মৌলবাদী মোদি, সেকুলার কংগ্রেস ও তার বুদ্ধিবৃত্তিক পাণ্ডাদের কথা

ভারত বিভাগের প্রায় ১০ বছর আগে, ১৯৩৭ সালে প্রায় ৯৭ শতাংশ হিন্দু সদস্যের দল হিসেবে কংগ্রেস পরিচিতি লাভ করে একটি হিন্দু রাজনৈতিক দল হিসেবে। তবে তাদের এজেন্ডায় একটি সেক্যুলার দল হিসেবেই পরিচিত করানো হয়েছিল, ভারত বিভাগ নিয়ে তাদের বিশেষ মাথাব্যথাও ছিল না বললে চলে। এক্ষেত্রে পণ্ডিত জওহর লাল নেহরুকে ধন্যবাদ দিতে পারে কংগ্রেস, কারণ তাঁর হাত ধরেই রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেক্যুলারিজম এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ করে নেয়। এই বিষয়গুলোকে সুন্দরভাবে সামনের দিকে ঠেলে দিয়ে বামপন্থার নামে মৌলবাদী হিন্দুত্বের পেছনে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন কিছু ব্যক্তি। অন্যদিকে প্রগতিশীল ভাব ধরে কংগ্রেসের জ্ঞানতাত্ত্বিক পাণ্ডা হিসেবে নিজেদের সেকুলার অবস্থান জারি রাখেন তারা। কথায় কথায় বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা কিংবা বাংলাদেশী তথাকথিত সেকুলার বুদ্ধিবেশ্যাদের মতো কৌশলী দুর্বোধ্য অপশব্দের কিছু প্রবন্ধ রচনায় গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল টাইপের বুদ্ধিজীবির Continue reading মৌলবাদী মোদি, সেকুলার কংগ্রেস ও তার বুদ্ধিবৃত্তিক পাণ্ডাদের কথা

বিশ্বের সাজানো বিপ্লব তথা ম্যানুফ্যাকচারড রেভল্যুশান

https://i0.wp.com/www.tomatobubble.com/sitebuildercontent/sitebuilderpictures/tumblr_mdy00.jpgগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে যে প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে এসেছে তা হলো, কোন বিপ্লব আসলে বিপ্লব নয়। ২০০০ সালে সার্বিয়ায় স্লোবোদান মিলোসেভিচের (Slobodan Milosevic) পতন পরবর্তীকালে জর্জিয়ার এডওয়ার্ড শেভার্দনাদজে (Edward Shevardnadze), কিরগিস্তানের আস্কার আকায়েভ (Askar Akayev) ও ২০০৪-এর নির্বাচনে ইউক্রেনের ভিক্তর ইউশেভচেঙ্কোর (Viktor Yushchenko) পতনের দিকে লক্ষ করলে এ প্রশ্নের ভিত্তি সম্পর্কে অনুমান করা যায়। কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, এ ধরনের ঘটনাগুলো সমস্যায়িত নয়। তারা এ প্রসঙ্গে যুক্তি-তর্ক উত্থাপন করতে চাইছেন। তাদের দৃষ্টিতে এগুলো ১৯৮৯-এর ঘটনার ধারাবাহিকতায় অবশ্যম্ভাবী হয়ে যাওয়া জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। Continue reading বিশ্বের সাজানো বিপ্লব তথা ম্যানুফ্যাকচারড রেভল্যুশান

একজন বাংলাদেশীর মার্কেজ দর্শন

পুরাতন চাইল ভাতে বাড়ে, ছুইট্টা যাওয়া মাছের আকার বাড়ে আর কেউ মরলে তার দাম বাড়ে। একবাক্যে এটাই বাঙালি সংস্কৃতির হালচাল। স্বাধীনতার চার দশক পেরুলো, আমরা পেলাম বাংলাদেশ কিন্তু ঐ হতভাগা বাঙালিই থাকলাম, বাংলাদেশী হৈয়া স্বভাব পাল্টাইতে পারলাম না। বাইরের দেশে এক একটা রথি মহারথি মরে আমরা কাইন্দা এতো বেশি পানি ঝরাই মনে হয় ইন্ডিয়া ফারাক্কা বাঁধ মুর্শিবাদের ধুলিয়ানে না দিয়া আমগের চোউক্ষের সম্মুখে দিলে আরো বেশি ভালা ঐতো।

যাউকগা এইবার বাঙ্গালি কাইন্দা কাইট্যা লেপ-তোষক খ্যাঁতা ভিজাইতেছে Gabriel García Márquez কে নিয়া। বাস্তব কথা হচ্ছে এমুন লোকও কান্নাকাটি করতেছে যারা মার্কেজের একটা বই পড়া দূরে থাক, নামও মরার পর প্রথম শুনছে। ক্যারে ভূপেন এগের সমস্যা কুতায় !!
আমি জোর দিয়ে বলতে পারি বাংলাদেশে উনি কখনোই জনপ্রিয় ছিলেন না, এখনো নন। লোকে মনে করতেছে মার্কেজ নিয়া অন্তত একটা স্ট্যাটাস না কোপাইলে ইজ্জত থাকে না। তাই তারাও নাচতেছে যারা মার্কেজের একটা বইও পড়েনি। Continue reading একজন বাংলাদেশীর মার্কেজ দর্শন