Category Archives: ঐতিহ্য

ইতিহাস অনুসঙ্গে তরমুজকাহন

toddler-eating-watermelon-14613278সহজে তৃষ্ণা মেটে কিংবা অসহ্য গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে জুড়ি নেই বলে এখন তরমুজের চাহিদাটা বাড়-বাড়ন্ত। শুধু স্বাদ আর বৈরী প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার অনুষঙ্গে একটু সহজসাধ্য রূপ বলেই নয়, পুষ্টিমানের দিক থেকেও বেশ এগিয়ে তরমুজ। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রতিদিন দুই কাপের মতো তরমুজ খেলে শরীরে ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘সি’র প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব। একদিকে এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরে ফ্লুইড ও মিনারেলসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, অন্যদিকে সবুজ খোসাসহ তরমুজ ক্যান্সার রোগীদের জন্য আদর্শ খাবার। পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিস, উদরাময় ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ উপকারী তরমুজ। Continue reading ইতিহাস অনুসঙ্গে তরমুজকাহন

বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

28socials3bigমানব সংস্কৃতির ঐতিহাসিক আবর্তন যেসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ওপর নির্ভর করে বিশ্লেষণ করতে হয় তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ মৃৎপাত্র। একজন প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক হিসেবে এই মৃৎপাত্রের ভাঙ্গাচোরা টুকরাগুলোকে অনেক বিরক্তির, যন্ত্রণাদায়ক ও কষ্টকর গবেষণা উপকরণ হিসেবেই মনে হয়েছে। কোনো প্রত্নস্থান থেকে নানা উপায়ে যে প্রত্ন উপকরণ সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে তা হচ্ছে পর্ট সার্ড তথা এই খোলামকুচিই। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে যখন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান উয়ারী-বটেশ্বরের খনন কাজে অংশ নিয়েছিলাম তখন থেকেই পরিচয় নানা ধরনের মৃৎপাত্রের টুকরা আর গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের সাথে।
উয়ারী-বটেশ্বর থেকে প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলোর মধ্যে সবার আগে বলা যেতে পারে কালো-ও-লাল মৃৎপাত্র, উত্তরাঞ্চলীয় কালো চকচকে মৃৎপাত্র কিংবা কালো প্রলেপযুক্ত মৃৎপাত্রের কথা। প্রাথমিকভাবে ধরে নেয়া যায় এই বিশেষ মৃৎপাত্রের মধ্যে কালো-ও-লাল মৃৎপাত্র প্রাপ্তি বাংলার ইতিহাসকে নতুন করে লিখতে বাধ্য করেছে। বিশ্বের কোনো স্থানে একই সাথে Continue reading বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

এফ.জি. এম তথা নারীযৌনাঙ্গচ্ছেদ নিয়ে ধর্মীয়-সামাজিক অবস্থানের বিপরীতে পশ্চিমা অপপ্রচার

বলতে চাইছি পশ্চিমের নারী বিষয়ক আলোচনায় স্থান পাওয়া কুখ্যাত Female genital mutilation (FGM) এর কথা। মধ্যযুগের ক্যাথলিক ধর্মাচারের বিরুদ্ধে প্রোটেস্ট্যান্টরা প্রটেস্ট করার অন্যতম মূল কারণ এটা। বিশেষ করে চার্চ নির্ভর ক্যাথলিক ধর্মাচারে মঠের প্রাধান্য দিতে গিয়ে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক সম্পর্ককে অস্বীকার করে বৈরাগ্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক নির্মম ও অপমানজনক হলেও সত্য যে এই সময় থেকেই বিকৃত যৌনাচার যেমন Bisexuality, Lesbianism, Gay,এর পাশাপাশি উদ্ভব ঘটেছিলো নেক্রোফিলিকপেডোফিলিক বর্বরদের। নৃ-বিজ্ঞানের বাইরে থেকেও যাঁরা যৌনতার উদ্ভব ও বিকাশ তথা ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ দেখান কিংবা কিঞ্চিত পড়ালেখা করেন তাদের বিষয়টা জানা থাকার কথা বিকৃত রুচির উদ্ভাবন হয়েছে সামাজিক বাধা কিংবা নৈরাজ্যকে উপজীব্য করেই। Continue reading এফ.জি. এম তথা নারীযৌনাঙ্গচ্ছেদ নিয়ে ধর্মীয়-সামাজিক অবস্থানের বিপরীতে পশ্চিমা অপপ্রচার

ক্যাটি পেরির গানে ফ্রিম্যাসনারি রিচুয়াল ও অকাল্ট চিহ্ন

6a98167cfগুপ্তগোষ্ঠী ফ্রিম্যাসনারি নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেকগুলো বিষয় বাদ দিতে হয়েছে সময় স্বল্পতা কিংবা আরো অনেক কারণ সামনে রেখে। স্বপ্ল কলেবরের গ্রন্থটিতে বাদ গেলেও কিছু বিষয় চমকপ্রদ হয়ে উঠতে দেখা গেছে সম্প্রতী। গ্রামি অ্যাওয়ার্ডে পারফর্ম করেন নন্দিত সংগীত শিল্পী ও জনপ্রিয় ডান্সার ক্যাটিপেরি। সেখানে ফিম্যাসনারির বেশ কিছু সিম্বল ফুটে উঠতে দেখা গেছে। সেগুলো এখন তুলে ধরা হলো। এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে যেমন কিছু বিভ্রান্তির জন্ম হতে পারে। অনেকে বিস্ময়ে কিছুক্ষণ বোবা হয়ে যেতে পারেন। আসুন দেখে নিউ ভিডিওটা…

প্রিয় পাঠক একটু খেয়াল করুক গানের ভিডিওটিতে কত জায়গায় চোখ কিংবা পিরামিড ফুটে উঠেছে। আর সেগুলো সবাই ফ্রিম্যাসন অকাল্ট রিচুয়াল কিংবা সেই হিরাম আবিফ বিদগ্ধ গুপ্তগোষ্ঠীর আদিখ্রিষ্টিয় রীতির আচারানুষ্ঠান। অনেকে এটাকে ইলুমিনাতির সাথে বেশি সংশ্লিষ্ট বলে মনে করেন। তবে কার্যকারণগত দিক থেকে আমি ফ্রিম্যাসনারি এবং ইলুমিনাতিদের আলাদা মনে করতে চাইনা।

পাঠক, আসুন দেখা যাক…। Continue reading ক্যাটি পেরির গানে ফ্রিম্যাসনারি রিচুয়াল ও অকাল্ট চিহ্ন

৬০০০ বছর পূর্বের চুম্বন আর তেপ্পে হানসালুর যুগল সমাধি

6268_514231081966321_1854063880_n
হানসালুর সেই কঙ্কাল

অতীত মানুষের নির্মিত ব্যবহৃত বা প্রভাবিত বস্তুগত উপাদানের বিশ্লেষণ করে তাদের জীবনযাত্রার ইতিবৃত্ত তুলে ধরে প্রত্নতত্ত্ব। এক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে কৌতুহলোদ্দীপক ঘটনা যেমন ঘটে। তেমনি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা নিয়ে কিংবদন্তীর সংখ্যাও কম নয়। ঔপনিবেশিক সময় থেকেই এই প্রবণতা আরো বেড়ে গেছে। পিল্ডডাউন মানবের কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক ভ্রষ্টাচার বিশ্বে ছেয়ে গেছে। মানুষ ইতিহাসকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে গিয়ে এর যাচ্ছেতাই ব্যবহারের পরিমাণ বাড়িয়েই চলেছে। অন্যদিকে এক শ্রেণির সংবাদলোভী শ্রেণি এগুলোকে ব্যবহার করছে তাদের ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়ানোর কাজে। এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে ইরাণের হানসালু প্রত্নস্থানে প্রাপ্ত একটি যুগল সমাধিকে নিয়ে। ফেসবুকের ব্যবহার করে প্রত্নতাত্ত্বিক ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে সবসময় নিজের আয়ত্বে রাখার চেষ্টা করি। বিশ্বের নানা দেশের নামকরা প্রত্নতত্ত্ব ভিত্তিক পেইজগুলো লাইক দিয়ে রাখি, সেই সাথে অনেকগুলো প্রত্নতত্ত্ব নির্ভর বিশ্বজনীন পেইজের অ্যাডমিনও হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। সেদিন একটি আাজারবাইজানের পেইজে লেখা দেখলাম “6000 years old kiss found in Hasanlu, Iran”। সত্যি আঁতকে ওঠারই কথা। আমাদের দেশে যেখানে মাত্র আড়াই হাজার বছরের পূর্বের রাস্তা আবিষ্কার প্রত্নতাত্ত্বিকদের সহ্য হয়না। তারা এর বিরুদ্ধে বাদ-প্রতিবাদ শুরু করতে সময় নেননা। ইরানীদের হলো কি? তারা কি সুরেশ খাঁটি সরিষার তেল নাকে দিয়ে ঘুমুচ্ছে নাকি? Continue reading ৬০০০ বছর পূর্বের চুম্বন আর তেপ্পে হানসালুর যুগল সমাধি

বায়তুল্লাহ শরীফ বা কাবাঘর সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্য নিদর্শন ধ্বংসের নেপথ্যে

কাবা প্রাঙ্গনের সাম্প্রাতিক সম্প্রসারণ

সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ অধ্যয়ন করছি বিভিন্ন জিওনিষ্ট কাল্ট নিযে। ফ্রিম্যাসনারি চক্রের উপর একটি প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে অনেকটা আগ্রহী হয়েছিলাম তাদের সম্পর্কে। প্রথমে মনে হলো কি এক আজগুবি গুপ্তগোষ্ঠী, কি তাদের দৌড়ঝাঁপ, কতোই বিস্তৃত তাদের কর্মযজ্ঞ। পরিশেষে বুঝলাম হিরাম আবিফ কৃত্যের সেকেলে কুসংস্কার আঁকড়ে এরা এখনো মানুষের ক্ষতি করতে পারলেই খুশি হয়। বিধবার সন্তান হিরাম আবিফের কাছে সলোমন টেম্পলের কি নকশা ছিলো সেটা জানিনা কিন্তু তাদের অন্তরে বদ্ধমূল ধারণ যেভাবেই হোক ভাংতে হবে মসজিদুল আকসা। সেখানেই তাদের ফিলোসফারস স্টোন আছে, সেখানকার কুব্বাতুস সাখরাকে উড়িতে দিলেই দেখা মিলবে অল্টার অব ডেভিডের। যাইহোক বিষয় সেটা নয়। এই ফ্রিম্যাসনদের সম্পর্কে পড়তে গিয়েই জিওনিস্ট কাল্টে বেনজিন চিহ্নের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম। বাংলায় একে আমরা ষড়ভুজ বা ইংরেজিতে হেক্সাগন বলতে পারি। অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করা যাচ্ছে Continue reading বায়তুল্লাহ শরীফ বা কাবাঘর সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্য নিদর্শন ধ্বংসের নেপথ্যে

মধ্যযুগের ঢাকায় বিদেশিরা

image_1324_368797ঢাকা সুপরিচিত শহর হলেও পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী মহানগর হিসেবেও খ্যাতিমান। ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করা হয়েছিল, তবে মোগল রাজধানী ঢাকায় প্রথম সুবাদার ইসলাম খান (১৬১০-১৬১৩ খ্রি.) এখানে আসার আগে থেকেই এই শহরের অস্তিত্ব থাকার কথা মির্জা নাথানের ‘বাহারিস্তান-ই-গায়বি’তে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে। নতুন এই রাজধানীতে বিদেশিরা বিপুল সংখ্যায় যে আসবে, তা স্বাভাবিক। কিন্তু রাজধানী হওয়ার আগেও জনপদ হিসেবে ঢাকার অস্তিত্ব থাকায় বিদেশিদের আগমন ঘটা অস্বাভাবিক ছিল না। মানসিংহের আমলের দুর্গ ইসলাম খানের আগে থেকেই ছিল এবং সম্রাট আকবরের আমলে মোগল পক্ষের এই সমরকুশলী নিজেও বাংলা অঞ্চলের মানুষ ছিলেন না, কাজেই সামরিক গুরুত্বের কারণে রাজধানী স্থাপনের আগেও কিছু না কিছু বিদেশি ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকায় বিদেশিদের আগমনের সুস্পষ্ট লিখিত ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত মোগল যুগ থেকেই পাওয়া যায়। Continue reading মধ্যযুগের ঢাকায় বিদেশিরা

শিল্পাচার্য জয়নুলের নবান্ন ক্রল পেইন্টিং

image_34664পেইন্টিং বিভিন্ন ধরণের হয়। এগুলোর নামকরণের ক্ষেত্রেও তাই ভিন্নতা লক্ষ  করা যায়। ক্রল পেইন্টিং নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা একজন প্রত্নতত্ত্বের শিক্ষার্থীর জন্য  বেশ কঠিন। তবুও জয়নুলের নাম শোনর পর থেকে অনেক আগ্রহ জন্মেছিলো এই বিষয়টি কি একটু জানবো। আর জানলে তা আগ্রহীদের জন্য শেয়ার করবো। আভিধানিকভাবে ক্রল পেইন্টিংকে সঙ্গায়িত করার ক্ষেত্রে অনেকগুলো অভিধা লক্ষ করা যায়। এখানে প্রকারতাত্ত্বিক ও গাঠনিক দিককে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে। বিশেষ করে কি ধরণের উপাদানের উপর স্ক্রল অংকন করা হবে। আর তা আঁকতে কি ধরণের রঞ্জক উপাদান ব্যবহৃত হবে তা অবস্থা বিশেষে অনেক বেশি গুরুত্ববহ হয়ে ওঠে।  আমরা অভিধানের পাতায় দৃষ্টি দিয়ে পাই……… Continue reading শিল্পাচার্য জয়নুলের নবান্ন ক্রল পেইন্টিং

একজন প্রত্নতাত্ত্বিক আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়ার গল্প

270512_10151105087801510_24826410_nপ্রথম আলো পত্রিকাটা বাসার ড্রয়িংরুমের ডেস্কে পড়ে থাকলেও খুলে দেখা হয় কম। কিন্তু আজকে দেখেছি। দেখেছি বলা যাবেনা অনেকটা দেখতে হয়েছে। ঘুম থেকে ওঠার পর চাচার হুংকার, পত্রিকাটা দেখ গাধারাম তোর প্রিয় ব্যক্তিকে নিয়ে লিখেছে। পাতা উল্টে দেখি দেশবরেণ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক আবুল কালাম মো. জাকারিয়ার একটি সাক্ষাতকার ছেপেছে ওরা। ব্যাস দাত ব্রাশ করার আগেই অনেকটা দাড়িয়ে দাড়িয়ে পড়লাম পুরো সাক্ষাতকারটি। সত্যি অন্য এক জগতে চলে গেছিলাম। ভাবছিলাম এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিয়ে অপেক্ষমান থাকার ঐ সময়টার কথা। তারপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হওয়া। ইতিহাস আর প্রত্নতত্ত্বের সাগরে কিভাবে ডুব দিয়েছিলাম সে কথাও আস্তে আস্তে মনে পড়ছে। কিছুক্ষণের জন্য হয়ে গেছি অন্যমানুষ। আর হবেই না কেনো !! যাঁর কাছে আর্কিওলজির হাতেখড়ি। সেই মহান মানুষটাকে দেখে অনেক ভালো লাগছে। ভাবছিলাম মুনীর চৌধুরী কি ভূল বকেছিলেন। মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেচে থাকলে বদলায়, কারণে অকারণে বদলায়। কিন্তু কৈ প্রিয় জাকারিয়া স্যার তো এতটুকুও বদলে যাননি। Continue reading একজন প্রত্নতাত্ত্বিক আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়ার গল্প

আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া


আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার জন্ম ১৯১৮ সালের ১ অক্টোবর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ, গবেষণা এবং প্রত্নসম্পদ অনুসন্ধান, আবিষ্কার ও সংগঠনে তিনি তুলনারহিত। এক শ ছুঁই ছুঁই বয়সেও সদা কর্মব্যস্ত।
মাসউদ আহমাদ: আপনি তো ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন এবং রেজাল্টও ভালো ছিল, প্রত্নতত্ত্বের মতো নীরস বিষয়ে উৎসাহী হলেন কীভাবে?
আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া: আমাদের পরিবারে পুঁথিচর্চার একটা পরিবেশ ছিল। শৈশবে দেখেছি, বাড়িতে পুঁথির বড় সংগ্রহ। আমার বাবা ছিলেন ফারসি ভাষার পণ্ডিত, তিনি পুঁথির পাঠক ও সংগ্রাহক ছিলেন। বই পড়ার প্রতি আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয়, পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণেই বলতে পারেন। ঢাকা কলেজে পড়ার সময় প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাস বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হয় আমার। এরপর কর্মজীবনের প্রথম থেকেই আমি প্রত্নসম্পদ বিষয়ে জরিপ ও নোট নেওয়া শুরু করি। ১৯৪৬ সালে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিই বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে। সেই সময় নৃতত্ত্বের ওপর কাজ করছিলাম আমি। তখন Continue reading আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া