Category Archives: সাম্প্রতিক

ইতিহাসের ধারাক্রমে ওয়াহাবীবাদ ও আইসিসদের পাশবিকতা (পর্ব-১)

isis-iraqসৌদি আরবের ওয়াহাবিদের সম্পর্কে না জানলে আইসিসের পাশবিকতার নেপথ্যে থাকা কারণগুলো অজ্ঞাতই থাকবে, ঠিক এমনটিই বলতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় অনলাইন মাধ্যম হাফিংটনপোস্ট। ইরাকে আইসিসের নাটকীয় উত্থানে পশ্চিমের অনেকেই আতঙ্কিত এমনটাই বর্তমান মিডিয়ায় চটকদার সংবাদ হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।কিন্তু মূল বাস্তবতা কী ? Continue reading ইতিহাসের ধারাক্রমে ওয়াহাবীবাদ ও আইসিসদের পাশবিকতা (পর্ব-১)

Advertisements

সেকুলারিজম যখন এক আগ্রাসী ও মৌলবাদী ধর্মের নাম

MANJUL_CARTOON_300912pol_Advani_Gadkari_BJP_Secularismঅবাক হচ্ছেন!! আমি যদি বলি বাংলাদেশের নাস্তিক্যবাদ এবং ধর্মব্যবসার মূল শেকড়টা একই জ্ঞানতাত্ত্বিক পাটাতনে প্রোথিত। প্রথমে অবাক হবেন, কারণটা বুঝতেও একটু গভীর চিন্তা খুব জরুরী। বিশেষ করে বুঝতে হবে এই দুটো ধারায় কাদের স্বার্থের বীজ বপন করা হয়েছে। আর এর থেকে ফসলগুলোই বা কে ঘরে তুলতে পেরেছে!!

কারা আসলে মানুষের আবেগ এবং চিন্তা নিয়ে ব্যবসা করে নিজের আখের গুছিয়ে নিতে চেয়েছে। একটু খেয়াল করুন, বুঝবেন। কয়দিন থেকে অনলাইনে কিছু তথাকথিত নাস্তিক নামধারী বেজন্মা গাজাকে গাঁজা, গণহত্যাকে উইকেট পড়া হিসেবে কাউন্ট ডাউন করছে। কেউবা শুয়োরের মত দাঁত বের করে বলছে Continue reading সেকুলারিজম যখন এক আগ্রাসী ও মৌলবাদী ধর্মের নাম

সঙ’লাপ নাকি ঐতিহাসিক বুজরুকি ???

[১৮+পোস্ট, নিজ দায়িত্বে ঢুকবেন] অনেক পুলাপাইন জ্ঞানগর্ভ জাকির নায়েককে কটাক্ষ কৈরা জোকার লায়েক বলে থাকে। হুম এই বেচারা তার নামের স্বার্থকতা প্রমাণ করিলেন। আপনি অনেক বুঝদার লোক, জ্ঞানী আলেম তাই বৈলা আপনি কি Sunny Leone কে বুঝাইতে যাইবেন যে ব্যাহেন জি আপনে পর্নগ্রাফি কারনা বান্ধ কি জিয়ে, মানব জাতিকে লিয়ে ওহি বাড়া খাতারনাক চিজ হ্যায়। ইউবা সামাজকো চুন চুন কার দাবাহ কার দিয়া আপন য্যায়সি কামিনে হারকাত কারনে ওয়ালে কি চিজ দেখ নে ছে। রুখ যাইয়ে না ব্যাহেন জি। আপকো মেরি পারওয়ার দেগার কি কাসাম। ….. মিষ্টার জাকির নায়েক কোনো লাভ নাই।

আপনার এই ধরণের সিদ্ধান্ত আর টয়লেটে বৈসা জিকিরের চেষ্টা একই কথা। আমরা স্বীকার করছি আপনি অনেক বড় তাত্ত্বিক, অনেক বড় মাতবর কিন্তু সব জ্ঞানের উপরে আছে মাত্রাজ্ঞান আপনি সেটা ছাড়াইছেন। আপনি বেয়াক্কেলের মতো তসলিমার মতো একটা Milf রে তর্কের আহ্বান জানাইছেন কিনা জানি না। তয় বাজারে খবর যেহেতু চাউর হৈছে, ফেসবুকীয় ফকিন্নি আর সিঙ্গেল প্যারেন্ট চাইল্ড গুলা কয়দিন বেশ সুন্দর অর্গ্যাজমিক আনন্দে ইসলাম নিয়া গালাগাল করার সুযোগ পাইয়া গেলো। তাই ধিক্কার আপনাদের মতো আলেম নামের পণ্ডিতমূর্খদের জন্য। আপনাদের জ্ঞান আপনাদের পকেটে রাখুন। অতিরিক্ত হৈলে সেটাকে রাস্তাঘাটে ছড়াইতে যাইয়েন না। তাইলে পি.এইচ.ডি সেমিনারে কিসু বান্দর দর্শক দাওয়াত দেয়া আর আপনার জ্ঞানচর্চায় কোনো পার্থক্য থাকবে না। সেই একই সাথে মিলফ তসলিমার তামাম ভক্তকূলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই Continue reading সঙ’লাপ নাকি ঐতিহাসিক বুজরুকি ???

রাতজাগা ক্ষতিকর নয় আসুন রাত জাগি

1125759003_3580Germany, Emmering, Teenage girl sleeping in computer labসৃষ্টিশীল মানুষের সাথে রাতের ঘূম আর সমাজের বৈরিতা চিরকাল। এই কথা কারোক্ষেত্রে জন্মলগ্ন থেকে ধ্রুব সত্য হয়ে যায় কেউবা ভাব ধরেন। তবুও এক ধরণেরঅবস্থা তৈরি হয়েছে যেখানে মেনে নিতেই হচ্ছেসৃষ্টিশীলতা আর নিয়মানুবর্তিতা দুটি ভিন্ন গ্রহের উপমা। আমরা যারা রাত জেগে কাজ করি পরিবারের সবার তাদের নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই। কিন্তু এবার তাদের চিন্তাথেকে মুক্তির পথ বাতলে দিয়েছে মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশ্ব বিদ্যালয়। ডেইলি মেইলে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এমনি দেখতে পেলাম। সেখানে মানুষের রাত জাগা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন উদ্দিষ্ট গবেষকগণ। Continue reading রাতজাগা ক্ষতিকর নয় আসুন রাত জাগি

মিশেল ফুঁকো ও উত্তর আধুনিক চিন্তাকাঠামো

urlবিশিষ্ট দার্শনিক ও উত্তর আধুনিক চিন্তাধারার অন্যতম পুরোধা মিশেল ফুঁকো ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের Poitiers নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। ফ্রান্সের বিশিষ্ট সার্জন পল ফুকো ছিলেন তাঁর বাবা। বাবা তাঁর নাম রেখেছিলেন পল-মিশেল ফুকো, সেই সাথে ইচ্ছা ছিল জ্ঞানচর্চা শেশে ফুঁকো বাবার মতো চিকিৎসক হবেন। শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক সময় বেশ ভালোভাবে কাটতে থাকে তার। তবে তাঁর প্রতিভার বিকাশ লক্ষ করা যায় বিখ্যাত জেসুইট কলেজ সেন্ট-স্টানিসলাসে ভর্তির পর। পড়াশোনায় বিশেষ সাফল্য তাঁকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ফ্রান্সের মানবিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান École Normale Supérieure
– এ প্রবেশের সুযোগ করে দেয়। তবে এখানকার জীবন ফুকোর জন্য ছিল বেশ কষ্টকর। নানা কারণে তিনি প্রচণ্ড অবসাদগ্রস্ততা ও হতাশায় ভুগতে থাকেন। একসময় মানসিক বৈকল্য তাকে মনোচিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে বাধ্য করে। তিনি এরপর হটাৎ মনোবিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহী হন। Continue reading মিশেল ফুঁকো ও উত্তর আধুনিক চিন্তাকাঠামো

প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের বাণিজ্যিক সম্ভবনা ও চলচিত্র ভাবনায় নতুনত্ব।

চলচিত্র দৃশ্যপটে প্রত্নস্থান কান্তজিউর মন্দির

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই একটা বিষয় খারাপ লাগতো। আর্কিওলজি বালার পর পর পাব্লিক বলতো আর্কিটেকচার নাকি। কিংবা  দেখেছি নাম শোনা মাত্র মানুষ নাক কুঁচকে মুখটা ঈষৎ বাকিয়ে বলে এটা কি ??

পরে শুধুই ভাবতাম তোরা যে যা বলিস ভাই!! যেমনে হোক প্রত্নতত্ত্বের জন্য প্রচারণা চাই। এখন অনেক ভালো লাগে যখন দেখি ফেসবুকে খোলা কয়েকটি গ্রুপ আর পেজের হাজার হাজার লাইক-কমেন্ট জানান দেয় আমরা প্রত্নতত্ত্ব পড়ি।  তারপর আগ্রহী হয়েছিলাম কিভাবে এদেশের মিডিয়ায় প্রত্নস্থানগুলোকে জনপ্রিয় করে তোলা যায়। পাণ্ডিত্যের মোহে অন্ধ হয়ে প্রত্নস্থানগুলো কখনই পাদপ্রদীপে না আসুক এমনটি কখনো চাইতাম না। তাই একটু অন্যরকম করেই ভাবতে শুরু করি। এখন সময় পাল্টেছে কিছুদিন পর পর আমদের প্রত্নস্থানগুলোর উপর বেশ কিছু প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে। পত্রপত্রিকাতেও অনেক ফিচার আসে। কিন্তু ভারতীয় বাংলা আর হিন্দির সাথে দ্বৈরথে দিনের পর দিন পিছিয়ে পড়েছে আমাদের মিডিয়া। তার লেজ ধরে চলচিত্রেও আজ দৈন্যদশা। তাই চলচিত্র ভাবনায় নতুনত্ব এখন সময়ের দাবি । তাই এতোদিন শুধুই Continue reading প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের বাণিজ্যিক সম্ভবনা ও চলচিত্র ভাবনায় নতুনত্ব।

আধুনিকতার নামে নগ্নতা, সভ্যতার নামে কলংকিত ব্যাভিচার যে সমাজে চলে মনে হয় সেই সমাজের মুখে লাথি মেরে সবকটা দাঁত উপড়ে ফেলি।

আমরা প্রত্যেকেই একটি ভাল খবরের প্রত্যাশায় প্রতিদিন কান পেতে থাকি। কিন্তু আস্তে আস্তে বধির হতে চলেছি সুসংবাদের দিক থেকে। আজ সন্ধার দিকে ফেসবুক লগ ইন করতেই চোখে পড়ে দুইটি পেইজ এক্স ফাইল বুমেরাং এর পোস্ট। ওখানে পেজের এডমিনরা শেয়ার দিয়েছেন একটি মর্মান্তিক দৃশ্যের বর্ণনা। বর্ণনা ছিল অনেকটা এমন …

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ‘র আইল্যান্ডে কে কারা একটি নবজাতকের লাশ ফেলে যায়। সে নবজাতকের লাশকে ঘিরে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। ছবি: জনি

এই ছোট্ট একটি লাইন আর ছবিটিই ঘটনার বিভীষিকা বোঝাতে যথেষ্ট। আমরা প্রগতিশীলতার বিরুদ্ধে কিছু বলার দু:সাহস দেখাবো না। উদারতা দেখানো ভালো। কিন্তু এই উদারতা যখন উদর স্ফীত করে।  তারপর সেই স্ফীত উদরের প্রতিদান তৃতীয় একটি জীবন পৃথিবীতে আসতে চায় তাকে হত্যা করা কোন ধরণের মনুষ্যত্ব। আধুনিকতার নামে নগ্নতা, সভ্যতার নামে এই কলংকিত ব্যাভিচার যে সমাজে চলে মনে হয় সেই সমাজের মুখে লাথি মেরে সবকটা দাত উপড়ে ফেলি।  খান খান করে দেই এই এই অলীক তাসের ঘরের আদলে প্রস্তুতকৃত জিঘাংসার আতুর ঘর। থুতু নিক্ষেপ করি এই প্রগতিশীলতার মুখে। লাথি মারি এই আধুনিকতার তলপেটে। হায় একটি নিষ্পাপ জীবন এভাবে ঝরে গেল। আমরা সভ্য সমাজ শুধূ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলাম।

হুমায়ুন আহমেদের কর্মময় জীবন কিছু বিতর্ক, কিছু প্রাপ্তি (ফেসবুক আলোচনা কপি পেস্ট)

বরেণ্য কথা সাহিত্যিক হুমাযূন আহমেদের মৃত্যুর দিন রাতেই তৌসিফ সালাম ভাইকে একটি স্ট্যাটাস দিতে দেখি। উনি ওখানে বলেছিলেন “অভিনেত্রী শাওন”।

ছোট্ট মাত্র দুই ওয়ার্ডের স্ট্যাটাসের ডিসকাশনে পরিষ্কার হয়েছিল মূল কাহিনী। পরে আজ শুভ ভাই একটি স্ট্যাটাস দিলে সেখানে চমৎকার কিছু ডিসকাশন দেখা যায়। ফেসবুকের এই ডিসকাশন গুলো হারিয়ে যায় দ্রুতই তাই ভাবছি এটা সংরক্ষণ করা জরুরী। ফেসবুকে যেভাবে মন্তব্য করা হয়েছে সেভাবেই সরাসরি কপি পেস্ট করে সংরক্ষণ করছি। এছাড়া এটা সবাই দেখতে পারবেন।  ধন্যবাদ। Continue reading হুমায়ুন আহমেদের কর্মময় জীবন কিছু বিতর্ক, কিছু প্রাপ্তি (ফেসবুক আলোচনা কপি পেস্ট)

এ মিথ্যাচার এখুনি রুখতে হবে

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বি এস এফ এর পৈশাচিক বর্ববতার প্রতিবাদে যখন গোটা দেশের অনলাইন একটিভিস্ট, ব্লগার ফেসবুকসহ ভার্চুয়াল দুনিয়া সোচ্চার হয়েছে তখন কিছু ছবি ফেসবুকে স্থান করে নিয়েছে। কিছু নির্মম ঘটনার আলোকচিত্র ও গ্রাফিক্স ফেসবুকে ছাড়া হয়েছে। এইগুলোর সত্যাসত্য যাচাই না করেই ক্রোধের আগুনে টগবগ করে ফুটতে থাকে তরুণ সমাজ ফেসবুকের ওয়াল থেকে ওয়াল, এ ব্লগ থেকে ও ব্লগ শেয়ার করে যাচ্ছেন। কিন্তু মাঝখান দিয়ে লাভ হচ্ছে পিশাচ বি এস এফ এর। আসলে এটি বি এস এফ এর অপকর্ম আড়াল করার কোন অপচেষ্টা হতে পারে। একটি ছবি খুব গুরুত্বের সাথে প্রচার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু ছবিটা আসলে কিসের?

ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি লোককে পেরেক ঠুকে গাছে ঝুলিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে। তার পুরুষাঙ্গ কেটে মুখে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর সাথে বি এস এফ এর সম্পৃক্ততা নেই। প্রকৃত অর্থে এরশাদ সিকদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বরগুনার বেতাগী উপজেলার দক্ষিন ভোড়া গ্রামের ৭৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত সালাম হাওলাদারকে হত্যা করে গাছের সাথে পেরেক ঢুকিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ২০১০ এর মার্চ মাসের দিকে। বিভিন্ন থানায় ডজন খানেক ডাকাতি, খুন ও ধর্ষণের মামলার আসামি সালামকে তারই সহযোগিরা ডেকে নিয়ে হত্যা করে। এরপর লাশটিকে ইঞ্জিনিয়ার সুলতানা সালেহ টেকনিক্যাল কলেজের সামনের একটি রেইন্ট্রি গাছের সাথে দুই হাতে পেরেক ঢুকিয়ে ঝুলিয়ে রাখে।

কিন্তু এই ঘটনাকে বি এস এফ-এর কর্মকাণ্ড হিসেবে প্রচার করার একটিই অর্থ হতে পারে, সেটি দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার। এর ফলে পুরো বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিরা বিশ্বের বুকে মিথ্যাবাদী বলে প্রতিপন্ন হবে আর আখেরে লাভবান হবে ভারত। তাই দেশের সকল ব্লগার ও অনলাইন একটিভিস্টের কাছে অনুরোধ, আপনারা বিভ্রান্তির এই বেড়াজালে পা দেবেন না। মিথ্যাচার করে দেশের মানহানি করবেন না। এই ধরণের মিথ্যাচার বিশ্বের বুকে জাতি হিসেবে আমাদের মাথা হেঁট করে দেবে। বিএসএফ যে অন্যায় করেছে তা দেখে এমনিতেই বিশ্ব-বিবেক ঘৃণায় রি রি করছে। একে অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করার কোনও মানে হয় না।

বিভ্রান্তির বেড়াজালে বাংলাদেশ, এ মিথ্যাচার রুখতে হবে এক্ষুনি । দেশের মান ইজ্জত রক্ষার্থে সবার কাছে অনুরোধ এই ছবি ট্যাগ করে, শেয়ার করে, মেসেজ করে ওয়াল থেকে ওয়ালে ছড়িয়ে দিন, অবশ্যই সাথে যেন এই বিবরণ থাকে। একটি কথা মনে রাখতে হবে মিথ্যাচার সম্মান বাড়ায় না বরং মানহানি করে।
বাংলানিউজ২৪.কম।
আদনান আরিফ সালিম অর্ণব
aurnabmaas@gmail.com

ব্লগ বাংলা প্রসঙ্গে

বাংলা ব্লগের প্লাটফর্ম হিসেবে সদ্য পরিচিত হলাম ব্লগ বাংলার সাথে। জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদপত্র বাংলানিউজের ব্লগ হিসেবে এটি বিকশিত হওয়ার পথ করে নিয়েছে। নতুন ব্লগ হিসেবে ব্লগ বাংলার কাছে আমাদের চাওয়া পাওয়া আর দীর্ঘদিন ব্লগিং করার সূত্রে আমার হাসি-আনন্দ, বিরক্তি, আশা-হতাশা, ভালোলাগাসহ নানা বিষয় নিয়ে এই লেখাটি।

ব্লগার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলাম বছর তিনেক আগে। লেখালেখির অভ্যাস তখনো অতটা  হয়ে ওঠেনি। তখনকার ব্লগিং বলতে মনে হতো শুধু ভাল ভাল লেখা গ্রোগ্রাসে  গিলতে থাকা আর নিজের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা। পরবর্তীকালে যখন লেখালেখির ধারায় আসি ধীরে ধীরে ব্লগিং এর পটপরিবর্তন হতে দেখা যায়। বাংলাদেশে রাজনীতির  আকাশে ঘোর অমানিশার প্রভাবে কিছু ব্লগার বাংলা ব্লগের মতো মুক্ত স্বাধীন প্লাটফর্মগুলোতেও এর কালো  ছায়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করতে থাকে।

একসময় ব্লগারদের মধ্যে সৃষ্টিশীল ও মানসম্মত লেখার তুলনায় একে অন্যকে আক্রমণ করা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা, পোস্টের হিট বাড়ানোর প্রবণতা বাড়তে থাকে। একসময় মনে হয়েছে ব্লগ আর মাতৃভাষায় মুক্তমত প্রকাশের স্থান হিসেবে টিকে নেই। এটি পরিণত হয়েছে একটি যুদ্ধক্ষেত্রে। আরো অবাক হয়েছি মধ্যরাতের দিকে যখন বেশিরভাগ মডারেটর নিদ্রা যেতেন, তখন মডু ঘুমায় নামে অশ্লীল ১৮+ পোস্ট দিয়ে আড্ডা জমানো হতো ব্লগপাড়ায়। পরিস্থিতি আরো চরমে ওঠে যখন দেখি প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে একধাপ এগিয়ে যেতে এক এক গ্রুপ একে অন্যকে অশ্লীল সব ট্যাগ করা শুরু করেছে। কেউ ছাগু, কেউ ভাদা, কেউ হাম্বা, কেউ ভিম্পি ইত্যকার নানা আজগুবি সব শব্দচয়ন দেখে মাঝে মাঝে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরার অবস্থা হতো। ভাবতাম, হায় বাঙালি! তোরা স্বাধীনতার চার দশক পার করেও বাংলাদেশি হতে পারলি না! উন্নতি-উন্নয়নের চেষ্টা না করে এখনো নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বেই আটকে আছে। এরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, স্বাধীন বাংলাদেশের আলো-বাতাসে এদের বেড়ে ওঠা কিন্তু মতের কতো অমিল!

কেউ দেখা গেছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কথা বলছে, কেউ সব লাজলজ্জার মাথা খেয়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সারিন্দা বাজাচ্ছে। কেউ দেখা গেছে বাংলাদেশের সাথে ভারতের বা পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলার দিন বাংলাদেশ টিমের বিরুদ্ধে পোস্ট করেছে। কাউকে দেখা গেছে বাংলাদেশের অবস্থা বাদ দিয়ে পাকিস্তান বা ভারতের নানা বিষয় নিয়ে মেতে উঠেছে।

এর পরেও কিছু ব্লগারকে দেখা দেখা গেছে রাজনৈতিক ক্যাচালের উর্দ্ধে থেকে, দেশ ও জাতির নানা সমস্যা নিয়ে ব্লগে ঝড় তুলতে। কেউ কেউ গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ভ্রমণ কাহিনী প্রভৃতি নিয়ে রুচিশীল লেখনীর পরিচয় দিয়েছেন। কথা প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে নন্দিত ব্লগার ইমন যুবায়েরের কথা যার ব্লগ হয়ে উঠেছে বাংলালেখনীর একটি সমৃদ্ধ আর্কাইভ, ব্লগার নাফিস ইফতেখার যার নাম তার পরিচয় বহন করে, ব্লগার জুলভার্ন ভ্রমণকাহিনীর লেখক হিসেবে পুরো বাংলাব্লগ জগতে তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। সীমান্তে বিএসএফ এর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ, টিপাইমুখ বাঁধ, ভিকারুননিসা কিংবা রুমানা মঞ্জুর ট্রাজেডিতে ব্লগপাড়াকেই প্রথম সরগরম হয়ে উঠতে দেখা গেছে।

ব্লগীয় নতুন পরিভাষা হিসেবে গদাম (পশ্চাৎ দেশে লাথি ঝাড়া), পাকি (পাকিস্তান সমর্থক), ভিম্পি/বিম্পি (বিএনপি), আম্লিগ/হাম্বা (আওয়ামিলীগ), ভাদা (ভারত এর দালাল), পাদা (পাকি দালাল) ভাকুর (ভারতীয় কুকুর), ছাগু/জাশি (জামাত শিবির), টেকি (প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের নাম), খিকচ (চাপা হাসির বহিঃপ্রকাশ), ধইন্যা (ধন্যবাদ), ল্যাঞ্জা বাইর হওয়া (বিতর্কে হেরে যাওয়া), কুত্তালীগ (ছাত্রলীগ), লুলামী করা (মেয়েঘেষা কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া), ছাইয়া (ছেলে হয়ে মেয়ের ভান করা), তেনা পেঁচানো (অযথা তর্ক করা), পিছলানো (পাশ কাটিয়ে চলা) ইত্যাদিকে অনেক বোদ্ধা বাংলা ভাষাশৈলীর বিকৃতি হিসেবে মনে করেন।
কিন্তু আমরা যারা ব্লগার আমাদের কাছে এগুলোকে নিছক হাসির খোরাক বলেই মনে হয়। কারণ, ওইসব বোদ্ধারা তাদের বেশির ভাগ কথার মধ্যেই বাংলা-ইংরেজি মিশ্রণ দিতে পছন্দ করেন। তবে আমাদের মাতৃভাষার আংশিক রূপান্তর এর মাধ্যমে কিছু শব্দ যেমন শিরাম/সৈরাম (সেরকম), চ্রম (চরম), মুঞ্চায় (মন চায়), ভাল্লাগ্লো(ভালো লাগলো), পিছলানো (কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া), তেব্র (তীব্র), পিচলামি (ইসলামি), মালানি (হিন্দুয়ানী), জসিলা (জটিল)- ইত্যাদির পৌনপুনিক ব্যবহার আমাদের সমস্যায় ফেলতে পারে। একজন ব্লগার হিসেবে এইসব শব্দের বহুল ব্যবহারের ধারাবাহিকতায় পরীক্ষার খাতায় এই ধরণের কিছু শব্দ মনের অজান্তেই ব্যবহার করে ফেলি যেটি পরীক্ষকের কাছে নিতান্তই আজগুবি লেগেছে।

ব্লগের ক্ষেত্রে সবথেকে মজার ব্যাপারটা আমার মনে হয়েছে বিদেশি শব্দকে নিজের মতো করে ব্যবহার করাটা। এতে অনেক বেশি মজাও পাওয়া যায় পাশাপাশি একটু গুরুগম্ভীর ভাবটাও কাটানো যায়। যেমন বিদেশি শব্দ প্লাচাইলাম (ইতিবাচক রেটিং বা ভোট দেয়া), ব্যান (নিষিদ্ধ), ব্লগান (ব্লগিং করা), পোস্টান/পুস্টানো (লেখা দেয়া), ইউজান (ব্যবহার), হেল্পান (সহযোগিতা করেন), স্লিপান (ঘুমানো), ইটাচ্ছি (খাচ্ছি), কম্পু (কম্পিউটার), ল্যাপু (ল্যাপটপ) ইত্যাদির ব্যবহার নিতান্ত বেরসিককেও হাসাতে পারে বলে আমার বিশ্বাস, তবে বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণটা জরুরি।

একটু ভিন্নভাবে দেখতে গেলে ব্লগারদের মজার মজার নাম অনেক ক্ষেত্রে হাসির কারণ হতে পারে। ব্লগ ইউজারের নিকনাম হিসেবে চিকন মিয়া, গেদু চাচা, চেয়ারম্যান, খালি ব্যান খাই, পিরীতির নাম কাডালের আঠা, পুলার নাম লিপিস্টিক খান, ছেড়ে দে শয়তান, আজীব পোলা, দুলাভাই, আমার শালী লণ্ডনে, ডিজিটাল পোংটামি, ডিজিটাল হাসি, ভেজা বিলাই, জাকারবার্গের চেলা, স্টিভ জবস আমার শালা, ভাদাইম্যা, বদনা দে নয়তো উষ্টাদিমু, বিজলী এখন ঢাকায়, ধর সাইকেল কমাইয়া আসি, বদমাশ, অধমের নাম বলদা ছেলে- তখন মনের অজান্তেই অনেকের হাসি পেতে থাকে।
এর পাশাপাশি যোগ হয়েছে বাংলা বাক্য ও শব্দের নতুন রূপ। হাহাপগে (হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম), হাহালুখুগে (হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেল), চ্রম (চরম), খ্রাপ(খারাপ), পুত্তম(প্রথম), তেব্র(তীব্র), বেয়াপক/বেফুক(ব্যপক), মজাক লইলাম (খুশি হলাম), পালাদিমুচা (পাছায় লাথি দিতে মন চায়), আবুআ (আয় বুকে আয়)- এসব নিয়ে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
আমার কয়েকজন ব্লগার বন্ধু আছেন যারা বই কেনাকে একটি হাস্যরসের বিষয় উল্লেখ করে উড়িয়ে দিলেন। মূলত তাদের অভিমত হলো যে, ‘বর্তমান এই (ইন্টারনেটের ব্লগ) যুগে টাকা দিয়ে বই কেনার কোনো মানে হয়না।’ তাছাড়া ঘনবসতিপুর্ণ ঢাকায় বই কিনে লাইব্রেরি দেয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গাও আমার নাই। তাই আমি সব বইয়েরই সফট কপি সংগ্রহ করে সেগুলো দিয়ে একটি বিশাল লাইব্রেরি তৈরি করেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার অনলাইন লাইব্রেরির সমৃদ্ধির হেতু- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত চার বছরের ছাত্রজীবনে কতদিন লাইব্রেরিতে গেছি তা খুব সহজেই হাতে গুণে বলতে পারি। এটা এই বাংলাব্লগে ব্লগিং করার অর্জন বলতে পারেন।
তিউনিসিয়া ও মিশরে গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ভারতীয় চ্যনেল ইএসপিএন এর ধারাভাষ্যকার নভোজিৎ সিং সিধুর কটুক্তি, কিংবা বিশ্বের আনাচে-কানাচে বাংলাদেশের কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা এর কিছুই চোখ এড়ায়নি বাংলাদেশের ব্লগারদের।
বাংলা ব্লগ প্রসঙ্গে এককথায় বলা যায়- এটি বিভিন্নজনের নানা বিশ্লেষণধর্মী লেখা সবার হাতের নাগালে এনে দিতে পেরেছে যেখানে নিজের অভিমতটিও প্রকাশ করা যায়। এখানে একই সময়ে সকলের মতামত প্রকাশ করার একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে যা অন্য কোনো মাধ্যমে কস্মিণকালেও সম্ভব হতোনা।
অনেক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশি জীবনের প্রয়োজনে অন্নসংস্থানের আশায় দেশের বাইরে অবস্থান করেন। মা, মাটি, মাতৃভাষা আর দেশের জন্য তাদের প্রাণ আকুল হলেও একটি কথা বলার সুযোগ তারা পাননা। কিন্তু ব্লগের কল্যাণে তারা নিজেদের জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পেয়েছেন। সারাদিন অর্থ উপার্জন করার মাধ্যমে এই সকল মানুষ একদিকে নিজের পরিবারকে স্বচ্ছল করার পাশাপাশি দেশের রেমিটেন্স বাড়ানোতে যেমন ভুমিকা রাখছেন অন্যদিকে সন্ধ্যার পর অবসরকে এই ব্লগের কল্যাণেই পার করছেন দেশের ব্লগারদের সাথে একান্ত আপনজনের মতো। এখানে শুধু সশরীরে উপস্থিত হওয়াই সম্ভব নয়- এছাড়া জন্ম, মৃত্যু আর বিয়ে এই তিনের আনন্দ আর আমোঘ বিধিতে দুঃখের নিনাদ সুরমূর্ছনার মতো ঠিকই বেজে ওঠে পুরো ব্লগ পরিবারে। তাই এই সকল মানুষের কাছে ব্লগের আবির্ভাব একটি আশীর্বাদ বলা যায়।
আবহমানকাল থেকে বাঙালির পরিচয় তারা পেটুক, তারা খায় খাওয়ায় আর তারা আড্ডাবাজ। এই হচ্ছে সাধারণত বাঙালির সংস্কৃতি। আগে দেখা যেত গ্রামে কোনো এক বাড়িতে কিংবা কোনো দোকানে বসে বিভিন্ন বয়সী লোক মিলিত হয়ে গল্প, পাল্টা গল্প কিংবা গ্রামের কোনো মজাদার কাহিনীর নানা দিক নিয়ে রসাত্মক বিশ্লেষণ ইত্যাদি করে সময় পার করতো। কিন্তু বাংলা ব্লগে প্রচলিত এ আড্ডা পোস্টের মাধ্যমে এখন আর সশরীরে কোন নির্দিষ্ট স্থানে একত্রিত হতে হয়না। কেবল কম্পিউটারের সামনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন স্থান থেকেই এ আড্ডায় যুক্ত হয়ে আড্ডা বা গল্পে গল্পে সময় পার করা যায়।
আমার পরিচিত প্রায় অর্ধশতাধিক ব্লগার আছেন যারা তেমন আড্ডাবাজ ছিলেন না, কিন্তু ব্লগে এসে একান্ত আপনজনের মতো অন্যদের সাথে ঠিকই সময় পার করেন। আমাদের কৃষ্টি কালচার সংস্কৃতিক ঐতিহ্যসহ সকল আঙ্গিক বিবেচনা করলে বাংলা ব্লগ এক নতুন যুগের সূচনা করেছে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। তবে ছেলেমেয়েরা এর ভালো দিকগুলোকে কাজে না লাগিয়ে সাধারণ সময় কাটানোর মাধ্যম ভাবলে এটা ক্ষতির কারণ হবেই- এমন ভেবে বসে থাকার অবকাশ নেই। পৃথিবী আজ এগিয়ে গেছে। এগিয়ে যেতে হবে আমাদেরকেও।
২০০৬ সালের দিকে বাংলা ব্লগের যাত্রা শুরু হওয়ার পর আজ এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে- অনেক বলে থাকেন বাংলাদেশে ব্লগার থেকে ব্লগ বেশি। সামহোয়্যারইন, সচলায়তন, আমার বর্ণমালা, চতুর্মাত্রিক ব্লগ, নাগরিক ব্লগ, প্রতীক ব্লগ, সোনার বাংলাদেশ ব্লগ, ওপেস্ট, রঙমহল, বিডি নিউজ-২৪ব্লগ এগুলোর সাথে যুক্ত হলো দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ বাংলানিউজ এর ব্লগ বাংলা। ব্লগার হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা প্রচলিত ধারার বাইরে এসে ব্লগ বাংলা হয়ে উঠবে স্বাধীনদেশে স্বাধীনভাবে মাতৃভাষায় মনের কথা বলার এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে। মডারেশণ বোর্ডের স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা আর নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় অনেক ব্লগ প্রতিষ্ঠার পর মাথাতুলে দাঁড়াতে পারেনি। অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্লগ তাদের নীতিগত অস্পষ্টতা আর বুদ্ধিভিত্তিক দৈন্যতার কারণে জনপ্রিয়তা হারিয়েছে যেখানে সংবাদপত্র হিসেবে তার প্রচার, প্রসার ছিল আকাশচুম্বি। অনেক ব্লগ তার সার্ভারের অন্ধকার থেকে প্রচার জগতের আলোর মুখ দেখতে পায়নি। আমরা আশা রাখছি- ব্লগ বাংলা এইসব নীতিগত দৈন্য থেকে বেরিয়ে এসে নতুন পথের সন্ধান দিতে সম্ভব হবে। নিউজ এজেন্সি হিসেবে বাংলানিউজ যে স্বচ্ছতা ও সম্মান অর্জন করেছে ব্লগ বাংলার মডারেশনে সেটি ধরে রাখতে সক্ষম হবে – এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের।
আদনান আরিফ সালিম অর্ণব, ব্লগার ও কলামিস্ট
aurnabmaas@gmail.com

বাংলাদেশ সময়: ২০৩৪ ঘণ্টা, ২৭ জানুয়ারি, ২০১২