বায়তুল্লাহ শরীফ বা কাবাঘর সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্য নিদর্শন ধ্বংসের নেপথ্যে


কাবা প্রাঙ্গনের সাম্প্রাতিক সম্প্রসারণ

সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ অধ্যয়ন করছি বিভিন্ন জিওনিষ্ট কাল্ট নিযে। ফ্রিম্যাসনারি চক্রের উপর একটি প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে অনেকটা আগ্রহী হয়েছিলাম তাদের সম্পর্কে। প্রথমে মনে হলো কি এক আজগুবি গুপ্তগোষ্ঠী, কি তাদের দৌড়ঝাঁপ, কতোই বিস্তৃত তাদের কর্মযজ্ঞ। পরিশেষে বুঝলাম হিরাম আবিফ কৃত্যের সেকেলে কুসংস্কার আঁকড়ে এরা এখনো মানুষের ক্ষতি করতে পারলেই খুশি হয়। বিধবার সন্তান হিরাম আবিফের কাছে সলোমন টেম্পলের কি নকশা ছিলো সেটা জানিনা কিন্তু তাদের অন্তরে বদ্ধমূল ধারণ যেভাবেই হোক ভাংতে হবে মসজিদুল আকসা। সেখানেই তাদের ফিলোসফারস স্টোন আছে, সেখানকার কুব্বাতুস সাখরাকে উড়িতে দিলেই দেখা মিলবে অল্টার অব ডেভিডের। যাইহোক বিষয় সেটা নয়। এই ফ্রিম্যাসনদের সম্পর্কে পড়তে গিয়েই জিওনিস্ট কাল্টে বেনজিন চিহ্নের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম। বাংলায় একে আমরা ষড়ভুজ বা ইংরেজিতে হেক্সাগন বলতে পারি। অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করা যাচ্ছে সৌদি সরকার পৈশাচিক উন্মত্ততায় গুড়িয়ে দিয়েছে মক্কার পবিত্রমসজিদুল হারামের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো। মসজিদুল হারামেই রয়েছে পবিত্রকাবা ঘর যা মুসলমানদের কিবলা যার দিকে মুখ করে মুসলমানরা নামাজ আদায় করেন। সেদিন কি মনে করে গুগল আর্থে সার্চ দিয়ে দেখতে চেষ্টা করি। কিছুই না কাবার চতুর্দিকে একটি ষড়ভুজাকার বেষ্টনি তৈরির জন্যই এতো আয়োজন। আসলে জীবনের অর্ধেক সময় মদ-নারী-জুয়ায় চুর হয়ে থাকা সৌদি বাদশাহর কাছে ইতিহাস ঐতিহ্যের মূল্য কোথায়। এতো ঐতিহাসিক সত্য যে ষণ্ডাতন্ত্র সংস্কৃতি বোঝে না।

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ধ্বংসযজ্ঞ ও নতুন স্থাপনা তৈরি

লন্ডনভিত্তিক দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্টএর একটি নিউজ থেকে জানা গেছে, ওয়াহাবি মতবাদে বিশ্বাসী সৌদি কর্তৃপক্ষ সেই স্তম্ভটি গুড়িয়েদিয়েছে যেখান থেকে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) পবিত্র মে’রাজ বাঊর্ধ্বাকাশ সফরের প্রাক্কালে মুসলমানদের প্রথম কিবলা বা আলকুদস অভিমুখেরওনা হয়েছিলেন। সৌদি ওয়াহাবি পুলিশ এই ধ্বংসযজ্ঞকে উতসব (!) হিসেবে পালনকরেছে বলে দৈনিকটি খবর দিয়েছে। ইসরাইলের হাইফা ভিত্তিক একটি প্রত্নতাত্ত্বিক ওয়েবসাইটে সেদিন দেখলাম মসজিদুল আকসার আশেপাশে খনন করছে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয় ও কেমব্রিজের একটি খননকারী টিম। ঐ খননকারী টিমের বেশ কয়েকজন আমার ফেসবুক বন্ধু হওয়াতে এই সম্পর্কে অনেক কিছু জানার সুযোগ হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকেই ইহুদি এই টিমের সদস্যরা যেভাবেই হোক বায়তুল মুকাদ্দাসে ইহুদি অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে এটা বলার অবকাশ নেই। কিন্তু একজন প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক হিসেবে ঐ খননের বিরোধিতা করার কোনো যৌক্তিকতা দেখিনা। বিশেষত আলকুদস বা জেরুজালেমের ওয়াকফ কমিটিরচেয়ারম্যান আবদুল আজিম সালহাব এই খননেরবিরুদ্ধে চলতি বছরের প্রথম দিকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেবলেছিলেন ইসরাইলি খনন কাজ অব্যাহতথাকায় মসজিদটির ভিত্তি হুমকির মুখে রয়েছে। এখানে জনাব আজিম হয়তো পবিত্র মসজিদে ইহুদিদের পদচারণা মেনে নিতে পারেননি বলেই এমন মন্তব্য করে থাকতে পারেন। যেখানে এই মন্তব্যের যুক্তিযুক্ত বিশ্লেষণ করাটা জরুরী।

কাবা প্রাঙ্গনের একটি পুরাতন আলোকচিত্র

তবে চিন্তাশীল মানুষদের একটি প্রশ্ন বার বার কুরে খাচ্ছে তা হলো দুটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের একটি ইসরাইল খনন চালাচ্ছে। অন্যটিতে সৌদি সরকার ভাংচুর চালাচ্ছে। তাহলে প্রতিবাদ হলে তো দুটো ব্যাপারেই হওয়া উচিত। আলকুদস কমিটি মক্কার ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপারে নীরব কেনো ? আর ইসরাঈল ও সৌদি বাদশাহ একই সময়ে ঐতিহ্য আগ্রাসন শুরু করলো কেনো ? হয়তো এমন হতে পারে ইসরাইল কেন এমন কাজ করছে তারউত্তর স্পষ্ট। কিন্তু সৌদি আরবের বাদশাহর নির্দেশে চালানো ধ্বংসযজ্ঞ অবশ্যই নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। বিশেষত কাবার আশেপাশে যদি বিস্তৃত অ্যাম্বুলেটরি বানাতেই হয় তবে সেটা কেনো জিওনিষ্ট সিম্বর ষড়ভুজ হতে হবে। নাকি আরো পাঁচশত বছর পর দাবি করার জন্য যে এই কাবা শরীফও ইজরাঈলের অধিকারে যাক। দখলদার হিসেবে জেরুজালেমের ঐতিহ্য নিদর্শনগুলো ধ্বংস করে তার উপরে নিজেদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করাটা ইসরাঈলের কাজ হতে পারে। এই ভূখণ্ড থেকে  ফিলিস্তিন জাতির   ঐতিহাসিক নিদর্শন মুছে ফেললে এখানে ইসিরাঈলের চাওয়া-পাওয়া পূরণের পথটা অনেক পরিষ্কার হয়ে যাবে। বিশেষত এ অঞ্চলে বর্ণবাদী তথা বহিরাগত ইহুদিবাদীদের উপনিবেশ গড়ে তোলার কাজটাও অনেকসহজ হয়ে আসবে এর মধ্য দিয়ে। এই লক্ষ্য নিয়েই হয়তো মৌলবাদী জিওনিস্টরা ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের ওপরগণহত্যা চালিয়ে এখান থেকে জোর করে তাড়িয়ে দেয় মুসলিম, খ্রিস্টান এমনকি আদিবাসী ফিলিস্তিনি ইহুদিদেরকেও। এডওয়ার্ড সাইদের কোয়েশ্চেন অব প্যালেস্টাইন এর বর্ণনায় এগুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেয়া হয়েছে।

ফ্রিম্যাসনারি চিহ্ন যাকে জোড়া দিয়ে ষড়ভুজ তৈরি করা সম্ভব

ফ্রিম্যাসনারি গোষ্ঠী নিয়ে পড়তে গিয়ে অনেকগুলো গুপ্তজাতিগোষ্ঠীর ব্যাপারে কিছু জানার সুযোগ হয়েছে। বিশেষত জিওনিস্টরা মনে করে স্রষ্টা কেবলমাত্র ইহুদিদের জন্যই তিনি অন্যদেরজন্য দয়ালু বা ন্যায়বিচারক নন!। এই উদ্দেশ্যে তারা একটি উপকথার বিবরণকে সামনে রেখে তিন হাজার বছর আগের কথিত ধর্মরাজ্য পুনর্দখলের অজুহাতে ফিলিস্তিনে একটি ধারাবাহিক গণহত্যা ও দখলদারিত্ব কায়েম করেছে। তাই তাদের কাছে খ্রিষ্টধর্ম কিংবা ইসলামের বিশ্বজনীনতা, সার্বজনীনতা, সহিষ্ণুতা ইত্যাদিঅসহ্য হবেই। এই দিক থেকে মসজিদুল আকসা ও সংশ্লিষ্ট নিদর্শনে তাদের ক্ষোভ থাকাটা স্বাভাবিক। অন্যদিকে গণতন্ত্রবিরোধী পৈশাচিক সৌদি ওয়াহাবিরাও সহিষ্ণুতা, বিশ্বজনীনতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব ও আধ্যাত্মিকতা সহ্য করতে পারেনা। তারা মনে করে এগুলো রাজতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিতে পারে।

শরীআহ আইনের নামে মানুষের কল্লা কাটার আয়োজন

সৌদি রাজবংশীয় শুয়োরগুলো তাই শরীআহ আইনের নামে নিজেদের মনগড়া এমন কিছু আইন চালু করেছে যা পুরোটাই মানবতাবিরোধী। বিশেষত তাদের কল্লা কাটা আইন যে ধরণের ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য সেটা কখনোই গড়ে তুলতে পারেনি সৌদি রাজপরিবার। ইসলামে শাস্তি হিসেব কল্লা কাটার পাশাপাশি ব্যাভিচারকারী ধর্ষককে পাথর নিক্ষেপে হত্যার বিধানও রয়েছে। আর এই বিধান যদি সত্যিকার অর্থেই কার্যকর করা হয় তাহলে বছরের অর্ধেক সময় শার্ম আল শেখ-লাস ভেগাস-বালিতে অর্ধনগ্ন ভুড়ি-নর্তকীর বাহুলগ্ন হয়ে দিন পার করা সৌদি বাদশাহ আগে তার বলি হতো। তাইতো শোনা গেছে লন্ডনের কোন একটা হোটেলে তার অ্যাসিস্টেন্টকে ধর্ষণ করেছে তার সমকামী বস যে কিনা সৌদি রাজপরিবারের ফার্স্ট ব্লাডের মধ্যেই পড়ে। এর পরেও তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে সৌদি শুয়োরগুলো। বিশেষত সৌদি বাদশাহ ও তার পরিবার তথা উগ্র ওয়াহাবিরা তাদের সমমনা ছাড়া অন্য সব মুসলমানকে ‘কাফির’ মনে করে এবংতাদের হত্যা করাকে বৈধ মনে করে। কিন্তু বাস্তবে ইহুদি ও মার্কিনীদের তারা সর্বোচ্চ সম্মান দিচ্ছে এবং এমনকি তাদের বিপুল তেলসম্পদ তুলে দিচ্ছে এসব পশ্চিমা বাপদের হাতে। গত শতকের ৭ এর দশক থেকেই এই ওহাবী হারামিদের কারণে সৌদির তেলে স্ফীতহয়েছে মার্কিন ব্যাংকিং সেক্টর।

সম্রাট শার্লামেন যিনি ইহুদিদের স্থাবর সম্পত্তি নিষিদ্ধ করেছিলেন

যারা ইতিহাস বিষয়ে একটু লেখাপড়ার করেছেন তারাই জানেন ফ্রাঙ্ক সম্রাট শার্লামেন ইহুদিদের স্থাবর সম্পত্তির অধিকার হরণ করলে তারা ব্যাংকিং ব্যবসাকে নিজেদের পাথেয় হিসেবে নেয়। ইতিহাসের ধারায় এই ব্যাংকিং ব্যবস্থারওপর এখন কর্তৃত্বশীল ইহুদি রথচাইল্ড পরিবার। ইতিহাস বলছে এই পরিবারই হিটলারের হলোকাস্টের সময় ইহুদিদের আশ্রয় দিয়েছিলো এবং এরাই ইসরাইলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭০সালে হেনরি কিসিঞ্জার সোনার মানদণ্ড-ভিত্তিক  ডলারের  রথচাইল্ড ফেডারেলরিজার্ভকে সৌদি পেট্রোডলার-ভিত্তিক রিজার্ভে রূপান্তরিত করেন। এর ফলে ব্যাংকিং সেক্টরে রথচাইল্ডদের কর্তৃত্ব আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এখন রথচাইল্ডদের সাথে অথনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনকারী এই সৌদি সরকার যদি ইসলামী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলো ধ্বংস করতে আগ্রাসী ভূমিকা পালন করে সেক্ষেত্রে অবাক হওয়ার কোনো কারণ নাই। কিংবা আরেকটু পরিষ্কার করে যদি বলা যায় এর পেছনে মৌলবাদী ইহুদীরাই সক্রিয় সেটাও বাড়িয়ে বলা হবে না। বিভিন্ন দেশে সৌদি বাদশাহর এজেন্টরা কাজ করে। হয়তো আমাদের দেশেও তারা আছে তাই কেউ সৌদি বাদশাহর লাম্পট্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করেনা। তাই সৌদি বাদশাহ যখন মক্কার ঐতিহ্য নিদর্শন ধ্বংস করছে তখন তথাকথিত ইসলামের ঝাণ্ডধারীরা যারা বামিয়ানের বৌদ্ধ মূর্তি ধ্বংসের সময় হাততালি দিয়েছিলো তারা এখন নীরব। হুম যারা বাবরি মসজিদ ইস্যুতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় জিহাদী জোস দেখিয়েছিলো তারাও এখন নীবর। কারণ এবার আকামটার নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের হিসেবে মুসলিম জগতের মহাত্মা আর চিন্তাশীলদের হিসেবে বিশ্বলম্পট সৌদি বাদশাহ।

রথ চাইল্ড পরিবারের চিহ্ন

সৌদি আদিবাসীদের মধ্যে প্রচলিত একটি মিথ আছে। তারা কেউ বলে থাকেন  সৌদি রাজ-পরিবার ভণ্ড নবী ইয়ামামার বংশধর। এই সেই ইয়ামামা যে কিনা যুদ্ধ করে প্রায় ৫ হাজার হাফিজ সাহাবীকে শহীদ করেছিলো। কিংবা আরেকটি মিথ অনুযায়ী এই বাদশাহ  “দোমনেহ” নামের ইহুদিবা যাযাবর গোষ্ঠীর বংশধর। ইয়ামামার মতো এই গোষ্ঠীও ভণ্ড নবী শাব্বিতিজিবীর অনুসারী। এরা নিজেদেরইসলামের অনুসারী বলে দাবি করলেও সবথেকে বেশি আগ্রহী ছিলো মদ গেলা আর নারী সঙ্গ লাভে। এরাই সমকামীতাকে নতুন করে ফিরিয়ে এনেছিলো পৃথিবীতে। একই সাথে অনেকজন নারী পুরুষের যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার নোংরাচিন্তা এদের মাধ্যমেই সৌদিতে প্রচলিত হয়েছিলো বলে মনে করা হয়। এর পাশাপাশি জুয়া খেলা ও নানাবিধ আচার আচরণে তারা অভ্যস্থ ছিলো যেগুলোকে কখনোই ইসলামের বিধানের সাথে মেলানো যাবে না। এসব মিথের ভাষ্য যদি সত্য হয় হালের সৌদি রাজপুত্তুরের জুয়া খেলা কিংবা রাজমাতা-রাজকন্যাদের সমকামীতার ইতিহাস সম্পর্কেও কারো কোনো ভিন্নমত থাকার নয। আর এরা যে ভিন্নমত সহ্য করতে পারেনা কিংবা জনগণের মত প্রতিষ্ঠিত হতে দেবে না তার প্রমাণ হিসেবেই বাদশাহ ফয়সলকে হত্যা করেছে। কারণ সৌদি বাদশাহদের মধ্যে ফয়সল ছিলেন একটু ব্যতিক্রম। ইসলাঈলকে স্বীকৃতি দিতে ঘাড়ত্যাড়ামি করার পরিণতি তাকে জীবন দিয়ে শোধ করতে হয়েছে।

রথচাইল্ড প্যালেস

জিওনিস্ট গোষ্ঠীগুলোর নানা নামে সক্রিয় চক্রগুলো শুধু মুসলমান নয় পৃথিবীরঅন্য জাতির ঐতিহ্যগুলোকেও ধ্বংস করতে চায়। তারা সহস্রাব্দ ধরে প্রমাদ গুনছে তাদের শেকড় তথা মধ্যপ্রাচ্যে ফিরে যেতে। তারা পুরো বিশ্বের উপর খবরদারিত্বের মাধ্যমে মূলত ব্যাবিলনের রাজা নেবুচাঁদ নেজারের হাতে বন্দিদশার শোধ তুলতে চায়। এক্ষেত্রে রথচাইল্ডের হাতের অগণিত অর্থ তারা কাজে লাগাচ্ছে বিশ্বব্যাপী নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে। এমনকি আমেরিকার ঐতিহ্যগুলোকে ইচ্ছেমত বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছে ইহুদী প্রত্নতাত্ত্বিকরা। জিওনিস্ট কাল্টকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটি বিশেষ অনুদান রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণাতে। ইহুদি পরিবারে কেউ একজন   ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে যদি ইতিহাসবিদ কিংবা প্রত্নতাত্ত্বিক হয় সেটাকে অনেক গৌরবের মনে করা হয়। পাশাপাশি তারা অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন খ্রিস্টান ও মুসলিম প্রত্নতাত্ত্বিককে কিনে নিচ্ছে। তারা এখনো বিশ্বাস করে অন্যের ইতিহাস ধ্বংস করা গেলেই সমুন্নত হবে জিওনিস্ট কাল্ট। আর এর উপর তারা প্রতিষ্ঠিত করবে কিংডম অব হেভেন। সৌদি বাদশাহর কাবা সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্য নিদর্শন ধ্বংস কী তাদেরকে কিংডম অব হেভেনের পথে আরো একধাপ এগিয়ে দিলো কিনা কে জানে ??

Advertisements

One thought on “বায়তুল্লাহ শরীফ বা কাবাঘর সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্য নিদর্শন ধ্বংসের নেপথ্যে”

  1. Your write-ups spur the curiosity but they are badly lack of references. Can you please add reference of the historical information you are giving with your notes.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s