মুড়ির ইতিহাস

ভাষাগত আর পরিবৈশিক প্রেক্ষিতগত বৈচিত্র্য থাকলেও মুড়ির রয়েছে স্বতন্ত্র ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। আমরা ব্লগ, ফেসবুক আর বন্ধু মহলের আলোচনায় যেভাবে তুই মুড়ি খা, ভাই মুড়ি খান সুইটহার্ট তুমি মুড়ি খাও শব্দগুলো ব্যবহার করি তখন কেউ ভেবে দেখেছি কি কবে কখন কিভাবে এই মুড়ির উদ্ভব হয়েছিলো। আমরা জানি যে পাথর যুগের শিকারী সংগ্রাহক মানুষ একসময় মাংস ঝলসে খেতে শুরু করে।

প্রিয় ঝালমুড়িটা.. আহ !!

পরে তারা যাযাবর জীবন ত্যাগ করে স্থায়ী আবাসন তৈরি করে কিংবা তাদের খাদ্য সংগ্রাহক থেকে পরবর্তীধাপের খাদ্য উৎপাদনকারী সমাজে প্রবেশ করার সময়টা থেকেই শুরু হয়েছিলো মুড়ির ইতিহাস। মাংসের পাশাপাশি নব্য প্রস্তুর যুগের মানুষ যখন থেকে শস্যকণাকেও খাদ্য হিসেবে গ্রহণ ও উৎপাদন শুরু করেছিলো তখন মাংস ঝলসানোর মতো মৃৎপাত্রে করে মুড়ি ভেজে খাওয়া শুরু হয়ে থাকতে পারে। Continue reading মুড়ির ইতিহাস

এফ.জি. এম তথা নারীযৌনাঙ্গচ্ছেদ নিয়ে ধর্মীয়-সামাজিক অবস্থানের বিপরীতে পশ্চিমা অপপ্রচার

বলতে চাইছি পশ্চিমের নারী বিষয়ক আলোচনায় স্থান পাওয়া কুখ্যাত Female genital mutilation (FGM) এর কথা। মধ্যযুগের ক্যাথলিক ধর্মাচারের বিরুদ্ধে প্রোটেস্ট্যান্টরা প্রটেস্ট করার অন্যতম মূল কারণ এটা। বিশেষ করে চার্চ নির্ভর ক্যাথলিক ধর্মাচারে মঠের প্রাধান্য দিতে গিয়ে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক সম্পর্ককে অস্বীকার করে বৈরাগ্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক নির্মম ও অপমানজনক হলেও সত্য যে এই সময় থেকেই বিকৃত যৌনাচার যেমন Bisexuality, Lesbianism, Gay,এর পাশাপাশি উদ্ভব ঘটেছিলো নেক্রোফিলিকপেডোফিলিক বর্বরদের। নৃ-বিজ্ঞানের বাইরে থেকেও যাঁরা যৌনতার উদ্ভব ও বিকাশ তথা ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ দেখান কিংবা কিঞ্চিত পড়ালেখা করেন তাদের বিষয়টা জানা থাকার কথা বিকৃত রুচির উদ্ভাবন হয়েছে সামাজিক বাধা কিংবা নৈরাজ্যকে উপজীব্য করেই। Continue reading এফ.জি. এম তথা নারীযৌনাঙ্গচ্ছেদ নিয়ে ধর্মীয়-সামাজিক অবস্থানের বিপরীতে পশ্চিমা অপপ্রচার

ক্যাটি পেরির গানে ফ্রিম্যাসনারি রিচুয়াল ও অকাল্ট চিহ্ন

6a98167cfগুপ্তগোষ্ঠী ফ্রিম্যাসনারি নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেকগুলো বিষয় বাদ দিতে হয়েছে সময় স্বল্পতা কিংবা আরো অনেক কারণ সামনে রেখে। স্বপ্ল কলেবরের গ্রন্থটিতে বাদ গেলেও কিছু বিষয় চমকপ্রদ হয়ে উঠতে দেখা গেছে সম্প্রতী। গ্রামি অ্যাওয়ার্ডে পারফর্ম করেন নন্দিত সংগীত শিল্পী ও জনপ্রিয় ডান্সার ক্যাটিপেরি। সেখানে ফিম্যাসনারির বেশ কিছু সিম্বল ফুটে উঠতে দেখা গেছে। সেগুলো এখন তুলে ধরা হলো। এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে যেমন কিছু বিভ্রান্তির জন্ম হতে পারে। অনেকে বিস্ময়ে কিছুক্ষণ বোবা হয়ে যেতে পারেন। আসুন দেখে নিউ ভিডিওটা…

প্রিয় পাঠক একটু খেয়াল করুক গানের ভিডিওটিতে কত জায়গায় চোখ কিংবা পিরামিড ফুটে উঠেছে। আর সেগুলো সবাই ফ্রিম্যাসন অকাল্ট রিচুয়াল কিংবা সেই হিরাম আবিফ বিদগ্ধ গুপ্তগোষ্ঠীর আদিখ্রিষ্টিয় রীতির আচারানুষ্ঠান। অনেকে এটাকে ইলুমিনাতির সাথে বেশি সংশ্লিষ্ট বলে মনে করেন। তবে কার্যকারণগত দিক থেকে আমি ফ্রিম্যাসনারি এবং ইলুমিনাতিদের আলাদা মনে করতে চাইনা।

পাঠক, আসুন দেখা যাক…। Continue reading ক্যাটি পেরির গানে ফ্রিম্যাসনারি রিচুয়াল ও অকাল্ট চিহ্ন

এবং অতঃপর ইনসমনিয়া

০১.
স্মৃতির আকাশে স্বপ্নের রঙিন পাখায় ভর করে কতগুলো পায়রা ওড়ে খেয়ালি আকাশ তার হিসেব রাখেনা ঠিক যেমনি বর্ষান্তে প্রখর রোদ্দুর বারিপাতের শেষ বিন্দুটি পর্যন্ত শুষে নেয়। আমার এক একটি অসহ্য যন্ত্রণার রাত্রিশেষে ক’ফোঁটা অশ্রুগড়িয়ে পড়লো কিংবা ঘাসের ডগায় কতবিন্দু শিশির মুক্তোর মতো জ্বলজ্বল করে বয়ে আনলো সুন্দর সকাল তারও কোনো হিসেব থাকেনা স্যাটেস্টিক্সে। আসলে ভাবনাগুলোর বাস্তব কোনো প্রকরণ নেই বলেই কাব্যভাষায় অহর্নিশ ভাষা খুঁজে ফেরে নিরন্তর কিছু দু:খবিলাস। কোন কোন বৃষ্টি কাকে ভেজালো সেটা মূখ্য নয় একসময় আকাশের লেহন তৃষ্ণা জুড়াতে তাকে উড়ে যেতেই হয়। তবুও ঐ সাময়িক প্রশান্তি, টিনের চালে টুংটাং শব্দ, রেলিং থেকে বাড়িয়ে দেয়া হাতে কিছুটা স্নিগ্ধ আবেশ খেয়ালি মনকে দেয় চিন্তার খায়েশ। এমনি কিছু অসময়ের বৃষ্টি, কিছু রাত্রির শেষ শিশির আমাদের স্মৃতির কড়িকাঠে বেশ শক্তপোক্ত আঁচড়ও কেটে যায়। সেগুলোর দগদগে ক্ষত কাউকে আজীবন পোড়ায়, কারো সামনে ধরা দেয় নিছক কাব্য সাধনার অনুসঙ্গ হয়ে।
০২.
ঐ দূর কাশবনে হিমশীতল কষ্টে টুপ টাপ করে যে শিশিরগুলো ঝরে তার শব্দ শুনতে উতলা হয়ে খুলে রাখি আমার মন খারাপের জানালা। অপেক্ষার নৈনিতালে চম্পক সারিন্দা বাজিয়ে তুমি এসেছিলে সেদিন আমার আলিশায়, ঠিক এতটুকু প্রত্যাশার মিঠে রোদ্দুর নিয়ে। বাকিটুকু তোমার গল্প যেখানে অল্প কিছু আবেগ, একটু মায়ায় স্বস্তির পরশ। একান্ত ভালোলাগার ঐ ইতিকথা আজো বাজিয়ে চলেছে মনের সারিন্দা। লিখতে লিখতে শেষ হলো কবিতার খাতা, ফুরিয়ে গেলো কলমের কালি তারপর ধরেছি কম্পিউটার। তবুও শেষ হয়নি মহাকাব্যের সেই পঙ্কতিগুলো। শব্দের পর শব্দে বোনা সে মায়াজাল, লাইনের পর লাইনে সাজানো স্বপ্নময় ইন্দ্রজাল, একাট্টা হয়েছে সবগুলো, শুধু তোমাকে নিয়েই এ কথোকথা, পুরোটা নির্ভেজাল।
০৩.
কুয়াশা ঢাকা মাঝরাতের কিছু মোহিনী ইশারাকে হুট করে অস্বীকার করতে পারেনা এই কংক্রিটের জঞ্জাল সবার প্রিয় শহর ঢাকা। শীতের সুনশান নীরব রাজপথ কানে কানে কি যে বলতে চায়, বুঝিনা তার কিছুই !!! ঢিমে তালে জ্বলতে থাকা কিছু সড়কবাতি আর তার ঠাণ্ডায় জমে যাওয়া খাম্বাগুলো রাতজাগা পাখির ডানা ঝাপটানোর সাথে মিতালি করে সুর তোলে মনের পিয়ানোতে। উদাস হয় মন, হারিয়ে যাই আমার আমিত্ব থেকে। মাঝে মাঝে শীতের কাঁপুনি তোলা রাতেও শুধু এককাপ বেশি চিনি দেয়া কফি তারপর জানালার গরাদে মাথা ঠেকিয়ে পার করে দিই অনেকটা সময়। মনে বয়ে যায় চিন্তার ঝড়, সেগুলোকেই ঢেলে সাজাই কিবোর্ড ঠুকে। ব্যাস কত সুন্দর সুন্দর কিছু লেখা দাঁড়িয়ে যায় নিজের অজান্তে।