বিভাগের বোকাঘুড়ি শিক্ষার শূন্য সুতোর নাটাই

floating-schoolপ্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষ করে গুণগত দিক থেকে অনেক প্রশ্ন উঠলেও সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ তো বটেই, বিশ্বের অনেক দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে এটি এগিয়ে থাকবে নিঃসন্দেহে। পুরো দেশের প্রায় সব কলেজ, যেগুলো উচ্চশিক্ষার সঙ্গে জড়িত, সেগুলোকে একই ছাতার নিচে এনে পরিচালনা চাট্টিখানি কথা নয়। ফলে আকৃতি ও কলেবরের এ বিশালতা একই সঙ্গে একে যেমন করেছে বৈচিত্র্যময়, তেমনি নানা সমস্যায় জর্জরিত দেশের উচ্চশিক্ষা। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোয় অবস্থিত ক্যাম্পাসে যোগ্যতম শিক্ষকদের যুক্ত হতে এক ধরনের অনীহা লক্ষ করা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রীতি মেনে অনেক অনুষদের পাঠদান চলছে। তার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বরাদ্দকৃত কক্ষগুলোর বৈদ্যুতিক পাখা ঘুরছে। সকাল থেকে বিকাল অবধি বেশ জনসমাগমও হচ্ছে ঠিকই। তবে পাঠদান ও পাঠগ্রহণের মানদণ্ডে সেটি কত দূর এগিয়ে যেতে পেরেছে, তা নিয়ে উত্কণ্ঠা দেদার। Continue reading বিভাগের বোকাঘুড়ি শিক্ষার শূন্য সুতোর নাটাই

‘ইলেভেন মিনিটস’

images

যে যাই মনে করুক আমি শুরুতেই বলব। ব্যর্থ প্রেম-ভ্রষ্টাচারে বিষাক্ত এক জীবনের গল্প ‘ইলেভেন মিনিটস’। শুরুটা স্কুল থেকে। নির্জন রাস্তায় মারিয়ার স্কুল যাওয়া; সেই ছেলেটি। নীরবে এক পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে একদিন তার এগিয়ে আসা, একটা পেন্সিল চাওয়ার অজুহাতে মারিয়াকে কিছু বলার চেষ্টা; তার পর ব্যর্থতায় তার বদলে যাওয়া। আর দশটা স্বাভাবিক মেয়ের মতো বয়ঃসন্ধিকালের অনুসন্ধিত্সু সময় পার করতে গিয়ে মনোদৈহিক বদলের মুখে মারিয়া কী করেছে, সেখান থেকেই বর্ণনার শুরু। নানা কষাঘাতে বারবার বদলে গেছে তার জীবনের গতিপথ। এর পর হঠাত্ রিও ডি জেনিরো গমন; সেখানে একই সাথে নিরাপত্তারক্ষী-দোভাষী-সুইস এজেন্টের দালাল ম্যালিসনের সাথে পরিচয়। একজন মডেল হওয়ার তীব্র বাসনা আর ঝলমলে পর্দার হাতছানি তাকে সাহস দেয়। বাড়িতে ফিরে মা-বাবার অনুমতি নিয়ে সে পাড়ি দেয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা। এমন একটা দেশ যেখানে তার পরিচিত কেউ নেই, নেই স্বজন এমনকি তার ভাষা বোঝে, এমন মানুষ মেলা ভার। Continue reading ‘ইলেভেন মিনিটস’