সেদিন কোনও একদিন…


wallpaper-love-love-31307651-1280-960তারা কথা রাখেনা। কেউ কেউ হয়ত রাখে। নিজের সম্পূর্ণ বিশ্বাস তাদের কারো হাতে তুলে দেয়ার আবেগটা জন্মায় নি আমার মাঝে। ইচ্ছে করে তাই আমার এক একটি নির্ঘুম রাতের দায় সব নষ্ট ভালোবাসার শিকলমুক্ত রেখেছি। বিমুগ্ধতার পরশ বুলিয়ে যাওয়া নিশ্চুপ অন্ধকার কিংবা কৃষ্ণপক্ষের ঘোলাটে চাঁদের পূর্ণ অধিকারটাও তেমনি রেখেছি মনের একান্তে।
কেউ বলে আকৃতিতে বেড়ে গেলেও আমার ভাবনার জগৎটা অনেক ছোট। কানাগলির মত ঘুরে ফিরে ঐ ইতিহাস, ঐ সমাজবিজ্ঞান আর প্রত্নতত্ত্বই নাকি ঘুরপাক খায় আমার চৌহদ্দিতে। মাঝে মাঝে খুব হতাশা কাজ করে। কিন্তু কখনও বেশ ভালোও লাগে। মানুষ চিন্তা করতে শিখছে, একটু আনন্দ পাচ্ছে। আচ্ছা আমায় গালি দিয়েও যদি কেউ পুলক অনুভব করে সেটা খুব বেশি কি ক্ষতির।
নিশুতি পাখির ডানায় ভর করে অলস রাতগুলো পার হয়ে যায়। রাতপরীদের ডানায় জোছনার আলো দেখার সুযোগ হয়না কখনও।

অবাক জানালার কাঁচের শার্সি সরিয়ে মাঝে মাঝে আকাশের দিকে উন্মুখ চেয়ে থাকি। রোজকার চিরচেনা আকাশটাকেও কোনো কোনো দিন আমার খুব অচেনা মনে হয়। সেখানে মাঝে মাঝে অনেক উন্মাদনার নর্তন কুর্দন দেখি। মাঝে মাঝে দেখি তার অনেক রং।

কদিন হলো একটা গিটার কিনেছি। অদ্ভুদ সুরমূর্ছনার অনিকেত নৈনিতালে ভাবনার ডানা মেলতে দেয়া দূরে থাক, ইচ্ছেখুশি সুর তোলাও শিখতে পারিনি। খুব মন খারাপের দিনে শুধু টুংটাং করে স্ট্রিং ধরে টানি।

ঘুম জড়ানো রাতে অনেক মায়ায় গিটারটার একপাশের হাতলটায় হাত রেখে চেয়ারে বসে ঝিমুতে বেশ ভালো লাগে। কখনও কখনও এভাবে ঝিমুতে গিয়ে অনেকগুলো স্বপ্নও দেখে ফেলি। সেগুলোর অর্ধেক স্বপ্ন, অর্ধেক বাস্তব। তবে দু:স্বপ্নেরা বুঝি আমার কাছে আসতে ভয় পায়। আসলে যার জীবন একটা মূর্তিমান দু:স্বপ্ন সে লোকটা ঘুমোলে তাকে বিরক্ত করতে হয়ত দু:স্বপ্নেরও করুণা হয়। তাই মনে হয় ঘুমের অন্ধকারে ইচ্ছেডানায় চড়ে কোনো আলোর মশাল জ্বালিয়ে তাকে বিরক্ত করেনা স্বপ্নেরা।

অসময়ের ঝুম বৃষ্টি। গিটারটা সাথে নেই। হাতে টাচফোন। চার্জটাও যাই যাই করছে। বিদ্যুৎ নেই। সেই বারান্দা চুপি চুপি গিয়ে বসলাম ভেজা চেয়ারটায়। প্রিয় আকাশটার আজ মন খারাপ। কেমন ঘোলাটে হয়ে আছে। সন্ধা থেকে এক নাগাড়ে কান্নাকাটি করেও তার মন খারাপের রোগটা যায়নি।

নিজের এতো যন্ত্রণার সাথে আকাশের ক্ষোভ মিশিয়ে অহেতুক ঝামেলা বাড়াতে ইচ্ছে করছে না। বিরক্তিভরে লগ আউট করেছি ফেসবুক থেকে। এয়ারপিস কানে লাগিয়ে চোখ বন্ধ করে গান শুনতে থাকি।

অদ্ভুদ এক সৈকতে একা একা হেঁটে চলেছি। কক্সবাজার নয়। কারণ তার প্রতিটি কোণ আমার মুখস্থ। যাহোক চারদিক দেখতে দেখতে এগিয়ে যাই।

ঘন্টাখানেক চলেছি। তবু পরিচিত একটা মুখ এখনও চোখে পড়েনা। হঠাৎ পরিচিত কন্ঠস্বর শুনে একটু দ্রুত সামনে এগিয়ে যাই। আসলে পরিচিত কন্ঠস্বর মানে একটা পরিচিত গান বাজছে একটা চায়ের দোকানে, শ্রেয়া ঘোষালের কন্ঠ। ভাষাটা যতটা না অপরিচিত, তার চেয়ে বেশি দুর্বোধ্য।

অনেক্ষণ হাঁটার পর রাজ্যের ক্লান্তি ভর করেছে শরীরে। ধপ করে বসে পড়ি বেঞ্চে। রাজ্যের অসভ্য লোকজন বসে জঘন্যভাবে বিড়ি ফুঁকছে। পুরো বমি ঠেলে আসতে চায় ঐ বিড়ির ধোঁয়ার সাথে মিশে থাকা মাছের আঁশটে গন্ধে। তবুও আর হাঁটতে ইচ্ছে করছে না। বেঞ্চের সাথে লাগানো বাঁশের খুটায় মাথা ঠেকিয়ে বসেছিমাত্র।

চরম বিরক্তির সাথে ডান দিকে মাথা ঘুরিয়ে হিন্দি তেলেগুর মিশেলে আমিই প্রথম কথা বলি। ভাউ আইত্তাগেলু চেপ্পু মুদিলা। মেরে লিয়ে এক কাপ চায়ে লে কার আয়েগা কিয়া। আন্না আইয়া বাইতাই। শক্তপোক্ত লোকটা কাপ ধুতে শুরু করে। আশপাশ থেকে বিড়িখোরগুলোও চলে গেছে।

সাউন্ডবক্সে গান ছাড়ে লোকটা। এবার স্পষ্ট বুঝতে পারছি… ও নিলাকাসামলো মেরিসে চান্দ্রুদিবে, রিভবুনা নেলুকুজারি নাকাই বাচ্চাভে, ও পুংগি নাদিলা নান্নি মারচাভে চিন্নি গুন্ডেল্লোনা আলাজাড়ি রিপাভে..। নিবাল্লি নিবাল্লি রাআ সুকুমারা এ ই মাইয়ে নিভাল্লি রাআ, এদো আইইন্দি এই ভেলা ইন্নাললু লেইদিল্লা….।  এতোটাই ভালো লাগছে একটু এগিয়ে গিয়ে চায়ের দোকানিকে বলে দুবার প্লে করিয়েছি একই গান। লোকটাও বেশ মিশুক টাইপের।

এদিকে তেলেগুর পাশাপাশি ভাঙ্গাচোরা হিন্দিতে আড্ডাবাজিও জমেছে বেশ। বলতে গেলে তার আর আমার হিন্দি জ্ঞান কাছাকাছি। বেধে গেলে প্যাকিং হিসেবে চলছে তেলেগু আর ইংরেজির কারসাজি।

দোকানে তেমন খদ্দের নেই। রাত হয়েছে বেশ। বিদ্যুৎ নাই। তেল খরচ বাঁচাতে হারিকেন সলতেটাও নামিয়ে রেখেছে বেটা। হঠাৎ আমার ইচ্ছে হলো জানতে চাই এ গানটার অর্থ কেমন হতে পারে। সত্যি বিমুগ্ধ হওয়ার মত লাগলো ঐ লোক যা বোঝালো শুনে। আরেক কাপ চাপ খেয়ে, একটা শক্ত টাইপের টোস্ট বিস্কুট চিবুতে চিবুতে রওনা দি। আবার একা একা হাঁটতে থাকি।

আচ্ছা কেউ দেখবে না, কেউ জানবে না। এ অব্যক্ত অনুভূতি আর এ গানটির ভালোলাগা থেকে যদি আমরা বাংলায় কিছু লিখতাম সেটা কেমন হত।

সেটা নিতান্ত যাচ্ছেতাই হত। নাকি সেটা লেখা শেষ হলে কারো চোখ থেকে ঝরত বিন্দু বিন্দু অশ্রু। নাকি বন্ধুরাই শুধু সেটা পড়ত, তারপর একসময় হারিয়ে যেত ফেসবুক ওয়ালের স্ট্যাটাস জঙ্গলে।

নানা ভাবনায় নিজেকে হারিয়ে ফেলি। হঠাৎ একটু স্বস্তি পাই এই ভেবে যে আমি তো কবিতা লিখিনা। তবে লিখি, যা ইচ্ছে হয় তাই লিখি। মনের ইচ্ছে মত লিখি, খায়েশ মিটিয়ে লিখি। খুশি থেকে লিখি, রাগের সময় ঝাল মিটিয়ে লিখি। আবার হারিয়ে যাই কিছু অবুঝ ভাবনায়। নিজে কিছু করার শক্তি হারিয়েছি। ভাবনাগুলোই আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে সামনে।

ভাবছি বাস্তবে না হয় কল্পনার চোখে যদি কাউকে দেখতে পাই। যদি দেখতে চাই, কিংবা দেখি। অথবা এখন যাকে দেখছি।

আচ্ছা সে অবয়বে কেমন হত ! আচরণে কেমন হত ! খুব রাগী, বড্ড অভিমানী, শান্ত সুবোধ নাকি যাচ্ছেতাই ঢংগী আর ন্যাকা গোছের কেউ।

দুত্তোরি ছাই, কেউ নাইই যখন এমন অসহ্য ভাবনাগুলোকে সামনে এনে বাজে সময়ক্ষেপনে কি লাভ। ভাবনাটা যতোই চারপাশের অন্ধকারে ডানা মেলে গাঢ় হতে থাকে, আমার দৃষ্টিরেখার অন্ধকার সরিয়ে দিনের মত ঝলমলে হয়ে যায় ভাবনাগুলো।

আকাশে গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ। নিকষ অন্ধকারেও দেখতে পাচ্ছি তাকে। স্পষ্ট নয়, তবে কেমন একটা অবয়বে।

কি মনে করে ইচ্ছে হয়, এবার শুরু করেই দি গল্পটা। নাকি লিখবো একটা কবিতা। ধুর আমি তো আমার কবিতা লিখতে পারিনা।

এদিকে খুব ইচ্ছে বেলাভূমি মাড়িয়ে রাতের আঁধারেই দেখতে যাবো দূরের ঐ পাহাড়চূড়া। তীব্র বিরক্তিতে শেষ হয়ে গেছে নিজের ভিতরে পুষে রাখা অযুত শব্দের সমৃদ্ধ অভিধান।

কবিতা লেখা সে তো অনেক কঠিন কাজ। এখন একটি সুন্দর শব্দও মনে পড়ছে না আমার। পরক্ষণেই ভাবছি আচ্ছা শব্দ পাবো কোথায়। যাকে সামনে দেখছি, দেখতে চাইছি, দেখবো ভেবে এতোটা খুশি হচ্ছি তাকে ভূষিত করার মত সহজ শব্দ তো অভিধানে থাকার কথা নয়। তাহলে, কি হবে। হবে কিছু একটা।

অন্তত সে যদি আমার হয়, তাকে যে উপমায় ভূষিত করার তা হতে হবে আমার নিজস্ব। আর তা হবে একান্ত আপন শৈলীতে।
ধপ করে এবার বসে পড়ি বালুকাবেলায়।
মনের অজান্তে বলতে থাকি
সে যাই হোক নাম তোমার
কি আসে যায় আমার
যদি হও তুমি শুধু আমার।

তবে দেখছি আমি, হ্যাঁ দেখছি বেশ স্পষ্ট । তোমাকেই দেখতে পাচ্ছি…
সাগরের নীলে মিশে ঘাসফড়িং এর রঙে রঙিন নীলচে মায়াবী চোখ, দুগণ্ডে সূর্যাস্তের মোহনীয় আবেশ, আর রক্তিম অধর ছুঁতে চাইছে খোদ সূর্যটাই।

নামটা এখনও জানা হয়নি তোমার। আধভেজা বালুকাবেলায় বসে ভিজিয়ে ফেলা জিন্সটা এখনও প্যাচ প্যাচ করছে বিশ্রি আর্দ্রতা নিয়ে। দূরের পাহাড়ে বাড়ি খেয়ে ফিরে আসা বাতাসগুলো এখনো সরে যায়নি, চারপাশের অন্ধকারগুলো এখনও ভূতুড়ে চাদরের মত ঘিরে আছে আমাকে। তবে ফাঁক বুঝে সরে গেছো তুমি।ভাবখানা এমন আমার সুর্যটাকে আদিখ্যেতায় বিলিয়ে দিলাম মরুময়তায়। আমার আকাশ থেকে চাঁদখানাও হারিয়েছে সেই কবে।

ভেবেছিলাম তুমি দু:খ ভালোবাসো। অনেক দু:খ নিয়ে, কান্নাভেজা অনুভূতিতেই তোমায় একটা গল্প বলবো, একটা জীবনের গল্প, একান্ত আমার বেলা অবেলার গল্প। থাক, তা আর বলা হলো না।
এলার্মের শব্দে সম্বিত ফিরে পাই। হঠাৎ ঝড়ের পূর্বাভাস। আমার মনে তোলা ঝড়ের চাইতে এ ঝড় কি খুব বেশি হবে, নাকি নিছক মামুলি। তা ভাবার সুযোগ আর হলোনা। পাহাড় দেখার ইচ্ছেটাই পূরণ হয়নি।

মনে পড়ে সন্ধা থেকে বার বার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বড় রকমের ঝড়ের কথা বলা হচ্ছে। সবাই নিরাপদ আশ্রয়ে ভেগে গেছে। আমি চলে আসার পর ঐ চায়ের দোকানে যে নিভু নিভু আলোটা ছিলো সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে।

একা থেকে গেছি সৈকতে, কিছু নতুন ভাবনায়। অনেকগুলো নতুন গল্প নিয়ে ফেরার আশায় কিংবা জীবনের গল্পটাকে সেখানে চুকিয়ে আমার ঝুঁকি নিয়ে থেকে গেছি সেখানে। কোথাও কেউ নেই। মৃত্যুর নিমন্ত্রণে সাড়া দেবে এমন বেকুব আছে কে। কে নাকি বলেছিলো ইচ্ছেখুশি যে মরতে প্রস্তুত বাঁচার অধিকার তারই।

আর মৃত্যু !

সে নিজ খেয়ালে স্রষ্টার হুকুমে আসে। এখনও এমন বিশ্বাস রাখি। তাই আপাতত মৃত্যুকে নিয়ে ভাবছি না।  অনেক কিছুর মধ্যে ভাবছি তোমাকে নিয়ে। কেনো ভাবছি তা নিয়ে আবার ভাবছি না।

সবাই আমাকে যখন ছেড়ে গেছে। এবার খোঁজ করি ঝড়ের। প্রচণ্ড ক্ষোভ হয় সবার মত সেও কি ভয় পায় আমায় দেখা দিতে। তারও কি অনেকগুলো দু:খ আছে যেখানে ভাগ বসিয়ে দিতে পারি আমি সেই ভয়, নাকি ঝড়টা আমার থেকেও অনেক বড় বেয়াড়া, কিংবা আমার সাথে বেয়াড়াপনা করার সাহস অথবা ইচ্ছে কোনোটাই কিংবা তার একটাও নেই তার।

অবশেষে আবার এল সে। সাথে ঝড়ও আসে। বিশাল জলরাশির সাথে পাল্লা দিয়ে সে আসে এবার। সবকিছু বজ্রাহতের হত দুলছে, শুধু স্থির রয়েছি আমি।

সে এসে গেছে, হাতে দীপালিকার রোশনাই। সন্নিগ্ধভরা দুচোখের অবাক দৃষ্টিতে খুব কষ্ট করে জমিয়ে রাখা একটুখানি ভালোবাসা। ঝড়ের সাথে পাল্লা দিয়ে উড়ছে তার দীঘল চুল আর হালকা গোলাপি শাড়িটার আঁচল। আমার চরম অপছন্দের কারণ, তার কপালে সেই বিদঘুঁটে টিপটা নেই আজ। হয়ত ঝড়ের দাপটে উড়ে গেছে তার অজান্তেই।

চারপাশের সমুদ্র আর মনের নদী সবখানেই উঠেছে ঝড়। মোহাচ্ছন্নতায় অনেক আগেই হারিয়েছি আমার আমিকে। চায়ের দোকানে অদ্ভুদ মুগ্ধতা নিয়ে শুনতে থাকা গানটার ভাব নাকি আমার মনে হুট করে উঁকি দেয়া ভালোবাসার টানে এবার কর্কশ গলায় গাইতে শুরু করি…
স্বপ্নের আবেশে নেমে এসো ধরায় তুমি
হবে আমার নীলাকাশে একফালি চাঁদ
তোমার কুহতানে আসে বসন্ত
বর্ষায় মেঘেরা করে নিনাদ।
বদলেছোআমার গতিপথ তুমি
অনেকটা বহতা নদীর মত
তোমার ঘিরেই চাই সাজাতে
আছে আমার স্বপ্ন যত।
রুখে দেবো সব ঝড় বাদল
তোমায় ছুঁতে চেয়েছে যারা
তোমার চোখে পথ হারিয়ে
তারারাও হবে দিশেহারা।
আমার ভাবনায় আনন্দ অনাবিল
তুমি দুর্ভাবনার শঙ্খচিল
তোমার জন্যই সাগরের নীল
হয়েছে আজ এত স্বপ্নীল।
এভাবে মনের ভুলে সাজাতে থাকি রাশি রাশি কবিতা, গল্প গান। মনের ঝড়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলতে থাকে প্রকৃতির উন্মাদনা। ভুলে যাই কত নম্বর বিপদ সংকেত শেষ শুনেছিলাম। আর সেটা মনে করেই কি লাভ আমার। হয়ত কিছু লাভ আছে, নয়ত নেই, ভেবে কি এসে যায়।
এই আমি এখন আর নেই আমার আমিতে। হয়ত নেই বেঁচে। তবু বেঁচে আছে আমার স্বপ্নেরা, আবেগ অনুভূতি ভালোলাগা প্রেম আর নিষ্পাপ কিছু ভালোবাসায়।
হ্যাঁ সেদিনের গল্প। ঠিক সেদিন। এইত আসবে সেদিন, কোনও একদিন…
Digital Art By mrm

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s