বিশ্বাসই হয় না এরা জলদস্যু ছিল!


13178861_566036240241253_1968145212276450640_nদীর্ঘ প্রায় বারো ঘণ্টা বিমান যাত্রার পর ২৫ এপ্রিল রাত ৮টার কিছু পর আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে লিসবন বিমানবন্দরে অবতরণ করল এমিরাট এয়ারলাইন্সের সুপরিসর বিমান। দুবাইতে এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতি ছাড়া পথে কোথাও দম নেয়নি উড়োজাহাজটি। তাই মাথাটা একটিু ঝিম ঝিম করছিল। অবশ্য রাত শব্দটি ব্যবহার করেছি আমাদের হিসেবে। এখানকার ঘড়িতে ৮টা বেজে গেছে। তবে শেষ বিকালের বোদে ঝলমল করছে আটলান্টিক মহাসাগরের নীল পানি আর ছবির মতো ঘরবাড়ির লাল টালির ছাদ। দিনের আলো ফুরোতে এখন আরও কিছুট বাকি।
কথা ছিল বিমানবন্দরে আমাকে অভ্যর্থনা জানাতে আসবেন এভোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মি. কার্লোস। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণেই এসেছি পর্তুগাল। এখানে বাংলাদেশের একজন তরুণ স্থপতি এবং ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সাজিদ বিন দোজার পিএইচডি গবেষণার চূড়ান্ত জুরিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য এসেছি। ওদের নিয়ম অনুযায়ী সাত সদস্যের জুরি বোর্ডে বিদেশী একজন অধ্যাপককে থাকতে হবে। যেহেতু গবেষকের গবেষণার বিষয়বস্তু প্রাচীন দুর্গনগরী মহাস্থানগড় নিয়ে, তাই ওরা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। একইসঙ্গে অনুরোধ ছিল আরেকটি দিন যাতে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ইউরোপীয়দের আগমনের ওপর বক্তৃতা করি।
আগেই অধ্যাপক কার্লোসের ছবি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিমানবন্দরের বাইরে এসে তেমন চেহারার কাউকে খুঁজে পেলাম না। অল্পক্ষণ পরেই সাজিদের দেখা পেলাম। কার্লোসের স্ত্রী লিসবনের বিখ্যাত আলোকচিত্রী দুর্ঘটনায় পায়ে ব্যথা পেয়েছেন। তাই কার্লোস আসতে পারেননি। এ কারণে এভোরা শহর থেকে দেড়ঘণ্টার বাসযাত্রা করে সাজিদকেই আসতে হয়েছে।
13087809_566033203574890_5555493904196018562_nলিসবন বিমানবন্দরে কিছুক্ষণ অবস্থান করতে গিয়ে টের পেলাম এখানকার অধিবাসীরা পর্তুগিজ ভাষা ছাড়া কথা বলে না। বিমানবন্দরে ইংরেজি নিয়ে তেমন সমস্যা না হলেও পরে দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছাড়া রাস্তাঘাট, দোকানপাট কোথাও বেশিরভাগ মানুষ ইংরেজি বলে না, বোঝেও না। জনসংখ্যা ভীষণ কম। বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি করে বাস টার্মিনালে আসি। ততক্ষণে রাত দশটা বেজে গেছে। ওদের হিসেবে রাতের সূচনা। এরই মধ্যে শহরের প্রান্ত সীমায় অবস্থিত বাস টার্মিনালটিকেই জনমানবশূন্য মনে হচ্ছিল। বাস চলতে শুরু করার পর চারপাশ ভুতুড়ে মনে হতে লাগল। পাহাড়ি উপত্যকা। কিছু দূর দূর উঁচুতে আলো জ্বালিয়ে রাখায় রোমান স্থাপত্যের ধাঁচে গড়া মধ্যযুগের দুর্গ স্থাপত্য দেখা যাচ্ছিল। প্রাচীন যুগে রোমান সাম্রাজ্যের এবং মধ্যযুগে মুসলিম অধিকারে কিছুকাল ছিল পর্তুগাল। তাই সেসব সভ্যতার ঐতিহ্যিক ছাপ রয়েছে। এভোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াত পেয়ে কিছুটা বাড়তি আনন্দ হয়েছিল। কারণ এভোরা একটি ঐতিহাসিক পর্যটন নগরী। পুরো শহরে কোনো পরিবর্তন আনতে দেয়া হয়নি। মধ্যযুগের আদল ধরে রাখা হয়েছে। আমার গেস্ট হাউসটির নাম এভোরা ইন। এটি শহরের প্রধান স্কয়ার প্রাসাদো জিরালদোতে। এখন ইউরোপে গ্রীষ্মকাল, তাই পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে। তবে পর্যটন নগরী হিসেবে এভোরাকে লোকারণ্য করতে দেয়নি। এখানে পর্যটকদের থাকার জন্য খুব ভালো ও পর্যাপ্ত হোটেল ব্যবস্থা নেই। এভোরা দেখে অধিকাংশ পর্যটক দিনে দিনে ফিরে যায় লিসবনে। তাই সন্ধ্যার পরই এ পর্যটন নগরীতে একটি ভুতুড়ে পরিবেশ নেমে আসে। এভোরা ক্যাথলিক খ্রিস্টানপ্রধান এলাকা। চারদিকে পুরনো আদলের ক্যাথলিক চার্চ। রাতের নীরবতা ভেঙে কিছুক্ষণ পর পর ভেসে আসে চার্চের ঘণ্টাধ্বনি।

13100746_564202713757939_1789633669158120234_n
জুরিবোর্ড চলাকালীন লেখক

আসলে এ লেখাটিতে ভ্রমণকাহিনীর মতো কিছুটা বর্ণনা এসে গেল। আমার লেখার উদ্দেশ্য মোটেও তা নয়। তবে এভোরার একটি পরিচয় তো দরকার ছিল। আমি আমার প্রধান দায়িত্ব জুরি প্রসঙ্গেই থাকতে চাই। আমার দৃষ্টি কেড়েছে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এদের সতর্ক পরিচর্যা দেখে; যা থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেকটা সরে গেছে। ১৯৭৪ সালে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি প্রজাতান্ত্রিক আদলের স্বাধীনতা পেয়েছে পর্তুগাল। এই গেল ২৫ এপ্রিল পর্তুগালবাসী রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করেছে। পর্তুগালে এখন প্রজাতান্ত্রিক শাসন চলছে। উচ্চ আয়ের এ দেশটিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাজনীতির প্রভাবমুক্ত। ক্যাম্পাসে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই ওদের। সংস্কৃতি চর্চাও খুব প্রবল নয়। তবে জ্ঞানচর্চার তীর্থভূমি বলা চলে। ঐতিহাসিকভাবে পর্তুগিজদের প্রতি আমাদের মিশ্র ধারণা রয়েছে। ষোল শতক থেকে আমাদের দেশে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে আসা পর্তুগিজদের সুযোগ মতো দস্যুতাও করতে দেখেছি। বলপূর্বক ধর্মান্তকরণও করেছে। মধ্যযুগের ভাইকিং জলদস্যুদের সঙ্গে পর্তুগিজদের নামও জড়িয়ে আছে। কিন্তু হোটেলে, পথে-ঘাটে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পর্তুগিজদের দেখেছি, কথা বলেছি, তাদের অমায়িক ব্যবহার ও ভদ্রতাবোধে মুগ্ধ হয়েছি।
২৭ এপ্রিল ছিল পিএইচডির জুরি। প্রথাগত ক্যাথলিক ঐতিহ্যে জুরি বসবে দুপুরে। সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সাজিদের তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর ফিলিপ মানুয়েল মিরান্দা থেমুডো বারাতা। ষাটোর্ধ্ব একজন প্রাজ্ঞ অধ্যাপক। তিনি ইউনেস্কো চেয়ারে সম্মানিত। ভীষণ অমায়িক মানুষ। বেশ গল্প করতে পছন্দ করেন। আমার সেমিনারটি হতে যাচ্ছে মূলত তারই আগ্রহে। তিনি বাংলাদেশ-পর্তুগাল ঐতিহাসিক সম্পর্ক নিয়ে যৌথ কাজ করতে চান। প্রফেসর ফিলিপ আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরিয়ে দেখাবেন। তার অফিস থেকে আমরা বেরিয়ে পড়লাম। ফিলিপ মার্সিডিস গাড়িটি নিজেই ড্রাইভ করলেন। এখানে অধিকাংশ তাই করেন। ড্রাইভার রাখার খুব একটা প্রচলন নেই। ভাড়ায় চলা ট্যাক্সি ড্রাইভারদের অধিকাংশই দেখেছি বয়সী। তরুণদের মোটেই আগ্রহ নেই। খাওয়া-পড়ার সমস্যা নেই। তার ওপর রাষ্ট্র মাথার ওপর ছায়া দিয়ে আছে। জানলাম ঘুষ-দুর্নীতি-চুরি-ছিনতাই একেবারেই অচেনা। রাত দুটো-তিনটায় সুনসান রাস্তায় তরুণীদের হেঁটে চলতে দেখেছি নির্ভাবনায়।
এভোরা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত। এখন পর্তুগালের অন্যতম সেরা ও বড় বিশ্ববিদ্যালয়। পর্যটননগরী বলে গোটা শহরে মধ্যযুগের আদল নষ্ট হতে দেয়নি। কোনো দালানকোঠা সংস্কারে হাত দেয়ার ক্ষমতা নেই সাধারণ নাগরিকের। এমনকি রঙ করার বিষয়টি রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট বিভাগ দেখবে। এ কারণেই মধ্যযুগে গড়ে ওঠা এভোরা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে জন্মের আদলেই দেখতে পেরেছি। ফিলিপ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব দেখাচ্ছিলেন। আমি অভিভূত হয়ে পড়ছিলাম। আপাতত এ প্রসঙ্গে আর যেতে চাই না।
পিএইচডি ডিগ্রিকে এরা প্রকৃত অর্থে অত্যন্ত সম্মানিত মনে করে। এ কারণে খুব সতর্কভাবে গবেষককে বাজিয়ে নেয়। খুব প্রতিথযশা অধ্যাপকরাই তত্ত্বাবধান করেন। সাত সদস্যের জুরি বোর্ডের সব সদস্যের কাছে আগেই থিসিস পাঠিয়ে দেয়া হয়। আমিও প্রায় তিন মাস আগে পিডিএফ ফর্মেটে হাতে পেয়েছি। উপস্থিত প্রশ্নোত্তর পর্ব ছাড়াও একটি লিখিত রিপোর্ট পেশ করতে হয়। সেই মধ্যযুগ থেকে একই আনুষ্ঠানিকতায় জুরি বোর্ডের আসর বসে। জুরি বোর্ডের সব সদস্যকে বিশেষ গাউন পরতে হয়। তারপর সবাই সুশৃংখলভাবে হেঁটে আসেন নির্দিষ্ট সভাকক্ষে। ছাত্রছাত্রীরা করিডোরের একপাশে নীরবে দাঁড়িয়ে জুরি সদস্যদের যাওয়ার পথ করে দেয়। সভাকক্ষে পাথরে বাঁধাই করা উঁচু মঞ্চ রয়েছে। সুদৃশ্য সাজানো চেয়ারে জুরি সদস্যরা বসেন। ডানে ও বামে দুটো বাহু চলে গেছে, এর ডান দিকে গবেষক তার প্রজেক্টর-ল্যাপটপ নিয়ে বসেন আর মুখোমুখি বাঁ দিকে ল্যাপটপ নিয়ে বসেন সেক্রেটারি। যা সিদ্ধান্ত হবে তা সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রিত হয়ে যাবে।
প্রফেসর মারিয়া দ্য ফাতিমা নানেস জুরি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। মাঝখানের অপেক্ষাকৃত উঁচু চেয়ারটি তার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রজেক্টের বড়কর্তা। পর্তুগালে আসার ব্যাপারে দাফতরিক চিঠি চালাচালি তার সঙ্গে অনেকবার হয়েছে। সেই অর্থে তিনি আমার পরিচিত ছিলেন। সভাঘরের নিচে চেয়ার পাতা ছিল। সেখানে অন্যান্য শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা বসেছিলেন। এরা মানুষকে সম্মান দিতে জানেন। সভার শুরুতেই ফাতিমা ঘোষণা করলেন আমি একমাত্র বিদেশী প্রফেসর। তাদের সম্মানিত অতিথি। তাই আমার বিবেচনাকে তারা অধিক গুরুত্ব দিতে চান। আমি বুঝলাম এটি নিতান্তই ভদ্রতা।
সাজিদের বড় গুণ তিনি একজন মেধাবী গবেষকই নন, একজন উঁচুমানের শিল্পীও। ভালো স্কেচ করতে পারেন, কার্টুন আঁকতে পারেন, ভিডিও এনিমেশনও করতে পারেন। অনেক বছর আগে তার একটি স্কেচ প্রদর্শনী হয়েছিল ঢাকার অলিয়ঁস ফ্রঁসেসে। আমি আর বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক রফিকুন্নবী প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করেছিলাম। সাজিদ তার থিসিস উপস্থাপনায় এসব গুণের সংযোজন ঘটিয়েছিলেন। দুর্গনগরী প্রাচীন মহাস্থান নিয়ে তার গবেষণা ছিল। তিনি তার গবেষণায় স্কেচ এঁকে জীবন্ত করেছিলেন ইতিহাসের মহাস্থানকে। সাত মিনিটের একটি এনিমেশনও দেখিয়েছিলেন। তাতে প্রাচীনকালের মহাস্থান যেন প্রাণ পায়। অসাধারণ পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষণা করেছে সাজিদ। নানা প্রশ্ন করেছেন জুরি বোর্ডের বিজ্ঞ অধ্যাপকরা। দুই ঘণ্টার বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় সাজিদকে। সপ্রতিভ উত্তর দেন গবেষক। জুরি শেষ হলে নিয়ম অনুযায়ী জুরি সদস্য ছাড়া সবাইকে সভাকক্ষ ত্যাগ করতে হয়। এবার প্রেসিডেন্ট ফাতিমা সবার মতামত জানতে চান। ঐকমত্যে সিদ্ধান্ত হল সাজিদ ডক্টরেট ডিগ্রি পাচ্ছে সর্বোচ্চ কৃতিত্ব দেখিয়ে। এরপর সবাইকে সভায় ডাকা হল। সাজিদকে পিএইচডি ডিগ্রি পাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হল অভিনন্দন। বাংলাদেশী গবেষক বলে এ কৃতিত্বের কথা যখন ঘোষণা করা হল, তখন স্বাভাবিকভাবেই গর্বে আমার বুক ভরে যায়।
এ লেখাটি শেষ করতে চাই এভাবে। সেক্রেটারি জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে রিপোর্ট তৈরি করলেন। প্রেসিডেন্ট ফাতিমা নানেস সংশোধন করে চূড়ান্ত করলেন। পুরোটিই পর্তুগিজ ভাষায় লেখা। আমার কাছে তিনি এজন্য বারবার ক্ষমা চাইলেন। বললেন পর্তুগিজ ভাষায় লিখতে সরকারি এবং প্রতিষ্ঠানিকভাবে তারা বাধ্য। বিদেশী গবেষকদের গবেষণা ছাড়া সাধারণ শিক্ষার মাধ্যম এখানে পর্তুগিজ। পথে-ঘাটে, হোটেলে, দোকানে ইংরেজির ব্যবহার না থাকায় এবং অধিকাংশ মানুষ ইংরেজি না বোঝায় বিদেশীদের একটু কষ্ট হয় বৈকি; কিন্তু একে পরোয়া করে না পর্তুগিজরা। তাই দেখেছি অল্প কয়েকজন এশিয়ান ছাত্রছাত্রী যারা আছে, ওরা বাধ্য হয়ে কাজ চালানোর জন্য পর্তুগিজ শিখে নিচ্ছে। দোকানপাটের সাইনবোর্ড পর্তুগিজ ভাষায় লেখা। জিনিসপত্রের প্যাকেটে পর্তুগিজ। টেলিভিশনের সব চ্যানেলে পুরোটাই পর্তুগিজ। অধ্যাপকরা নিজেদের মধ্যে পর্তুগিজ ছাড়া কথা বলেন না। আমি কান পেতে শুনেছি কথার ফাঁকে ফাঁকে আমাদের মতো ইংরেজি ঢুকিয়ে দেয়ার প্রবণতা নেই। নিজ ভাষা ব্যবহার করে পর্তুগিজরা যে পিছিয়ে আছে, তেমন মনে হল না। ওদের এখন মাথাপিছু গড় আয় ১৮,৩০০ মার্কিন ডলারের কিছু বেশি। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জোয়ারের সময় এখন আমাদের মাথাপিছু গড় আয় ৭৫০ ডলারের কিছুটা বেশি। আসলে আমাদের সমস্যাটি কোথায় ঠিক বুঝতে পারি না। অবশ্য কিছুটা ধারণা করতে পারি, যখন বাঙালি আরেক বাঙালিকে তার সামাজিক অনুষ্ঠানে ইংরেজি ভাষার দাওয়াতপত্রে আমন্ত্রণ জানান।
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
shahnawaz7b@gmail.com

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s