হরপ্পার পথে পথে…





আবিস্কার:  


 হরপ্পা সভ্যতা আবিস্কারের পূর্বে মনে করা হত যে আর্যদের ভারতবর্ষে আসার পর থেকে ভারতের ইতিহাসের সূচনাএই হরপ্পা ভারতবর্ষের প্রাচীনতম সভ্যতা ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাচীনত্ব এবং মৌলিকত্ব প্রমাণ হয়েছে হরপ্পা সভ্যতা আবিস্কারের পর সভ্যতাটির আবিস্কার ভারতের ইতিহাসে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কেননা, অন্তত পাঁচ হাজার বছরের পুরনো হরপ্পা সভ্যতাটি প্রাচীনত্বের দিক থেকে মিশর-ব্যাবিলন আসিরিয় প্রভৃতি সভ্যতার সমকক্ষতা অর্জন করেছে ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দ সালে চার্লস ম্যাসন (প্রকৃত নাম জেমস লুইস) নামে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন সৈন্য পাঞ্জাবের মহারাজা রণজিৎ সিংহের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য পাঞ্জাবে যান ওই পাঞ্জাবেরই পশ্চিমে মন্টোগোমারি জেলায় ইরাবতী নদীর পূর্ব তীরে হরপ্পার অবস্থান। তিনি ম্যাসন হরপ্পায় ঢিবি দেখেছিলেনএবং তার লেখায় চার্লাস ম্যাসন ঢিবিটিকেপ্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সম্ভাবনাময়বলে উল্লেখ করেছিলেনতখন ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রধান  মেজর জেনারেল কানিংহাম ১৮৫৩ এবং ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কয়েকবার হরপ্পা পরিদর্শন করেনএবং সীল ও ছুরির ফলা সম্বলিত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেন মহেনজোদারোর অবস্থান বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলার খয়েরপুর বিভাগেমেজর জেনারেল কানিংহাম কর্তৃক সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পঞ্চাশ বছর পর মহেনজোদারোর প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখনন করা হয়সেসময় একই ধরনের সীল পাওয়া যায়সংবাদটি ইলাষ্ট্রেটেড লন্ডন নিউজএ প্রকাশিত হলে প্রত্নতাত্ত্বিক মহলে সাড়া পড়ে যায়হরপ্পা সভ্যতার আবিস্কারের সঙ্গে আরেকজন বাঙালি ঐতিহাসিক জড়িততিনি ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্ধ্যোপাধ্যায়ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্য এবং অবিস্কারক চার্লাস ম্যাসন হরপ্পায় যে ঢিবি দেখেছিলেন ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্ধ্যোপাধ্যায় সেটি বৌদ্ধ উপাসনালয়ের ধ্বংসাবশেষ ভেবেছিলেন ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি হরপ্পায় খননকার্য শুরু করেন এবং অচিরেই প্রাগৈতিহাসিক যুগের মৃৎপাত্র এবং পাথরের তৈরি শিল্পকর্ম আবিস্কার করতে সক্ষম হনহরপ্পা সভ্যতার অন্য আবিস্কারক হলেন প্রত্নতাত্ত্বিক পন্ডিত দয়ারাম সাহানীএঁরা দুজনই হরপ্পা ও মহেনজোদারোতে দুইটি নগরের সন্ধান পান১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় সিন্ধ অঞ্চলে সব মিলিয়ে চল্লিশটির মতন প্রত্নক্ষেত্র আবিস্কার হয়েছিলএর পর গত ৫০/৬০ বছরে সব মিলিয়ে ১৪০০ প্রাচীন বসতি আবিস্কৃত হয়

গড়ে ওঠার কারণ:  


 প্রাগৈতিহাসিক ভারতবর্ষে হরপ্পা সভ্যতা গড়ে ওঠার সুনির্দিষ্ট কারণ ছিলমাঠ পর্যায়ে গবেষনা করে প্রত্নতাত্ত্বিকগণ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, নবোপলীয়, অর্থাৎ নব্যপ্রস্তর যুগে খাদ্য ও ঘাসের অভাব দেখা দিয়েছিলমানুষ এবং পশুখাদ্য যোগানোর জন্য নদীর তীরই ছিল উপযুক্ত জায়গাকাজেই ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ নদীর তীরে বসতি গড়তে থাকেএই ঘটনা ঘটেছিল ২২০০ খ্রিস্টপূর্বের আগেকেননা, ঐতিহাসিকদের মতে হরপ্পা সভ্যতার কালসীমা খ্রিস্টপূর্ব ২২০০ থেকে ১৭০০সে যাই হোকমিশর কিংবা মেসোপটেমিয় সভ্যতার তুলনায় হরপ্পা-সংস্কৃতি সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান সীমিতএর প্রধান কারণ হরপ্পা সভ্যতার লিখিত দলিলের অভাবহরপ্পা সভ্যতার বিভিন্ন নগরে প্রায় হাজার দুয়েক সীল পাওয়া গেলেও আজও সেগুলির পাঠোদ্ধার সম্ভব হয়নি প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখননের (archaeological excavation) ফলে যে তথ্যসমূহ পাওয়া গিয়েছে তারই ভিত্তিতে হরপ্পা সভ্যতা সম্বন্ধে আমাদের ধারণা গড়ে উঠেছেঅবশ্য মহেনজোদারোয় ভূগর্ভস্থ কয়েকটি স্তর জলমগ্ন থাকায় খননকার্যও পুরোপুরি সম্ভব হয়নিহরপ্পা সংস্কৃতি সুবিশাল ভূখন্ডে ছড়িয়ে আছেআয়তন সব মিলিয়ে ১২,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার

(চলবে)




** আপডেট করা হবে…

Advertisements

Different aspects of Archaeololgy : What is ?? Why? Where ? When ? How?

This Article will be updated with time $$$$
What is Archaeology ??

Now a day the so called definition of the term Archaeology is totally changed. It’s naturally the study of the past with material remains. Today, archaeology is usually defined as ‘the science of the treatment of the material remains of the human past’ or as a ‘systematic and descriptive study of antiquities’. It is one of the four sub-fields of anthropology. It cannot be emphasised too much that archaeology is the scientific study of the human past. It has to do with people and its goal is obtaining a greater knowledge about lost societies and their behaviour. Archaeologists are researchers who go directly to the source and analyse ancient cultures through artefacts, inscriptions and other remains. As people, we rely on archaeology as one of the main sources of unearthing history. Although locating artefacts and the physical remains of cultures such as buildings, roads and utilities like wells and aqueducts are a vital and necessary part of the work, they remain only a means to an end. Their importance lies in what they can tell about the people and cultures that produced them. Thus, an ordinary broken cooking pot found crushed beneath a fallen stonewall may be of inestimably more value than a delicately painted vase of the finest quality materials whose context is not known.

Bangladesh Archaeology.
Simply Archaeology is the study of past through material remains. In the fact of material remains we can notice some proportion as well as confusion. As the archaeology at the flood plain of Bangladesh have some doubt. Firstly about the artifact.
Generally it is contended that the human settlements in Bangladesh is not much old in its history since the soil of the territory is relatively newer; the land was formed by the accumulation of sediment in the near past. There prevails another presumption that no considerable number of material evidences have been discovered in support of the development of human settlement in Bangladesh either the reason for that they got destroyed by the erosion of rivers or for their being subdued under the sediment. But now a day the archaeologist can discover a lot of evidences here in Bangladesh. As we can mention the name of “Wari-Bateshwar”, Chaklapunzi, Lalmai Maynamati, Paharpur the Site of World Heritage, Mahasthangarh And so on. We can mention the name of some world class archaeologist from Bangladesh. As well as some students from department of Archaeology, Jahangirnagar University do well in the field of Archaeology.
Types of Archaeology 
The sheer variety that encompasses the rich subject of archaeology is often underestimated. Digging in the sand looking for the stone walls of a lost city, pulling on a wetsuit and diving into the dark oceans with SCUBA gear, or sitting for weeks with primitive Indians high on a lonely Peruvian plateau are all working types of the archaeologist.
Classical Archaeology
The examination of ancient Greek and Roman civilisations is known as classical archaeology. The two ancient cultures of Greece and Italy form the basis of classical investigation. The Grecian Empire, the Roman Empire and the transitional period between the two, the Greco-Roman Period, together permit a 2000 year era of classical history.
The period between around 500 BC to 300 BC was known as the Classical period or Golden age of Greece. These short years have given us the great monuments, philosophy, art, literature and architecture that are now the building blocks of western civilisation.
Certainly, the most famous sites of classical archaeology are found in Athens and Rome. Who can argue the grandeur of the Colosseum or the Parthenon? Yet classical archaeology is not confined to only the centres of these two great empires but even to the very extremities of their conquests.
Heinrich Schliemann, a German born, American archaeologist, conducted expeditions near the coasts of the Aegean Sea, in the late part of the 1800’s. Schliemann’s first excavation was in Turkey, and he claims he had revealed the legendary city of Troy. Unfortunately, his excavations were quick and destroyed large areas of his sites. Many other archaeologists followed, conducting more methodical and scientific excavations. Recent archaeology of the classic civilisations has tended to concentrate less on the popular heroes and more on the lives of common citizens.
Historical Archaeology
Historical archaeology pays great attention to the everyday world of all people. It is a conjunction of history and anthropology whereby the archaeologist seeks to understand the cultural processes and human experiences that produced the world we live in today through examination of the forms of writing and recording of information by past cultures. Writing in some form or another was known to have been used thousands of years ago. However, historical archaeologists study only recent history. Using only written evidence as the foundation of their research, historical archaeologists often work in partnership with historians. This type of archaeology developed in Britain and North America, where it continues to thrive in academic centres. Researchers in this field are particularly interested in books, manuscripts, seals, engravings, paintings, drawings and the like. Historical archaeology is therefore the study of the material remains of past societies that also left behind historical documentary evidence. An interesting sub field of archaeology, it studies the emergence, transformation and nature of our modern world.
Underwater Archaeology
Underwater archaeology employs special techniques to study shipwrecks and other submerged archaeological sites such as water-buried cities. Archaeologists who work under water rely on sophisticated diving and excavating equipment and employ special methods to preserve perishable materials that have been waterlogged for long periods.
There is significant danger involved when working at low depths and with little visibility. The use of robotic divers, armed with strong lights and cameras, helps greatly in the safety of underwater archaeology.
Much like today, ships were the primary mode of transport for international trade in ancient times. Many a full cargo, along with the entire crew, was lost at sea never to arrive at its destination. Yet more often than not, it is the rocky, shallow waters that mostly took their toll. Underwater archaeologists find lucrative bounty in these shallow water shipwrecks. These archaeologists are not searching for gold and sunken treasure chests but instead are trying to discover more about the society that lived at the time of the sinking. Cups, plates, weapons, food items and cargos will all piece together to bring the shattered jigsaw of past cultures to life again.
Ethno-Archaeology
Artifacts such as weapons and tools along with human and animal fossils indicates that past cultures lived by hunting and gathering until relatively recently. A branch of archaeology has sought to understand these activities by studying today’s living groups of hunter-gatherers in Australia, Central Africa and even in the Arctic. Observing these living cultures in their natural environment and cautiously making deductions about the characteristics and behaviour of their ancestors is a sub-domain of anthropology known as ethno-archaeology. Archaeologists believe that present-day hunter-gatherers such as the Australian Aborigine or the North American Eskimo, as well as people who lived during the Neolithic period share some aspects of each other’s ways of life. These archaeologists spend much time among the people they are studying, keeping detailed records of their daily activities and behaviours. They attempt to make accurate records of any abandoned settlements, including rubbish pits, discarded food and artefacts including tools for hunting, trapping, or food preparation. These are compared with patterns observed in excavated archaeological sites. Ethno-archaeologists can provide an important angle for interpreting the accumulations of artefacts and other remains found at excavation locations. They become particularly helpful in recognising associations between activities such as tool making or animal slaughtering.
Pseudo-Archaeology
Pseudoarchaeology is sometimes called fantastic archaeology but by whatever name it is given it is best identified as pseudo-science dressed in archaeological garments. Any archaeological theory, excavation site, or published results of excavations that do not conform to accepted archaeological practices generally fall into the category of pseudoarchaeology.  The word ‘pseudo’ is a Greek word meaning false apparent or supposed but not real. When prefixed to the word archaeology the term pseudoarchaeology simply means false archaeology. It can be false for a number of reasons. Firstly, the archaeological methodology may not be undertaken using accepted scientific methods. Secondly, the interpretation of the data or the material remains excavated may not be consistent with the usual practices of analysis. Thirdly, the artefacts ‘discovered’ could be fakes or the entire archaeological concept could be orchestrated as a hoax. A frequent motivation to engage in pseudoarchaeology is radical nationalism. Imperial ideologies of the recent past used the results of archaeology to advance their empires. Often it was considered necessary to fake the data in order to pursue a particular emphasis for the nation. Some nations thought that re-writing history via archaeology would benefit their political aims. Other motivations to enter into this pseudo-science could be religious dogma, anthropological theory, or revisionist historical interpretation. Archaeology is often enthused by romantic myths and legends. If the real science of archaeology were to make a discovery that rendered the national tale as a proven myth then cultural history would be shaken. Some people feel that it is better to ‘rework’ the evidence than to alter fanciful history.