবিমূঢ়তার ভেদরেখাটা স্পষ্ট করা জরুরী। না হলে চর্চিত ইতিহাস আর অতীত মানুষের জন্য কৃত উপহাস হয়ে উঠবে সমার্থক। এক্ষেত্রে ইতিহাসের ব্যবসা আর ব্যবসায়ীর ইতিহাসতত্ত্বটা স্পষ্ট হওয়াটা জরুরী। কারণ ব্যবসায়ী ইতিহাস চর্চা করবেন তার ব্যবসা প্রসারের জন্য। অন্যদিকে ইতিহাসবিদন যখন বিদ্যাকে পুজিঁ করে ব্যবসা করতে চাইবেন তখন তাকে ইতিহাসবিদের খাতা থেকে নামটা কেনে নেয়াই ভালো। নাহলে ঘোর বিপত্তি।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s