পিনাকী, পুনম পাণ্ডে কিংবা একজন মেহজাবিন চৌধুরী আর বাংলার Bumপন্থা


1044350_677085948983955_947107735_n
আলোচিত সেই র‌্যাম্পে মেহজাবিন

তব্দা খাইছেন!! না এখনি খাইয়েন না। আগে পুরোটা পড়েন তারপর খাইয়েন, নাইলে না। পান্তা ভাতে ঘি এর মতো নিতান্ত তিনটি ভিন্ন ধারার চরিত্র কিভাবে এক সরলরেখায় এলো? বলতে চাইছি সমসাময়িক কিছু ঘটনা এই তিনটি ভিন্ন চরিত্রকে একই সরল রেখায় এনে দাঁড় করিয়েছে। তবে আমজনতার জন্য এই তিনজনের পরিচয় একটু বলে নেয়া ভালো। সামু ব্লগে পিনাকী নিজের পরিচয়টা দিয়েছেন এভাবে ‘চিকিসক, লেখক। কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, আমাদের অর্থনীতি’।থাক উনার পরিচয় নিয়ে আলু পটল না মাখিয়ে পুণম পাণ্ডেতে যাই। পিনাকী থেকে পুনম পাণ্ডে এই যাত্রাপথে প্রথম আলো আমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে বিজয় মালিয়ার কিংফিশার মডেল হান্টে প্রাপ্ত ক্যালেন্ডার গার্ল/প্লেবয় কভার গার্ল/ হটি-নটি পুনম পাণ্ডের সাথে যিনি নাকি ভারতীয় দল বিশ্বকাপ জিতলে নিজের প্রায় দেখিয়ে দেওয়া শরীরের ঢেকে থাকা কিঞ্চিত পরিমাণ অংশও জনতার সামনে উন্মুক্ত করে দেবেন। আর লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার মেহজাবিন চৌধুরী অনেক আগে থেকেই ফেসবুক সেলিব্রেটিদেরে ঈর্ষার কারণ। তাদের ধারণা এতো গালি ঝাড়লাম, শুশীল সাজলাম, চেতনা ছড়াইলাম লাভ হৈলো না। এই লিকলিকে দেহের হাল্কা-পাতলা সেদিনের মেয়েটা কি এমন তেঁতুল ছড়াইলো যে পুলামাইয়্যা নির্বিশেষে তার ফলোয়ার হৈয়া লালা ঝরাতে শুরু করলো। তবে আজকে যে নাটকটি আমি তুলে ধরতে চেয়েছি তার অঙ্ক দুটি।

অঙ্ক এক.

শুরুতে পিনাকীকে নিয়েই বলছি যিনি মেহজাবিনের সাম্প্রতিক একটি র‌্যাম্পওয়াকের কঠোর সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন সামু ব্লগে। ভনিতা না করলে ঐ পোস্টের শিরোনামই হচ্ছে ‘হোয়াটস রং উইথ মেহজাবিন? ঘটনার শুরুটা পাকিস্তানি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির সাথে মেহজাবিন কেনো বিলাইহাঁটা হাঁটলো। আসলে বয়স কম তো, আর অনেকটা আনাড়ি হিসেবে ফেসবুক ফলোয়ার বাড়ানো এই মেয়েটি চেতনা ব্যবসার যুগের দায় মেটাতে অক্ষম। তাইতো এককালে ‘ম্যারি মি আফ্রিদি’ বৈলা ফাল দিয়া ওঠা নারীদের কাতারে নাম লিখাইয়া সেও ফেসবুকে ছবি পোস্ট দিয়ে ফেলে। পিণাকীর ভাষায় ‘মেহজাবিনের এই ক্ষণিকের ভালো লাগা তার আফ্রিদি সংক্রান্ত তিনটি অপরাধের জন্য তাকে অনন্তকাল জ্বালাবে।’ এখানে নাকি মেহজাবিনের অপরাধ তিনটা। পয়েন্টগুলো বোল্ড আকারে তুলে ধরছি। বিশ্লেষণগুলো পিনাকীয় থেকে পড়ে নিয়েন। অপরাধগুলো ছিলো..

১/ জাতীয় অবমাননার অমীমাংসিত অধ্যায়ের অবজ্ঞা।

২/ জনতার সার্বভৌম ইচ্ছার সাথে বিচ্ছিন্নতা।

৩/ পেশার সাথে অসততা।

এখানেই ক্ষ্যামা না দিয়া পিনাকী তার ফেসবুকে আরো বলেছিলেন। শহীদআফ্রিদির সাথে ক্যাট ওয়াক করার অন্তর্নিহিত সমস্যাটা কোথায়, সেটা অল্পবয়সে তুমি বুঝতে পারোনি। কিন্তু এই কাজটা তোমার ভবিষ্যতকে অন্ধকার করেদেবে।এই ছবিটা ফটোশপ করা। কিন্তু এই ছবিটাই তোমার ভবিষ্যঅবস্থানের প্রজেকশন। তোমার ফিউচার পারসোনালিটি। ইউ ডিড অ্যা টেরিবলমিস্টেক। তোমার আবিষ্কৃত ভাষায় বললাম ছি ছি ছি তুমি এত্তগুলা পচা?বাই দ্যা ওয়ে, তোমার ফেসবুক পেজের লাইক গুলো কী ভায়া বাঁশের কেল্লা হয়েআসে, নাকি তোমার পেজ থেকে লাইক গুলো বাঁশের কেল্লায় যায়? কিন্তু দেশে যেখানে গ্রাফিক ভায়োলেন্স নিয়ে এতো কথা হচ্ছে একটা মেয়ের মুখে পাকিস্তানি পতাকা ছেপে দেয়া নিয়ে চেতনা ব্যাবসায়ীরা মুখ খুলতে ভয় পেলেন।

1010903_676655265693690_561199558_n
তেনার ঐ মধুমাখা স্ট্যাটাসের সাথে যুক্ত ফটোশপ এডিটেড ছবিটা। যা গ্রাফিক ভায়োলেন্সের আওতায় পড়ে।

নাটকের শেষে দেশে জনগণ মুচকি হাসি দিলো।বেকুবরা তিনবার হাসি দিলো। কেউবা চেচাইয়া কৈলো বাচ্চালোগ তালিয়া বাজাও। মেহজাবিনরে আনসাবস্ক্রাইব করো। সবে তালি দেয়ার জন্য হাতে খাঁটি সর্ষের তেল লাগাইয়া রেডি হৈতেছি। মেহজাবিনকে আনফলো/আনফ্রেন্ড করার জন্য সবে মাউস কিবোর্ড হাতে নিয়া কম্পুটারের সামনে ঝাঁপাইয়া পড়ছি। ঠিক এই সময়েই অবিশ্বাসীদের চোখে আলকাত্রা লাগাইয়া নাটকের দ্বিতীয় পর্ব মঞ্চস্থ হৈয়া গেলো। বাচ্চালোগ তাই তাই খেলা বাদ্দিয়া আম্মু ফিডার কৈ বলিয়া চেচাইলো। আমরা বেকুবের মতো মাউস কিবোর্ড লৈয়া এই খেলা দেখুম নাকি টম এন্ড জেরি দেখমু ভাবতেছি!!!!!

অঙ্ক দুই.

১৯৭১ এ বাংলাদেশকে একটি শ্মশানে পরিণত করতে যে নিয়াজীর নেতৃত্বে হানাদার পাক বাহিনী হামলে পড়ে তার ভাইপো ইমরান খান নিয়াজী দর্শনে এবার পিনাকী স্বয়ং ফ্রাঙ্কেস্ট্যাইনরূপে আবির্ভূত হৈলেন। তিনি চেতনা ব্যবসার দোকানের সাটারটা হালকা ডাউন করে দিয়ে ফাকিস্তানি প্রেমে মজিত হওয়ার সুখস্মৃতির মধুবয়ানে প্রবৃত্ত হয়েছিলেন। দেখাগেলো বর্তমান পাকিস্তানের তেহরিক ই ইনসাফ এর নেতা, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির প্রত্যক্ষ স্মারক নিয়াজী ভাইপো এম্রান খানের সাথে সহযাত্রার ধারাবিবরণী দিচ্ছেন এভাবে ‘আমি তখন রোন পুল্যাংকের অনকোলজি ম্যানেজার। ইমরান খান লাহোরে তাঁর মায়ের নামে ক্যান্সার হাসপাতাল করেছেন। শওকত খানম মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতাল। আমি ভাগ্যগুণে শওকত খানমে মেডিক্যাল অনকোলজিতে একটা স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলাম। হাসপাতালটা ছিল সে সময় ইন দ্যা মিডিল অব নো হোয়ার। ইচ্ছে ছিল একদিন ইমরান খানের সাথে দেখা করবো। দুদিন ট্রাই করে তৃতীয় দিন যখন ফিরে আসছি তখন উনার সেক্রেটারি আমাকে একটু বসতে বললেন। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর ইমরান খান মোবাইলে কথা বলতে বলতে ঢুকলেন। হাত বাড়িয়ে বললেন, অ্যাম সরি ডক্টর, আই অয়াজ নট ইন দ্যা সিটি।’

470538_686803991345484_1653068103_o
মহান পিণাকী সাহেবের সাথে এম্রান খান

এইবার তালি দেয়ার জন্য প্রস্তুত বাচ্চালোগ নড়িয়া চড়িয়া বসিল। ডাক্তার আইজুর মুখ থেকে অমিয়বাণী শুনিয়া প্রীত হৈলো ফেসবুকবাসী। আম-জনতাও কিবোর্ড-মাউস লৈয়া সম্মুখ যুদ্ধ ঘোষণা করিয়া ব্লক আর আনফ্রেন্ডের এটম বোমার সর্ষেক্ষেতের সামনে নাচার হৈয়া গেলো। অনন্যোপায় চীনাবাদাম কিংবা রাশানBum দের স্বভাবসিদ্ধ মোজেজা আর কেরামতিতে ফেসবুকের জ্যোতি নিভে গেলো।

আমজনতার মধ্য হৈতে জনৈক Jobayer Rahman প্রশ্ন ঠুকিয়া বসিলেন ‘হাহাহা মেহজাবিন তার পেশাগত কারনে আফ্রিদির সাথে র্যাম্পে হাটলে চেতনাধারিরা জ্বইলাপুইড়া যায়। তারা এখন কি বলবে?’ চীনা বাদামা কিংবা রাশানBum দের স্বভাবসিদ্ধ কায়দায় প্রশস্ত বক্ষ চেগাইয়া প্রতিরোধ করলেন পিণাকী। তিনি বললেন ‘Jobayer Rahman কপি করে রাখতে পারেন ছবিটা কাজে দিতেও পারে। ইমরান খানের হাসপাতালে কাজ করতে যাওয়া আর আফ্রিদির সাথে ক্যাট ওয়াক করা দুইটা এক জিনিস?’ আমজনতা বুঝিলো এফ টিভিতে এ.ভি.এন অ্যাওয়ার্ড দেখা পাপের কিন্তু সানি লিওন অপ্সরাদের ২১ শতকের রূপ ধরিয়া আসিয়াছেন।তার পুত পবিত্র খোমা দর্শনে চিত্ত বিগলিত হয়। কিঞ্চিত লালা ঝরলেও তা আজন্ম পুজিঁ করা চেতনার সম্মুখে তা অতটা ক্ষতিকর নয়।

যাইহোক বামবিরোধী আমজনতার প্রতিনিধি Jobayer Rahman ও ছাড়িবার পাত্র নন। মুহাহাহা স্টাইলে চেচাইয়া হ্যাতে কৈলেন  ‘মেহজাবিনের পেশা ওটা। কিন্তু ইমরান খানের সাথে দেখা করা কি আপনার পেশার মাঝে পরে? নাকি শুধুই ফেমাস ক্রিকেটার বলে এতো চেষ্ঠা করে দেখা করেছিলেন? আর তার হাসপাতালে কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে ভাগ্য মনে করতেছেন। আর কিছু বলার দরকার আছে?’ এই প্রশ্নে দিশেহারা পিণাকী বুঝিলেন নাচার বালকটিকে শিক্ষা প্রদানের মহেন্দ্রক্ষণ আসিয়া দ্বারে উপস্থিত। তিনি চীনাবাদাম আর রাশানBum কূলে ব্রহ্মাস্ত্র সহযোগে ঝাঁপাইয়া পড়িলেন। অনলাইন ফেসবুকবাসী ভাবিবেন ইহা কি এমন ভয়াবহ অস্ত্র?

ধুচ্ছাই এইটা আর কিছুই না অবলার ব্রহ্মাস্ত্র যেমন তার কুম্ভীরাশ্রু তেমনি এই চীনাবাদাম আর রাশানBum দের ব্রহ্মাস্ত্র হৈলো যুক্তিতর্কে অপারগতা পরবর্তী ফাপরবাজি। পিণাকী স্ব-মূর্তিতে আবির্ভুত হৈয়া কহিলেন ‘মেহজাবিনের বিষয়ে আমি ব্লগে যুক্তি লিখেছি সেটা পড়ে দেখতে পারেন, তর্ক করার সমাওয় নাই আপনার সাথে। আমি কেন উনার সাথে দেখা করতে গেছি সেটার জবাব আপনাকে দেয়া অনাবশ্যক। ইউ আর নো বডি’। আমজনতা বুঝিলো চেগাইয়া চেতনার ব্যবসা করতে গেলে বডি অনেক গুরুত্ব পূর্ণ। ইন্ডিয়ার সেন্টের এডগুলোতে যেমন বডি দেখানো হয় এখানেও তিনি যুবায়েরকে ডেডবডি বানাইয়া রণে ক্ষ্যামা দিলেণ। হয়তো ব্লক খাইয়া নিহত যুবায়েরের আইডির লাশটা এখনো ফেসবুকের কোনো চিপাইয়া শুইয়া আছে, স্রষ্টা তার মৃত ফেসবুকাত্মাকে শান্তি দেন। বাচ্চালোগ এবার নির্ভয়ে… তালিয়া বাজাও।

পাদটীকা: অনুসন্ধিৎসু মন কিছু প্রম্ন রেখে যায়।

১.অনেকটাই অরাজনৈতিক একজন খেলোয়াড় হয়তো ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তার জন্মই হয় নাই সেই শহীদ আফ্রিদির সাথে ক্যাটওয়াক করে মেহজাবিন চৌধুরীর মতো মডেল জঘন্য পাপ করেছে। এই পাপ খণ্ডানোর জন্য তাকে Bumবাবা পিণাকীর স্ট্যাটাসধুলি কিংবা ব্লগল্যাদানিতে ধন্য হতে হবে।

২.আমি মানছি যে মেহজাবিন আফ্রিদির সাথে হেঁটে মহাপাপ করেছে। কিন্তু একবার কি ভেবে দেখেছেন যে মেয়ে মডেলিং ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সামাজিক রাজনৈতিক অবস্থান আর ফেসবুকীয় Bum রাজনীতির একজন কর্ণধার যিনি নিজেকে একজন লেখক হিসেবেও পরিচয় দিতে ভালোবাসেন তার অবস্থান এক কিনা।

994838_696781517004498_2010230555_n৩.এক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত জাঁকালো পোশাক আর মেকআপে ঢাকা মেহজাবিনকে প্রয়োজন হলে পিণাকী থেকে নিযামী সবাই একটি মঞ্চে তুলে হাঁটাতে কিংবা দৌড়িয়ে নিতে পারে যেটা তার রুটি রুজির পথ। তাই আমি মনে করি মেহজাবিন যদি মহেন্দ্র সিং ধোনীর সাথে ক্যাট ওয়াক করে কিংবা শহীদ আফ্রিদির সাথে করে সেখানে কোনো পার্থক্য নেই।

৪.কিন্তু একজন চেতনার ব্যবসায়ী যখন তার চেতনার দোকানের সাটারটা একটু নামিয়ে, আস্তে করে বাতি নিভিয়ে নিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নৃশংস অবস্থানে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর পরিবর্তিত নামের একটি তেহরিক ই ইনসাফের অন্যতম কর্ণধার ইমরান খানের সাথে বসে মিটিং করে সেটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

৫. এখানে মেহজাবিনকে আফ্রিদি ডাকেনাই, কিংবা মেহজাবিন তিন-পাচ দিন ধরে অপেক্ষা  করে আফ্রিদি দর্শনে ধন্য হয়নি। কিন্তু উল্লেক্য চেতনা ব্যবসায়ী ঠিকই ইমরান দর্শনে নিজেকে ধন্য মনে করছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে কারো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় পাচ্ছেন। কারণ তার বেশিরভাগ সময় মেহজাবিনদের গালি দেয়া কিংবা পুনম পাণ্ডে-সানি লিওনের পেইজে ধন্না দিতেই ব্যয় হয়।

৬. ব্লগার ও আমার প্রিয় কবি রেজওয়ান তানিম এই প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে অনেক বিরক্তিভরে ফেসবুক চ্যাটে  বললেন। পাকিস্থানের রাজনীতিক কাম ক্রিকেটার ইমরান খান বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে জন্ম এবং তিনি এ যুদ্ধে পাকিস্থানের নৃশংসতার বিষয়েও জানেন। অপর পক্ষে আফ্রিদির জন্ম যুদ্ধের অনেক পরে তবুও ইমরান খানের সাথে দেখা করাটা পিনাকীর পুরুষবাদী চরিত্রের কারণে হালাল হয়ে যায় অথচ মেহজাবিনের বেলায় তাকে শূলে চড়ানোর সমতুল্য হয়ে যায়।

তাই আমরা আজজনতা শেষ বেলায় এসে একটা করুণ সুর বার বার শুনতে পাচ্ছি। যতো যাই বলেন নৈতিকতা ও আদর্শের তথাকথিত জিম্মাদার এই দেশের bumপন্থিরা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য আপনার bum এও চুম্মা খাইতে রাজি। আর যখন তাদের সার্থে আঘাত আসে তখন তারা চেতনাবাহী আর বাংলার আপামর জনতা চেতনা বিরোধী। তাই এরপর থেকে যদি কেউ বুড়িগঙ্গার পানিতে তরতাজা ইলিশ দেখতে পান কিংবা সানি লিওনদের কুমারীত্বে বিশ্বাস করেন তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু এদের দ্বিমুখী Bumচেতনার একটি প্রান্তও চেপে ধরতে যাবেন না। বিশেষত স্বার্থের জন্য Bum চুম্মা দেওয়া এই বিশেষ চেতনার সাথে মেলানো যায় ঐ হেডমাস্টারের কুত্তাটাকে। কুত্তাটা যে সময় স্কুলে থাকে তখন বাড়িতে চুরি হয়। আর ঐ কুক্তা বাড়িতে ফিরলে ডাকাতি হয় স্কুলে। শেষে এসে হিম্মতঅলার মতো হিম্মত নিয়ে বলতে হচ্ছে ঐ সব Bum  চেতনার Bum pe Laat.

 

 

Advertisements

8 thoughts on “পিনাকী, পুনম পাণ্ডে কিংবা একজন মেহজাবিন চৌধুরী আর বাংলার Bumপন্থা”

  1. চীন কিংবা রাশিয়ার ধ্রুপদী বাম আন্দোলন বলতে যা বোঝায় বাংলাদেশে এখন তা অবশিষ্ট নেই। উচ্ছিষ্টভোগীর দল বাম আন্দোলনের নামে যে লুটপাটের রাজনীতি করছে জনৈক পিণাকীর এই দ্বি-চরিত্রে তার প্রতিফলন ঘটেছে।

    1. তিনি আফ্রিদির সাথে ওয়াকিং এর জন্য মেহজাবিনকে পারলে ধর্ষণ করা বাকি রাখছেন। কিন্তু দেখাগেলো ইমরান খানের Bum এ চুম্মা দিতে তার Bumঅনুভূতিতে কোনো দাগ লাগে নাই।

  2. বাংলাদেশে, আমার দেখা বামপন্থী- নামে কেউ বই লিখলে তার পৃষ্ঠা সংখ্যা হবে ১, বাক্য হবে ১, শব্দ হবে ১; অসৎ। ‘বিপ্লব’ তাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী জাদুবাস্তবতার সাহিত্য! কখনোই পরিশ্রমী মানুষের স্বপ্ন নয়।

  3. দেশে দেখি ছাগলের বাম্পার ফলন হইতেছে। আপনি বললেই পারেন যে বামদের পছন্দ করেন না। এত পেচান কেন? ইমরান কে কি পাকিস্তানের বাম রা বরজন করেছে। আর হাঁ, আমি যদ্দুর জানি ইম রানের সাথে পেশাগত কারনেই পিনাকির দেখা করতে পারেন। আচ্ছা, বিদেশে কি ব্রাইন ট্রান্স প্লান্ট চালু হইছে, যিনি লিখছেন তার এটা করা দরকার, পিনাকির সাহায্য নিন।

    1. হুম অবশ্যই দেশে ছাগলের বাম্পার ফলন হৈছে। তা না হলে আপনার মতো ছাগলের ল্যাদানিতে এই পোস্ট দুষিত হৈতো না। ছাগল আর ছাগলের বাচ্চার তফাত বুঝেন? ঐটা আগে বুইঝ্যা তার্পর পোষ্টে ল্যাদাইতে আইসেন।

  4. এমরানও একটা লোক, আফ্রিদিও একটা লুক। ওজনডা বুঝিস ভায়া।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s