মনে হয় মাঠ হয়ে যাই যেখানে ঝরে স্বস্তির বৃষ্টি

এক.
বৃষ্টিগুলো আমার কাছে কেমন যেনো বেতাল মনে হচ্ছিল।
সকাল থেকেই নতুন ধানের তুষ ছড়ানোর মতো ঝুর ঝুর করে ঝরেই চলেছে,
চৈত্রের ঋণ সততায় সাথে পূরণ করতে এতটুকু বিরাম নাই।
জরুরী কাজে চিড়িয়াখানার কাছাকাছি গেছিলাম এবং অবশ্যই ছাতা ছাড়া।
বৃষ্টিতে ভিজে অনেকটাই বটগাছের ঝুরির মতো মুখের উপর এসে পড়ছে চুলগুলো। ফুটপাত ধরে এগুচ্ছি। একটা সেলুন বেখেয়ালে আয়নায় চোখ যায়। মনের অজান্তেই গালি দিয়ে বসি নিজেকে -শ্লা উজবুক। Continue reading মনে হয় মাঠ হয়ে যাই যেখানে ঝরে স্বস্তির বৃষ্টি

পিনাকী, পুনম পাণ্ডে কিংবা একজন মেহজাবিন চৌধুরী আর বাংলার Bumপন্থা

1044350_677085948983955_947107735_n
আলোচিত সেই র‌্যাম্পে মেহজাবিন

তব্দা খাইছেন!! না এখনি খাইয়েন না। আগে পুরোটা পড়েন তারপর খাইয়েন, নাইলে না। পান্তা ভাতে ঘি এর মতো নিতান্ত তিনটি ভিন্ন ধারার চরিত্র কিভাবে এক সরলরেখায় এলো? বলতে চাইছি সমসাময়িক কিছু ঘটনা এই তিনটি ভিন্ন চরিত্রকে একই সরল রেখায় এনে দাঁড় করিয়েছে। তবে আমজনতার জন্য এই তিনজনের পরিচয় একটু বলে নেয়া ভালো। সামু ব্লগে পিনাকী নিজের পরিচয়টা দিয়েছেন এভাবে ‘চিকিসক, লেখক। কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, আমাদের অর্থনীতি’।থাক উনার পরিচয় নিয়ে আলু পটল না মাখিয়ে পুণম পাণ্ডেতে যাই। পিনাকী থেকে পুনম পাণ্ডে এই যাত্রাপথে প্রথম আলো আমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে বিজয় মালিয়ার কিংফিশার মডেল হান্টে প্রাপ্ত ক্যালেন্ডার গার্ল/প্লেবয় কভার গার্ল/ হটি-নটি পুনম পাণ্ডের সাথে যিনি নাকি ভারতীয় দল বিশ্বকাপ জিতলে নিজের প্রায় দেখিয়ে দেওয়া শরীরের ঢেকে থাকা কিঞ্চিত পরিমাণ অংশও জনতার সামনে উন্মুক্ত করে দেবেন। আর লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার মেহজাবিন চৌধুরী অনেক আগে থেকেই ফেসবুক সেলিব্রেটিদেরে ঈর্ষার কারণ। তাদের ধারণা এতো গালি ঝাড়লাম, শুশীল সাজলাম, চেতনা ছড়াইলাম লাভ হৈলো না। এই লিকলিকে দেহের হাল্কা-পাতলা সেদিনের মেয়েটা কি এমন তেঁতুল ছড়াইলো যে পুলামাইয়্যা নির্বিশেষে তার ফলোয়ার হৈয়া লালা ঝরাতে শুরু করলো। তবে আজকে যে নাটকটি আমি তুলে ধরতে চেয়েছি তার অঙ্ক দুটি। Continue reading পিনাকী, পুনম পাণ্ডে কিংবা একজন মেহজাবিন চৌধুরী আর বাংলার Bumপন্থা

একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দু:স্বপ্ন

nz169এক. একটা ইন্টারভিউ দিয়ে বিকেলে বাসায় ফিরছিলাম। আশেপাশে অনেকগুলো নির্মাণাধীন ভবন। হয়তো এগুলোর কোনো একটার পাশ দিয়ে আসার সময় উপর থেকে টুপ করে কি জানি মাথায় পড়লো। আস্তে আস্তে যন্তণাদায়ক দুনিয়া স্বর্গের মতো মনে হচ্ছিল। বেখেয়ালে পথ চলতে গিয়ে কখন উপর থেকে মাথায় ইটের টুকরোটা পড়লো বুঝতেই পারিনি। আস্তে আস্তে দৃষ্টি থেকে পর্দা সরে যাচ্ছে… হাজার বছরের সভ্যতা উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। লটকন-জাম-আনারস আর গাবগাছে ভরপুর উয়ারী বটেশ্বর। নিভৃত গ্রাম রাইঙ্গারটেক। কাকডাকা ভোরে উঠতে হচ্ছে, কিন্তু কোনো কাউয়ার দেখা পাইনা। একটু পরেই প্রফেসরের তাড়া। মালসামানদি প্যাক কৈরা এযুগের ফেরাউন মুক্তার হাজির। তার সেই বিখ্যাত রিংটন মোরগের ডাক. কক কক কক.। স্যার বেটাকে কত ধমকেছেন। কিন্তু এরশাদ কাকার মতো ধৈরাই রাখছে এই যুগের সরকার, মোরগ লোকের দরকার, আর আমার চাই রিংটোনে মোরগ। বেকুবটা চিল্লছে, ভাইয়ারা উঠেন স্যার বকা দিবে। আমরাও তড়িঘড়ি করে উঠলাম। দৌড়ে ঢুকলাম টিনের ঝুপড়ি টাইপ প্যালা দেয়া বাথরুমে। দুর্গন্ধে বমি ঠেলে আসে, তবুও মনে হচ্ছে ভেতরে ঢুকে একপ্রস্থ ঘুমিয়ে নেই। বাইরে থেকে ধুম করে লাত্থি পড়ে দরাজায়। বাইরে থেকে মিরাজ চিল্লাছে ঐ … বাইরা। বের হয়ে ফ্রেশ হই, তারপর নাস্তার টেবিল. যথরীতি সবাই নড়েচড়ে বসার আগেই আমার হাত ধোয়ার শেষ। মিজানুর ভাই রেগে গিয়ে বলে ঐ খাওয়াটা ঠিকঠাক খা। একটু ভেংচি টাইপ হাসি দিয়ে বেরিয়ে আসি পাইচারি করতে থাকি বাইরে। Continue reading একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দু:স্বপ্ন

বাঙালির অস্ট্রেলিয়া অভিযানের ইতিকথা

2013-07-04-17-58-32-51d5b7c802ac6-untitled-3অস্ট্রেলিয়ার অধিবাসীরা নদীটির নাম দিয়েছিল ডার্লিং রিভার। বাংলা করলে দাঁড়ায় প্রিয়তমা নদী। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আরেকটি নদী, নাম তার মারি। বাঙালির অস্ট্রেলিয়া অভিযানের সঙ্গে এই দুই নদীর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেছে। এই শতক বা তার আগের শতক নয়। একেবারে উনিশ শতকে বাঙালি অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিল। নাবিক পেশার সূত্র ধরে হকার-পাচক-সার্কাসের কৌতুক অভিনেতা থেকে শুরু করে একেবারে উটের ব্যবসাও করেছে তারা। কিন্তু বাংলায় উট কোথায়। কীভাবেই তারা এত বিশাল জ্যান্ত প্রাণী ৫০০ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, পার্থ ও ব্রোকেন হিলে যেত, সেই আখ্যান খুঁজে পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইতিহাসের গবেষক সামিয়া খাতুন। Continue reading বাঙালির অস্ট্রেলিয়া অভিযানের ইতিকথা