বসনিয়ানদের আজন্ম সংগ্রামের কথা


Balkan War - Blood and Honeyআর অল্প কিছু সময়ের অপেক্ষা। বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত সবাই শুরু করবে ফুটবল উৎসব। এখানে ফুটবল নিয়ে কথা বলাটাই মূল প্রতিপাদ্য হলেও আমি সে সাহস দেখাচ্ছি না, বলতে চাইছি অন্যকথা। প্রত্নতত্ত্ব-ইতিহাসের শিক্ষার্থী হিসেবে খেলার থেকে আমার কাছে গুরুত্ব পেয়েছে বসনিয়ার নিপীড়িত মানুষের ইতিবৃত্ত। একটি দেশ মানে অনেকগুলো স্বপ্ন, অনেক সাধনা আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। বসনিয়া হয়ত এমন একটি দেশ যেখানে এই সবগুলো সত্যি মিথ্যে হয়ে গেছে। একটি গাড়ির পেট্রোল ট্যাংকার যেমন জন্ম থেকে জ্বলার অনুপ্রেরণা নিয়ে এগিয়ে নেয় গাড়িকে। তেমনি বাবা-মায়ের লাশ, ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া বসতবাটি আর দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বিরাণ ফসলের ক্ষেত দেখেই সব এইসব বসনিয়ানের। তাদের দেশে একটি শিশুর মুখে এক ফোঁটা দুধ ওঠার আগেই হয়তো স্পর্শ করে বর্বর স্লাভদের বর্বরতা। বিশ্বের প্রতি দেশে শিশুরা যেখানে জন্মের পর মধু মুখে দেয় এরা সেখানে পায় অশ্র“জলের নোনা স্বাদ।  তাই বসনিয়া মানে গণহত্যা আর ধর্ষণে বিদ্ধস্ত একটি জাতি, বসনিয়া মানে এক ধ্বংস্তুপের নাম।
সময়টা ১৯৯২ হবে। আমার জন্মের মাত্র তিন বছর পরের ঘটনা। বাংলাদেশীদের স্বাধীনতার মাস মার্চে সেখানে জড়ো করা হয়েছিল প্রায় লক্ষের কাছাকাছি সৈন্য, ট্যাঙ্ক, আক্রমণকারী বিমান আর ভারী অস্ত্রশস্ত্র। অন্যদিকে হার্জেগোভিনায় জড় হয়েছিল বারো হাজার বর্বর ক্রোয়েট। মাত্র একটি ট্যাংক নিয়ে বসনিয়ার দুর্বল প্রতিরক্ষা বাহিনী ও সীমান্ত রক্ষীদের পক্ষে এই এই বিশাল বাহিনীকে সামাল দেয়া সম্ভব হয়নি। তাদের দুর্ভাগ্য যে সেখানে চেনেন বিপ্লবী শামিল বাসায়েভের মত কুশলী যোদ্ধাও কেউ ছিল না।

যে গণহত্যা নাড়া দিয়েছিল বিশ্ববিবেক

সবলের বন্ধু দুর্বলের যম নামে পরিচিত মেরুদণ্ডহীন প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ এখানে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হিসেবে উপস্থিত হয়। তারা নির্লজ্জের মত অস্ত্রবিরতি চুক্তি করে। বলতে গেলে এই চুক্তি অস্ত্রহীনভাবে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয় বসনিয়ানদের। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কোনো বন্ধুদেশ তাদের সাহায্য করতে পারত না। বর্বর পিশাচ সার্বরা এই সময় ঠিকই যুগোশ্লাভিয়ার মাধ্যমে মিত্রদের থেকে সাহায্য পাচ্ছিল। ক্রোয়েটদের সহায়তা করার জন্য হাঙ্গেরি, ইতালি ও জার্মানিও এই সময় চুপ হয়ে ছিল না। বস্তুত এই অস্ত্র বিরতি চুক্তি দুর্বল করে দেয় বসনিয়ানদের। এই সুযোগ পেয়ে বসে সার্বিয়ান পিশাচদের মৃত্যুক্ষুধা।

ঝড়ে বিদ্ধস্ত জনপদ নয়, বসনিয়ার গণহত্যার দৃশ্য

তবে দেশটা ছিল বসনিয়া। সেটা আমাদের বাংলাদেশ ছিলনা। কিছু হলেই বাম-ডান, হিন্দু-মুসলিম, শাহবাগী- হেফাজতি, আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল, আওয়ামী-বিএনপি, প্রগতিশীল-জামাতী ভাগ হেয় ঘেউ ঘেউ করতো না। তারা জানতো একটি দেশ বসনিয়া যার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সবাই মিলে মিশে লড়তে হবে। প্রথম দিকে মুসলিম, সার্ব ও ক্রোয়েট তিন ধরণের সৈন্য একজোট হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বলতে গেলে এই বহুজাতিক ঐক্যবোধ তাদের পথ দেখায়। তারা মিলিত হয়ে পাহাড়ী দেশটির শহরগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রেখে লড়তে রাখে। বছরের পর ধরে তারা লড়েছে জীবন বাজি রেখে। সকালে বাবার লাশ দাফন করা সন্তানের হাতে অস্ত্র তুলে দিতে দ্বিধা করেনি স্নেহময়ী মা। হয়ত পরদিন সে সন্তানের লাশ দাফন করে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে নিজেই মাঠে নামতে হয়েছে অনেক মাকে। তবুও থেমে থাকেনি বর্বর সার্বদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী বসনিয়ানদের নিয়ত সংগ্রাম।

এভাবেই হত্যা করা হয় বিপ্লবী বসনিয়ানদের

বিপ্লবীদের ক্রমাগত প্রতিরোধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়াইপিএ গোলন্দাজদের সমর্থন নিয়ে সার্বদের প্যারামিলিশিয়ারা বিভিন্ন গ্রামে প্রবেশ করে। বিশেষ করে পূর্ব বসনিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামগুলো তাদের প্রথম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। কুখ্যাত পিশাচ আরাকান তথা মার্চে জেলিকোর নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বর্বরতা ছিল সবথেকে ভয়ানক। তারা প্রথম দিকে ক্রোয়েটদের মধ্যে যে গণহত্যা শুরু করেছিল তাতে ক্ষ্যামা দেয়। তারা প্রবেশ করে বসনিয়ার মুসলিম গ্রামগুলোতে। গ্রামের মধ্যে গেরিলা যুদ্ধে পেরে না ওঠার ক্ষোভ মেটায় তারা নিরীহ বেসামরিক জনগণের রক্তে হোলি খেলে। ভিজেলিনার একটি মসজিদে নামাযের জন্য জড় হওয়া কয়েকশত মুসলিমকে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করা হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিক খনন নয়, মাটি খুঁড়লেই বেরুচ্ছে লাশ

জভরনিকে প্রতিরোধ গড়ে তুললে সেখানে বিমান হামলা চালিয়ে তুলোর মত ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়া হয় পুরো শহর। জভরনিক, ভিজেগ্রাদ ও ফকার তিনটি শহরের একটিও রক্ষা পায়নি বর্বর সার্বদের হাত থেকে। সেখানে তারা যথেচ্ছা খুন, লুটপাট ও আগ্রাসন চালায়। অনেক মানুষ সর্বস্ব খুইয়ে সার্বদের বিরুদ্ধে লড়াইকেই জীবনের একমাত্র অবলম্বন মনে করতে থাকে। বসনিয়া অঞ্চলের মধ্যে সবার আগে প্রতিরোধ গড়ে তোলে ক্রোয়েশিয়ানরা। বিভিন্ন শহর থেকে পালিয়ে এসে গোরাজদে শহরে আশ্রয় নিয়ে সার্বরা চারদিক থেকে শহরটিকে ঘিরে বোমাবর্ষণ শুরু করে। সেই সাথে ট্যাংক ও গোলন্দাজ বাহিনীও সমানে চালায় গণহত্যা। অন্যদিকে সারায়েভো শহরের বিমান বন্দর থেকে শুরু করে সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান দখল করে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয় তারা। এই সময় বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় উত্তর পশ্চিম বসনিয়ার ক্রোয়েটরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নাজি বাহিনী ইহুদিদের উপর নির্যাতন চালায় গোপনে নিভৃতে, কিন্তু বসনিয়ানদের উপর গণহত্যা চালানো হয় প্রকাশ্যে। প্রথম দিকে সার্ব ও ক্রোয়েটরা দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিল। পরে সার্বদের মত ক্রোয়েটরাও বিভিন্ন স্থানে মুসলিম নিধনে যুক্ত হয়। বলতে গেলে তারা বসনিয়া থেকে মুসলিমদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। অন্যদিকে তারা ত্রাস সৃষ্টি করতে চেয়েছিল যাতে অভিবাসী মুসলিম সম্প্রদায় আর সেখানে ফিরে না আসে।

বর্জ্য ফেলার জায়গা নয়, এটি একটি গণকবর

এরপর ক্রোয়েটরা দলবদল করলে পরিস্থিতি আরো বিভীষিকায় রূপ নেয়। জাতিসংঘ এই সময় টুকটাক হুমকি ধামকি দিরেও সার্বরা জানতো সেটা নিছক লোকদেখানো ছেলেখেলা মাত্র। ফলে তাদের হাতে বসনিয়ায় নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণ বাড়তেই থাকে। নারী নির্যাতনে তাদের এই ঘটনা শতাব্দীর সকল নৃশংসতাকে হার মানিয়েছে। সার্ব জেনারেলদের নির্দেশ ছিল একটি এলাকার সব নারীকে ধর্ষণ করা। এক্ষেত্রে তাদের উদ্দেশ্য ছিল দ্বিমুখী। বিশেষত, জেনারেলরা মনে করেছিল এমন করলে সৈন্যরা আক্রমণে আরো উৎসাহ পাবে, অন্যদিকে ধর্ষিত মেয়েরা গর্ভধারণ করলে সেগুলো হবে সার্ব আর তার মাধ্যমে সেখানকার মুসলিম জনগোষ্ঠী কমে যাবে। সার্ব সৈন্যরা বসনিয়ান মেয়েদের ধরে নিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ ক্যাম্পে ওঠায়। তাদের কমাণ্ডারের নির্দেশ ছিল এই তিনটি শহরের প্রতিটি মেয়ের গর্ভে যেন সার্বিয়ানঔরসের সন্তান জন্ম নেয়। এই সময়ের নারকীয় নির্যাতনে অনেক নারী অকালে প্রাণ হারায়। ক্যাম্পগুলোতে নারকীয় নির্যাতনের সাথে অনাহারেও বন্দি অনেক মানুষ মারা যায়।

সার্কাস নয়, এভাবেই নিপীড়ন করা হয় বসনিয়ানদের

১৯৯১ সালের দিকে শুরু হওয়া এই বর্বরতা আরো তিনটি সাল পার করে ১৯৯৪ সালের দিকে এগোয়। ১৯৯৩-৯৪ এর শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি ক্ষুধা-নিপীড়নে ভবলীলা সাঙ্গ হয় অনেকের। বিশ্ববিবেক তখন একটু একটু করে টলতে শুরু করেছে ঠিক যেভাবে প্রতিবন্ধি মানুষ ভেংচি কাটার মত হাসি দেয়। সারায়েভ বিমান বন্দর ছিল তখন শরনার্থীদের আস্তানা। গরু মেরে জুতো দান করার মতই প্রথমে বুলেট পরে রুটি দান করতে সিদ্ধহস্ত জাতিসংঘ নামাক নপুংশক প্রতিষ্ঠানটি এবার তাদের পৌরুষত্বের জোয়ারে নতুন খেল দেখাতে শুরু করে। সেখানে দেখা যেতে হাত-পা খোয়ানো পঙ্গু পুরুষ, ধর্ষিত গর্ভবতী নারী, কিংবা ভুখা-নাঙ্গা অসহায় শিশু প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে এক টুকরো রুটির আশায়। তাদের অনেকে চোখ থেকে মুছে গেছে জীবনে স্বপ্ন, কারো কারো কাছে এ জন্মই যেনো এক আজন্ম পাপ। তবুও এই ধিকিধিকি জ্বলতে থাকে বিদ্রোহের আগুন উপ্তপ্ত করেছিল সংগ্রামের কাঠকয়লা। সেই উত্তাপ একদিন ভস্ম করেছিল বর্বর সার্বদের। সেই ভস্ম লাভা থেকে জন্ম বলেই হয়তো এমন সংগ্রামী হয়েছে বসনিয়ানরা। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই নাম লিখাতে সক্ষম হয়েছে বিশ্বকাপের মত বড় ফুটবলের আসরেও।

সে কান্নার রোল এখনো থামেনি….

পিশাচ সার্বরা বসনিয়ান মেয়েদের গর্ভে জন্ম দিতে চেয়েছিল বেজন্মা সার্বের যাতে জাতি হিসেবে বিশ্বমানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে যায় বসনিয়ার নাম। কিন্তু তাদের স্বপ্ন ধুলিষ্যাত করে দেয়ার মত অনেক অগ্নিগর্ভা মা তখনও ছিলেন বসনিয়ায়। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে তাদের সূর্যসন্তানরা দেশের অস্তগামী স্বাধীনতা সূর্যকে আঁকড়ে বাঁচার স্বপ্ন দেখেই থমকে যাননি, বরং লড়েছেন শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে। মেরুদণ্ডহীন জাতিসংঘ অস্ত্রবিরতি চুক্তির নামে বসনিয়ানদের লাশের সারি দীর্ঘায়িত করেছে। হাহাকারকে আরো গাঢ় করেছে কিন্তু আখেরে লাভ হয়েছিল সার্বদেরই। তবুও প্রতিবাদী মানুষকে টলাতে পারে সাধ্য কার। স্বাধীন হয়েছে সেই বসনিয়াও। আমরা স্বাধীনতার চার দশক পার করেও বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলতে পারিনি। কিন্তু বিপ্লবী বসনিয়ান পেরেছে। আজ তারা লড়ছে আমারই প্রিয় দল আর্জেন্টিনার সাথে। আর্জেন্টিনার খেলা ভালো লাগে তাদের জন্য একসময় উন্মত্ত সমর্থনও দিয়েছি। কিন্তু আজ ভাগ্যনিপীড়িত বসনিয়ানরা যদি আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনার দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে তাদের হারিয়ে দেয়, তাতে খুশি হব বৈ দু:খ পাবো না।

সালিম অর্ণব

Advertisements

20 thoughts on “বসনিয়ানদের আজন্ম সংগ্রামের কথা”

  1. সব যায়গায় সাহিত্য লিখলে হয় না। অনেক গুরুত্বপূর্ণ টপিকস ছিল। ৫০ ভাগ কথাই বুঝি নাই সাহিত্য হওয়ার কারনে।

    1. হ্যা ভাই এখানে ৭০ ভাগ ইতিহাসই অনুপস্থিত। আমি ইতিহাস লিখিও নি। কারণ ইতিহাস লেখা এতো সহজ কোনো বিষয় না। তখন ছোট ছিলাম। থ্রি ফোর কিংবা ফাইভে পড়ি। বি.সি.সি এবং ভিওএর পাশাপাশি রেডিও তেহরানে শুনতাম বসনিয়ায় সার্বদের বর্বরতার কথা। সেগুলো হটাৎ মনে পড়াতে কিছু একটা লিখতে চেষ্টা করলাম। সবথেকে বড় কথা বসনিয়ায় সার্বদের বর্বরতা পুরোটা জানলেও আপনি লেখার ক্ষেত্রে খেই হারিয়ে ফেলতে বাধ্য। এটা এমনই বর্বরতা, এমনই দুর্ভাবনার ইতবৃত্ত।

    1. এখানে ইতিহাস নেই। পরে সময় সুযোগ হলে ইতিহাস লেখায় হাত দেবো। তারজন্য আরো অনেক পড়ালেখা করতে হবে।

  2. চমতকার লিখেছেন। বসনিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট আলীয়া ইজেতভেগবিচ স্বাধীনতার পর পরই পাকিস্তানে সফরে এসেছিলেন এবং সে সময়ে তাঁর দেয়া একটা স্বাক্ষাতকার পত্রিকায় পড়েছিলাম। অনেক কথা! অনেক কষ্ট! ভাললাগা জানিয়ে গেলাম।

    অপটঃ আমি নিশ্চিত তার পরেও বলছি, আপনি কি আমার বর্ণমালার অর্ণব আর্ক? আমি এস এইচ খান।

    1. সাক্ষাতকারটা খুব সম্ভবত ডন পত্রিকা ছেপেছিলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। সেইসাথে আপনার ধারণা সম্পূর্ণ ঠিক। 🙂
      ভালো থাকবেন।

  3. বসনিয়াদের নির্যাতন হওয়ার কথা শুনেছি কিন্তু এতোটা জান্তাম না । ধন্যবাদ…………

    1. এটা বিস্তৃত আঙ্গিকে লিখবো পরে সময় করে। লক্ষ রাখেন পড়তে পারবেন।

  4. বসনিয়ার শোক বাংলাদেশ বুঝতে পারে। ১৯৭১ এ পাকি জারজরা এই দেশে যা করেছিল তার সাথে সার্বদের বর্বরতার মিল আছে।

  5. বর্বরদের বর্বরতা নিয়ে যে কোন লেখাই বেশ কঠিন ও কষ্টসাধ্য। তারপরও যা জানলাম তাতে আপনাকে ধন্যবাদ।

  6. সুখের বিষয় দেরিতে হলেও বসনিয়া হত্যাযজ্ঞ চালানোর অন্যতম নায়ক সাবেক সার্ব সেনাপ্রধান জেনারেল রাতকো ম্লাদিচ বর্তমানে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালতে বিচারাধীন।

  7. আমরা সমালোচনা করতে খুব ওস্তাদ
    লেখকের ভুল্ভ্রান্তি যাই থাকুক, আগে এই লেভেলের লেখা লিখুন এর পর সমালোচনা করুন এবং সেটাও গঠনমূলক
    এভাবে ঢালাও ভাবে সমালোচনা করে উনার কস্টকে মাটি করে দেয়ার মানে হয় না
    জেটুকুই লিখেছেন তার জন্য উনাকে যথেষ্ট পড়তে হয়েছে, যে নলেজ আমাদের অনেকেরই নেই
    কাজেই ওই নলেজের জন্য হলেও ওনার কিছু সন্মান প্রাপ্য
    কিছু অজানা জিনিস জানানোর জন্য ধন্যবাদ
    বসনিয়া জুদ্ধের ব্যাপারে জানতাম ছোটবেলায় কিন্তু আসলেই ইন ডিটেইল কখনই পড়া হয় নি
    এটা পরে আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিলেন
    ডিটেইল পড়ব
    আবারো ধন্যবাদ

    1. ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি আসলে ইতিহাস লিখতে চেষ্টা করিনি। সেদিন বসনিয়ানদের কথা মনে করে অনেক বেশি মন খারাপ ছিলো তাই লিখতে বাধ্য হয়েছিলাম। সেটাই আর কিছু না। যেটুকু জানতাম কিংবা যেটুকু মনে ছিলো সেটাই চেষ্টা করেছি এখানে তুলে ধরতে।

  8. What a pity on those who can neither do anything nor can accept others deed out of jealousy.
    Dear Aurnab, I might not agree with all your notes and/or writeups; but I salute your effort of trying to find out the truth and letting us know that. It surely will reduce our pain of knowing anything from scratch. For others it is eye-opener.
    Thanks a lot and may Allah give you more strength to drive forward to find and reveal the truth

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s