প্রথম আলোর দুই সোনা…


Untitled-1প্রথম আলোর দুইটা সোনা !! ধুর !! এই কথা শুইনা কি আপনি প্রথমেই তব্দা খাইছেন !! ভাবছেন এইডা কিসু হৈলো !! আরে ভাউ চেইতেন না একটু নইড়া চইড়া বসেন। দেন নিজেকেই কুয়েশ্চেন করেন উত্তর আপনা আপ পাইয়া যাবেন। আচ্ছা, ধরুন আপনাকে প্রশ্ন করা হলো বাংলাদেশের সবথেকে আলোচিত শব্দ কি? বজ্জাত পুলাপাইন হয়তো চুলের হিন্দি উচ্চারণ সহযোগে বলেই বসতে পারে ধুর বা… এইটা কোনো প্রশ্ন হৈলো? আপনি কিন্তু এর মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন। আর তার ঠিক পরেই যেদিকে তাকান খালি সোনা আর সোনা। বঙ্গভঙ্গের সময় ঐ সোনা নিয়ে টানাটানি করেছিলেন কবিগুরু রবি ঠাকুর। তার যোগ্য উত্তরসূরী সাকা চৌধুরী ঐ সোনা ধরে দিলেন আরেক দফা টান। তিনি তো নিজের সোনা কীর্তন করেই ক্ষান্ত দেননি। পাশাপাশি লাল মিয়া এবং সোনা মিয়ার বিবরণ সেই সাথে তার বর্ণ পরিবর্তনের আদিরসাত্মক কৌতুকের অবতারণাও করেন। দুষ্টু ছেলেদের মুখে মুখে সেই কথা আজও গোপনে নীরবে নিভৃতে ঘুরছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের বিমান বন্দরগুলোতে  নিয়মিত সোনা ধরা পড়ছে। চারদিকে খালি সোনা আর সোনা। আপনি এইগুলো দেখে হৃদয় থেকে অনুভব করে বলতে পারবেন চারদিকে এতো সোনা ক্যারে !! এই জন্যই আমরা স্কুলে লাইনে খাড়াইয়া মন থিকা যে জাতীয় সঙ্গীত গাইতাম সেখানে সোনার কথা বলা হৈছে । তখন অবাক হৈতাম দেশে সোনার খনি নাই।

সোনালি আঁশ পাট শেষ, পাট চাষীদের সোনায় হাত, ক্যাম্নে চলবে !! ঠিক তখনি বুঝলাম সোনা  নাকি দেখেনি কেউ, কে বলেছে ভাই এই শোনোনা কত সোনার খবর বলে যাই। রবি ঠাকুর সোনা হাতে, সোনার কবিতা লিখে। সোনার বাংলার অনেকে আবার সোনার বালা পরে। সোনার মালা গলায় দেয় সোনার ছেলেই বউ। তাই দেখে মনের দুখে সোনা চুলকায় কেউ। সোনা নিয়ে খবর ছাপে পত্রিকাগুলো রোজই,  তাইতো সবাইকে পত্রিকাটা খুলে দেখতে বলি।

প্রথম আলো পত্রিকা সব দিক থেকেই অগ্রগামী। তাদের এন্টেনার জোর জাফর স্যারের ড্রোনে সংযুক্ত রাডার থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী। তারা অন্য পত্রিকাগুলোকে চোখে আংগুল দিয়া দেখাইয়া দিলো। দেখো বুদ্ধুর দল দেশের বিমান বন্দরেই শুধু সোনা ধরা পড়ে না। তোমরা ঐ সোনা ধরা দেখে, সোনা ধরে দাড়াইয়া থাইকো না। দেখো বাংলার জমিনে আরো কত সোনা আছে। এই জন্যই কবিগুরু বলে গেছেন ‌’আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। পাট যেমন সোনালি আঁশ তেমনি ছোট্ট সোনার জামাটা…. কিংবা জাতীয় পরিবেশ পদকে সোনা থাকছে না এই ধরণের সংবাদগুলোও আমাদের আশাবাদী করে। এই দুটো সংবাদ আবারো প্রমাণ করলো যতদিন সোনা হাতে দাঁড়িয়ে থাকছে বাংলাদেশ, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ।

আসুন এতো সোনার সংবাদ পড়ে খুশিতে ধেই ধেই করে নাচতে নাচতে জেমসের বিখ্যাত আমার সোনার বাংলা গানটি শুনি। আপনার মনও ভরে উঠুক সোনালি আভায়। ভুলে যাবেন না যা কিছু ভালো, সেখানেই সোনা চালো। ছোট্ট সোনার জামাটা…পরিবেশ পদকে সোনা থাকছে না…। কি কৈতাম…..

Advertisements

One thought on “প্রথম আলোর দুই সোনা…”

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s